kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

জেনে নাও

পকেটে এলো ক্যালকুলেটর

নূসরাত জাহান নিশা   

১০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পকেটে এলো ক্যালকুলেটর

একটা সময় ছিল, যখন কম্পিউটার ছিল বিশাল বড়। ওই সময় ওটার কাজ ছিল আসলে ক্যালকুলেটরের মতোই। মানে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা। কিন্তু এখন ক্যালকুলেটর বলতে তোমরা যেটা চেনো, সেটা এসেছে কম্পিউটারের হাত ধরেই। মূলত ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের পর থেকেই ইলেকট্রনিক জগতে এসব ছোটখাটো যন্ত্রপাতি আসতে শুরু করে। ক্যালকুলেটর এর মধ্যে প্রথম দিকের একটি যন্ত্র। ১৯৬০ সালে প্রথম সেমিকনডাক্টরভিত্তিক তুলনামূলক ছোট আকারের ক্যালকুলেটর বাজারে আসে। পরে বিশ্বখ্যাত চিপ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ইনটেল যখন ইনটেল-৪০০৪ মাইক্রোপ্রসেসর বানায়, তখন ওটা ব্যবহার করে আরো ছোট আকারের পকেটে রাখার মতো ক্যালকুলেটর বানায় জাপানি কম্পানি বুসিকম। ১৯৭০ সালের পর থেকে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তথা আইসির আকার আরো ছোট হয়ে আসতে শুরু করল ক্যালকুলেটর। এরপর পারসোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টাইপের ছোটখাটো আরো কিছু ইলেকট্রনিক যন্ত্র যখন আসতে শুরু করল, তখন ওইসব যন্ত্রপাতিতে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো ক্যালকুলেটরের প্রগ্রাম।

১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দুনিয়াতে যত হিসাব-নিকাশ করা হতো, তার প্রায় অর্ধেক কাজই করত ক্যালকুলেটর। আর আধুনিক কম্পিউটার আসার পর থেকে সেটা নেমে ০.০৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য তোমরা তো আর ক্লাসরুমে শুধু যোগ-বিয়োগ করতে কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে না। তাই এখনো টিকে আছে ক্যালকুলেটর।

সাধারণ হোক আর সায়েন্টিফিক, ক্যালকুলেটরেরও আছে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম। সরাসরি মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তৈরি ওটা। এগুলোর নাম ডিসি ও হক। ডিসি মানে ডেস্ক ক্যালকুলেটর আর হক হলো হাই অর্ডার ক্যালকুলেটর। 

 

মন্তব্য