• ই-পেপার

আজ ৫টা পর্যন্ত সময় পাচ্ছেন মুরসি

প্রথম সুপারসনিক পরীক্ষায় সফল নাসার এক্স-৫৯

অনলাইন ডেস্ক
প্রথম সুপারসনিক পরীক্ষায় সফল নাসার এক্স-৫৯
ছবি: নাসা

নাসার পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ এক্স-৫৯ প্রথমবারের মতো শব্দের গতির চেয়ে বেশি গতিতে উড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে বিমানটি সফলভাবে সুপারসনিক বা শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে পৌঁছায়। নাসা বলছে, উড্ডয়নের পুরো সময়জুড়েই উড়োজাহাজটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করেছে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ছিল ৮১ মিনিটের। উড্ডয়নের একপর্যায়ে এক্স-৫৯ ম্যাক ১ দশমিক ১ গতিতে পৌঁছে। অর্থাৎ বিমানটি ঘণ্টায় প্রায় ৭১৩ মাইল বেগে উড়ছিল। সে সময় এর উচ্চতা ছিল ৪৩ হাজার ৪০০ ফুট।

সাধারণত শব্দের গতির চেয়ে বেশি গতিতে উড়লে বিমান থেকে প্রচণ্ড শব্দ বা ‘সনিক বুম’ সৃষ্টি হয়। কিন্তু এক্স-৫৯ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি অতিদ্রুত গতিতে উড়লেও বড় বিস্ফোরণের মতো শব্দ না করে তুলনামূলকভাবে অনেক কম শব্দ তৈরি করে। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক বিমান চলাচলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরীক্ষার সময় বিমানটি পরিচালনা করেন নাসার পরীক্ষামূলক পাইলট জিম ক্লু লেস। তিনি বলেন, শব্দের গতির চেয়ে বেশি গতিতে উড়লেও তিনি শারীরিকভাবে কোনো বিশেষ পরিবর্তন অনুভব করেননি।

লেস বলেন, ককপিটের যন্ত্রপাতি দেখেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত উড়ছেন। তবে তিনি আলাদাভাবে কিছুই অনুভব করেননি। 

তিনি আরো বলেন, উড্ডয়নের পুরো প্রক্রিয়া খুবই মসৃণ ছিল। ফলে সহজেই ম্যাক ১ দশমিক ১ গতিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

এই পরীক্ষার সময় নাসার একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান এক্স-৫৯–এর কাছাকাছি অবস্থান করে উড্ডয়ন পর্যবেক্ষণ করে। তবে এফ-১৫–এর শক্তিশালী ইঞ্জিনের শব্দের কারণে এক্স-৫৯ কোনো শব্দ তৈরি করে থাকলেও সেটি আলাদাভাবে শোনা সম্ভব হয়নি।

নাসা জানিয়েছে, পরীক্ষার পরবর্তী ধাপে এক্স-৫৯ ঠিক কতটা শব্দ তৈরি করে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা চালানো হবে। গবেষকরা বিশেষভাবে দেখতে চান, বিমানটি প্রচলিত সুপারসনিক বিমানের তুলনায় কতটা কম শব্দ সৃষ্টি করতে পারে।

শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত উড্ডয়ন পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক সূচনা হওয়ার পর এখন এক্স-৫৯–এর সামনে রয়েছে আরও বড় একটি ধাপ। সেটি হলো প্রথম ‘মিশন কন্ডিশনস’ উড্ডয়ন।

এই পরীক্ষায় বিমানটি ভবিষ্যতের নির্ধারিত গতি ও উচ্চতায় উড়বে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক্স-৫৯ তখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে উড্ডয়ন করবে। মাটিতে থাকা মানুষের কাছ থেকে বিমানটির শব্দ কতটা শোনা যায় এবং তা কতটা বিরক্তিকর মনে হয়, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

এই পরীক্ষার সময় বিমানটির গতি হবে ম্যাক ১ দশমিক ৪, যা ঘণ্টায় প্রায় ৯২৫ মাইল। একই সঙ্গে এটি ৫৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়বে।

পাইলট জিম লেস বলেন, বিমানটি আরো বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম। সেই পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন তারা।'

এক্স-৫৯ হলো নাসার 'কুয়েস্ট' মিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই মিশনের লক্ষ্য হলো কম শব্দ সৃষ্টি করে অতিদ্রুত উড্ডয়ন সম্ভব কি না, তা প্রমাণ করা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্থলভাগের ওপর দিয়ে বাণিজ্যিক সুপারসনিক বিমান চলাচলের সুযোগ তৈরি করাও এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।

সাম্প্রতিক এই উড্ডয়ন আরেকটি কারণে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ প্রথমবারের মতো নাসার ফ্লাইট ট্র্যাকারেও এক্স-৫৯–এর উড্ডয়ন সরাসরি দেখা গেছে। ফলে গবেষক ও বিমানপ্রযুক্তি–সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পেয়েছেন।
 

