kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

রূপচর্চা

ছেলেদের চুলে রং

স্টাইলে পরিবর্তন আনতে তরুণদের অনেকেই চুলে রং করাচ্ছে। চুলে রং করার আগে-পরের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানালেন শোভন মেকওভার স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ শোভন সাহা। লিখেছেন আতিফ আতাউর

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছেলেদের

চুলে রং

চুলে রং করার আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে আগে থেকে জেনে রাখা ভালো। জন্মগতভাবে কারো চুল কালো, কারো সোনালি, কারো বা বাদামি রঙের হয়ে থাকে। কেউ পুরো মাথার চুল রং করে বদলে ফেলেন। কারো পছন্দ সামনের কিছু অংশে রং করে লুকে ভিন্নতা আনা। চুলের রং বদলের জন্য সাধারণত ১০টি প্রধান রং ব্যবহার করা হয় বাংলাদেশে। এর মধ্যেও আবার আছে অনেক ভাগ। যেমন ন্যাচারাল ব্ল্যাক, জেট ব্ল্যাক, ব্রাউন, ডার্ক ব্রাউন, রেডিশ ব্রাউন, গ্রে, বার্গেন্ডি, লাইট হানি ব্রাউন, মিডিয়াম অ্যাশ ব্রাউন, মিডিয়াম গোল্ডেন ব্রাউন, ডার্ক অবার্ন, চেস্টনাটের মতো বিভিন্ন রং পাওয়া যায় বাজারে। এসব থেকে বেছে নিতে হবে পছন্দের রং। তবে তরুণদের চুলের রঙে বেশি এগিয়ে আছে ব্ল্যাক, ব্রাউন, গোল্ডেন আর অব্রান। চুল রঙিন করার জন্য সালফারবিহীন রং ব্যবহার করা উচিত। না হলে চুলের ক্ষতি হতে পারে। প্রথমেই চুলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন। রুক্ষ ও ভঙ্গুর হলে চুল রং করানোর উপযুক্ত নয়। রুক্ষ চুলে রং ভালোভাবে ফুটে ওঠে না। এ জন্য আগে চুলের হেয়ার ট্রিটমেন্ট করা প্রয়োজন। চুলে রং করার আগে এক মাস চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য একজন বিশেষজ্ঞের দেওয়া হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। চুলের স্বাস্থ্য ফিরে এলে তারপর রং করে নিন। চুল রঙিন করার আগে উপযুক্ত রং বাছাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার চোখের ভ্রুর দিকে নজর দিন। চোখের ভ্রুর যে রং, সেটা বেছে নিন। এটা সাধারণত ভালো মানায়।

চুল যদি সারা জীবনের জন্য কালার করতে চান, তাহলে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কিছু হেয়ার কালার আছে, যা স্থায়ী। এগুলো একবার করালে চুল আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা কঠিন। স্থায়ী রং করালে একসময় তা ফিকে হয়ে এলেও একেবারে শেষ হয়ে যায় না। কিছু রং অস্থায়ী। এটা ব্যবহারে ধীরে ধীরে মেয়াদ শেষে চুল আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

চুলের ওপরের ভাগের সামান্য কিছু অংশ অনেকেই লাল বা ব্লন্ড, অর্থাত্ ‘হাইলাইট’ করেন। হাইলাইট করার পর যদি মনে হয়, রং একটু বেশি হয়েছে, তবে খুশকি দূর করার শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে অতিরিক্ত রং ভাবটা কমে যাবে।

চুলে রং দেওয়ার দু-এক দিন আগে চুলে শ্যাম্পু না করাই ভালো। এতে মাথার ত্বক এসিড সুরক্ষায় সাহায্য করে এবং চুল ভালোভাবে রংকে গ্রহণ করে। রং লাগানোর পর মাথার ত্বকের জন্য উপযুক্ত একটি হেয়ার প্যাক বেছে নিন। এটা ব্যবহারে চুল শুষ্ক ও রুক্ষ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এ সময় শ্যাম্পু ব্যবহারেও সচেতন হতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি কোনো শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করা। এতে কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু কিংবা কন্ডিশনার থেকে চুলের ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকবে না।

 

মন্তব্য