kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

সপ্তম শ্রেণি : আনন্দপাঠ

তোতাকাহিনী

সপ্তম শ্রেণির আনন্দপাঠ বইয়ের প্রথম গল্প তোতাকাহিনী গল্পটি লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তোতাকাহিনী

তোতাকাহিনী শিক্ষণীয় একটি গল্প। এ গল্পে একটি পাখিকে শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাখিকে কি আসলেই শিক্ষা দেওয়া যায়? বড়জোর পোষ মানানো যায়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ গল্পে সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন।

গল্প সংক্ষেপ

রাজার একটা পাখি ছিল। পাখিটি গান গাইত। কিন্তু শাস্ত্র পড়ত না। উড়ত, লাফালাফি করত। কিন্তু কোনো কায়দা-কানুন জানত না। এসব কারণে রাজা মন্ত্রীকে আদেশ দিলেন যেন পাখিটাকে শিক্ষা দেওয়া হয়। রাজার ভাগিনারা পেল পাখিটাকে শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব। রাজপণ্ডিতরা বিচার করলেন পাখিটির অবিদ্যার কারণ তার যে সামান্য খড়কুটোর বাসা সেখানে বিদ্যা বেশি ধরে না।

বিচার-বিবেচনা করে বাসা বানানো হলো। স্যাকরা থলি বোঝাই বকশিশ পেল সোনার খাঁচা বানাতে। বিদ্যা শেখাতে লিপিকরকে তলব করা হলো। লিপিকর পুঁথি লিখে দিলেন, পারিতোষিক নিয়ে চলে গেলেন।

পাখিটাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য দিনের পর দিন চলছিল নানান আয়োজন। ওদিকে পাখিটা প্রায় আধমরা।

অবশেষে একদিন রাজার ভুল ভাঙে। রাজা পাখিটাকে দেখার ইচ্ছে পোষণ করলে তত দিনে পাখিটা মারা যায়। আর রাজার ভাগিনারা বলে—‘পাখিটার পুরো শিক্ষা হইয়াছে।’

 

উপলব্ধির বিষয়

পাখি মুক্ত আকাশে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। সোনার খাঁচায় নয়।

পাখিকে পোষ মানানো যায়। পুঁথিগত বিদ্যা শেখানো যায় না।

কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার পর নজরদারি করাও জরুরি।

বিবেককে সঠিক সময়ে জাগিয়ে তোলা উচিত।

 

প্রশ্নোত্তর

মকবুল সাহেবের বাড়িতে একটি মোরগ ছিল। সময়-অসময় ডাকত—কোক্কুরুৎ কোক্কুরুৎ। মকবুল সাহেব ভীষণ বিরক্ত ছিলেন। একদিন গৃহকর্মী পিন্টুকে ডেকে বললেন মোরগটাকে এমন শিক্ষা দিবি, যাতে আর এমন করে না ডাকে।

ক। তোতাকাহিনী গল্পটির লেখক কে?

খ। সংসারে অন্য অভাব আছে, কেবল নিন্দুক আছে যথেষ্ট; এ কথা দ্বারা লেখক কী বুঝিয়েছেন?

গ। উদ্দীপকের মকবুল সাহেবের সঙ্গে তোতাকাহিনী গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখা করো।

ঘ। তোতাকাহিনী গল্প এবং উদ্দীপকটির তুলনামূলক আলোচনা করো।

 

            গ্রন্থনা : জেলী আক্তার

মন্তব্য