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার ঘোষণা চীন ও উত্তর কোরিয়ার

অনলাইন ডেস্ক
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার ঘোষণা চীন ও উত্তর কোরিয়ার
ছবি : রয়টার্স

উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। দীর্ঘ সাত বছর পর চীনের কোনো প্রেসিডেন্টের উত্তর কোরিয়া সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ।

সম্মেলনে দুই নেতাই কৌশলগত যোগাযোগ বজায় রাখতে আগামীতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সফর বিনিময়ের ওপর জোর দিয়েছেন। এ ছাড়া কিম জং উন চীনের ‘এক চীন এক নীতি’র প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সফরটি নিয়ে দুই দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রচারণায় কিছুটা ভিন্ন সুর লক্ষ্য করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। চীনের সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া’ যেখানে বাণিজ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের মতো বাস্তবমুখী ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবগুলোর ওপর জোর দিয়েছে, সেখানে উত্তর কোরিয়ার ‘কেসিএনএ’ এই সম্মেলনকে দুইটি সমকক্ষ দেশের চুক্তি হিসেবে বড় করে দেখিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া নিজেকে চীনের ওপর নির্ভরশীল বা সুবিধাভোগী রাষ্ট্র হিসেবে না দেখিয়ে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেইজিংয়ের সমান মর্যাদার এক শক্তিশালী বন্ধু হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। এ কারণে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং তাইওয়ান ইস্যুর মতো বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে এই শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি কিংবা আমেরিকার সাথে সম্পর্ক নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

প্রতিবেশী এই দুই দেশের মৈত্রী চুক্তির ৬৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শি জিনপিং বলেন, চীন ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক এখন একটি নতুন ঐতিহাসিক সূচনা বিন্দুতে দাঁড়িয়েছে। বেইজিং কখনোই উত্তর কোরিয়ার সাথে অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাবে না বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন। সফর চলাকালীন শি জিনপিং ও চীনের ফার্স্ট লেডি পেং লিয়ুয়ানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কিম জং উন ও তার স্ত্রী রি সোল জু। তারা দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবী গানের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান একসঙ্গে উপভোগ করেন। এ ছাড়া কিম জং উন চীনা প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি নৈশভোজেরও আয়োজন করেন।

আমেরিকার সাবেক কূটনীতিকদের একাংশের ধারণা, উত্তর কোরিয়া চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের মডেল অনুসরণ না করায় বেইজিংয়ের কিছুটা অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ থাকতে পারে। তবে চীন এখনো উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিংয়ের এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন ঘটানো।

সূত্র : রয়টার্স

রাশিয়ার চাপ সত্ত্বেও আর্মেনিয়ার নির্বাচনে পশ্চিমাপন্থীদের জয়

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার চাপ সত্ত্বেও আর্মেনিয়ার নির্বাচনে পশ্চিমাপন্থীদের জয়

রাশিয়ার ক্রমাগত চাপের মধ্যে আর্মেনিয়ার জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের নেতৃত্বাধীন মধ্যপন্থী ‘সিভিল কনট্র্যাক্ট পার্টি’ ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিজয় অর্জন করেছে।

নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্ট্রং আর্মেনিয়া অ্যালায়েন্স পেয়েছে ২৩ দশমিক ২ শতাংশ ভোট এবং আর্মেনিয়া অ্যালায়েন্স পেয়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট। এই নির্বাচনের আগে রুশ সরকার আর্মেনিয়ার উপর চাপ ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। জয়ের পর এই রায়কে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের এক ঐতিহাসিক ম্যান্ডেটকে ইউরোপীয় নেতারা সাধুবাদ জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন দেশটির ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

আরো পড়ুন

ট্রাম্পের আহ্বানে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, লেবানন ইস্যুতে সতর্কতা

ট্রাম্পের আহ্বানে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, লেবানন ইস্যুতে সতর্কতা

 

২০২৩ সালে আজারবাইজানের কাছে নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক পরাজয়ের পর এটি ছিল আর্মেনিয়ার প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ফলে নির্বাচনটিকে পাশিনিয়ানের পশ্চিমমুখী কূটনৈতিক নীতির ওপর জনসমর্থনের পরীক্ষা হিসেবেও দেখা হচ্ছিল।

২০১৮ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা পাশিনিয়ান সোমবার বিজয়ের ঘোষণা দিয়ে বলেন, আর্মেনিয়ার জনগণ শান্তি, আঞ্চলিক সমৃদ্ধি এবং সহযোগিতার পক্ষে ভোট দিয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ পাশিনিয়ানকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক আরো জোরদার হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে।

আরো পড়ুন

ইতালি যাচ্ছেন ‘বাজপাখি’ মার্টিনেজ?

ইতালি যাচ্ছেন ‘বাজপাখি’ মার্টিনেজ?

