kalerkantho

রবিবার । ২১ জুলাই ২০১৯। ৬ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৭ জিলকদ ১৪৪০

ব্যাংক এশিয়ার উচ্চশিক্ষা বৃত্তি

এম এ ওয়াদুদ   

১০ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যাংক এশিয়ার উচ্চশিক্ষা বৃত্তি

মুন্সীগঞ্জের মালখানগরে বৃত্তির চেক তুলে দিচ্ছেন ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান আ. রউফ চৌধুরী

প্রত্যন্ত অঞ্চলের সামর্থ্যহীন পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগ সময়ই উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর উচ্চশিক্ষার পথে পা বাড়াতে পারেন না। এমন শিক্ষার্থীদের বড় হওয়ার স্বপ্নকে সত্যি করতে, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ২০০৫ সাল থেকে উচ্চশিক্ষা বৃত্তি প্রকল্প চালু রেখেছে ব্যাংক এশিয়া। এই প্রকল্পের স্লোগান ‘আমিও অনেক বড় হবো’। ব্যাংক এশিয়া ফাউন্ডেশনের আওতায় পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিবছর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বাছাইকরণের মাধ্যমে সারা দেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়। গ্রামীণ জনপদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের অধিকারী যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কিংবা প্রথম বর্ষে পড়ছেন শুধু তাঁরাই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সরকারি কিংবা বেসরকারি অন্য কোনো সংস্থা বা উত্স থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীর এই বৃত্তির জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয় না; এমনকি বৃত্তির জন্য নির্বাচিত কোনো শিক্ষার্থীর দেওয়া তথ্যে পরবর্তী সময় গরমিল কিংবা তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে বরাদ্দকৃত বৃত্তি বাতিল করা হয়।

প্রতিবছর এপ্রিল-মে মাসে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বছরের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বৃত্তির আবেদন আহ্বান করা হয়। শিক্ষার্থীকে ব্যাংক এশিয়ার ওয়েবসাইট (www.bankasia-bd.com) কিংবা নিকটবর্তী শাখা থেকে সংগ্রহকৃত আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে ব্যাংক এশিয়ার নিকটবর্তী শাখায় জমা দিতে হয়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বই কেনা ও টিউশন ফি এবং বাত্সরিক বৃত্তিসহ প্রথম বছর আনুষ্ঠানিকভাবে এককালীন ৫১ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। পরবর্তী বছর একইভাবে সমপরিমাণ টাকা শিক্ষার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এভাবে প্রতিবছর একই হারে একজন শিক্ষার্থীকে তাঁর স্নাতক মেয়াদের (চার-পাঁচ বছর) পুরোটা সময় বৃত্তিটি দেয় ব্যাংক এশিয়া।

শুধু বৃত্তির টাকা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করে না ব্যাংক এশিয়া, বরং শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে এবং ভালো ফলাফল অর্জনের তদারকিতে সেমিস্টার শেষে বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নম্বরপত্র যাচাই করে। কোনো শিক্ষার্থী কোনো সেমিস্টারে সন্তোষজনক ফল অর্জনে ব্যর্থ হলে তাঁকে তাঁর বৃত্তির প্রাপ্য কিস্তির টাকা পেতে পরবর্তী সেমিস্টারে সন্তোষজনক ফল নিশ্চিত করে সেই নম্বরপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এ কারণে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সব সময়ই লেখাপড়ায় ভালো করার ব্যাপারে তত্পর থাকেন। বৃত্তি সম্পর্কিত তথ্য জানা যাবে ব্যাংক এশিয়ার ওয়েবসাইট ও যেকোনো শাখা থেকে।

মন্তব্য