kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

গৃহবন্দি শিশুর দৈনিক রুটিন

করোনায় গৃহবন্দি শিশু সারা দিন কী করবে তার একটা রুটিন করে দিন। কয়েকজন মা-বাবার সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন নাবীল আল জাহান

৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গৃহবন্দি শিশুর দৈনিক রুটিন

করোনার কারণে আগেই ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল ছুটির ঘোষণা এসেছিল। এবার সেটা বাড়ানো হয়েছে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। এটা অবশ্য সাধারণ ছুটি নয়। শিশুদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত। তাই সারা দিন ওদের থাকতে হচ্ছে বাড়ির চার দেয়ালের মধ্যে। দিনের পর দিন এভাবে বাড়িতে থাকতে বড়দেরই হাঁপ ধরে যায়। ছোটদের জন্য তো এটা অসম্ভব।

কিন্তু কভিড-১৯ থেকে বাঁচতে এর বিকল্প নেই। কাজেই এমন ব্যবস্থা করতে হবে যেন আপনার শিশু সারা দিন বাসায় থেকেও একঘেয়েমিতে না ভোগে। বাইরে যাওয়ার জন্য ছটফট না করে। সে জন্য বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন প্রতিদিনের রুটিন করে দেওয়ার জন্য। তাকে এমনভাবে কাজের মধ্যে রাখতে হবে যেন এর বাইরে কিছু করার কথা ভাবতেই না পারে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে রুটিনটা যেন তার পছন্দ হয়। এর আরো একটা সুবিধা আছে। এতে পড়াশোনাটাও চালিয়ে নেওয়া যাবে।

বিশেষ করে প্রি-স্কুল ও প্রাথমিকের শিশুদের জন্য রুটিন বানানো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা অনুধাবনের জন্য তারা নিতান্তই ছোট। বয়সের কারণে তাদের মধ্যে দুরন্তপনাও থাকে বেশি। ফলে তাদের ঘরে বন্দি করে রাখাটাও অপেক্ষাকৃত কঠিন। আমাদের তারকা মা-বাবারাও এখন ঘরে। তাদের সন্তানদের সঙ্গে তাদের সময় কাটছে কী করে। নৃত্যশিল্পী ওয়ার্দা রিহাবের ছেলে অরণ্য এখনো স্কুলে যায় না। ওদিকে অভিনয়শিল্পী রুনা খান ও চঞ্চল চৌধুরীর ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়। তাঁরা দিয়েছেন এই সময়ে তাদের সমআনদের দিনলিপি। সেগুলো অনুসরণ করতে পারেন আপনার শিশুর জন্য কিংবা এগুলোর মতো করে বানিয়ে নিতে পারেন নিজের সন্তানের জন্য বিশেষ রুটিন।

মন্তব্য