 

অন্যদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর ওপর ‘অভূতপূর্ব চাপ’ প্রয়োগ করা হয়েছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন আর্মেনীয় সমাজের গভীর রাজনৈতিক বিভাজনও প্রকাশ করেছে। যদিও ২০২১ সালে পাশিনিয়ানের জনপ্রিয়তা ছিল প্রায় ৫৪ শতাংশ, সাম্প্রতিক জরিপে তা ৩০ শতাংশে নেমে আসে। তবুও তার দল নির্বাচনে সবচেয়ে বড় জয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

মোট ১৯টি রাজনৈতিক দল ও জোট নির্বাচনে অংশ নিলেও অল্প কয়েকটি দলই জাতীয় পরিষদে আসন পাওয়ার মতো ভোট অর্জন করেছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫৯ শতাংশ।

চতুর্থ স্থানে থাকা প্রোসপারাস আর্মেনিয়া পার্টিসহ দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রধান দুই জোটকে রাশিয়াপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আরো পড়ুন

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে খুন হন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে খুন হন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল

 

নির্বাচনের পর পাশিনিয়ান বলেন, আমরা পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করার নীতি অব্যাহত রাখব। তবে একই সঙ্গে ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সদস্যপদও বজায় থাকবে।

সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আর্মেনিয়াকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রশ্নে দ্রুত গণভোট আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছিলেন, পশ্চিমা ঘনিষ্ঠতা বাড়ালে আর্মেনিয়া রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া অর্থনৈতিক সুবিধাগুলো হারাতে পারে।

বর্তমানে রাশিয়া আর্মেনিয়াকে প্রতি হাজার ঘনমিটার গ্যাস ১৭৭.৫০ ডলারে সরবরাহ করে, যেখানে ইউরোপীয় বাজারে একই পরিমাণ গ্যাসের দাম ৬০০ ডলারেরও বেশি।

নির্বাচনের আগে মস্কো আর্মেনিয়া থেকে ফুল, খনিজ পানি, ব্র্যান্ডি, তাজা ফল ও সবজি আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যা রাজনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

কন্যাসন্তান : আল্লাহর রহমত, ঘরের বরকত ও জান্নাত লাভের মাধ্যম

কন্যাসন্তান : আল্লাহর রহমত, ঘরের বরকত ও জান্নাত লাভের মাধ্যম

 

পাশিনিয়ান সরকার এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু করতে একটি আইন পাস করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রতিবেশী আজারবাইজানের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনও পেয়েছেন।

তবে নাগোর্নো-কারাবাখ ইস্যু এখনও আর্মেনিয়ার রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়। ২০২৩ সালে আজারবাইজান অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর প্রায় এক লাখ জাতিগত আর্মেনীয় এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। সমালোচকদের অভিযোগ, শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে পাশিনিয়ান অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন।

রাজধানী ইয়েরেভানের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পাশিনিয়ানকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের বাস্তব সম্ভাবনা ও নাগোর্নো-কারাবাখ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে সব মিলিয়ে নির্বাচনের ফলাফল আর্মেনিয়ার পশ্চিমমুখী কূটনৈতিক অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র : বিবিসি

ট্রাম্পের আহ্বানে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, লেবানন ইস্যুতে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের আহ্বানে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, লেবানন ইস্যুতে সতর্কতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সাময়িকভাবে একে অপরের ওপর সামরিক হামলা স্থগিত করেছে ইরান ও ইসরায়েল। তবে লেবাননের ওপর নতুন করে কোনো হামলা চালানো হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে উভয়পক্ষ।

ইরানের সামরিক বাহিনীর যৌথ কমান্ড জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পাল্টাপাল্টি ঘটনার পর তারা আপাতত আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রথম সরাসরি সামরিক সংঘাত।

আরো পড়ুন
কন্যাসন্তান : আল্লাহর রহমত, ঘরের বরকত ও জান্নাত লাভের মাধ্যম

কন্যাসন্তান : আল্লাহর রহমত, ঘরের বরকত ও জান্নাত লাভের মাধ্যম

 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গুলি ছোড়া বন্ধ করুন’ এবং চলমান উত্তেজনা যেন কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ব্যাহত না করে সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

পরে ট্রাম্প জানান, একটি নতুন যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে কাজ চলছে এবং সমঝোতার সম্ভাবনা খুব কাছাকাছি বলে তিনি মনে করেন।

আরো পড়ুন
ইতালি যাচ্ছেন ‘বাজপাখি’ মার্টিনেজ?

ইতালি যাচ্ছেন ‘বাজপাখি’ মার্টিনেজ?

 

এর আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইসরায়েল পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালায়। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। যদিও ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তবুও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে লেবাননকে ঘিরে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব‍্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে যারা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব‍্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে যারা

 

তবে সবশেষ পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষের হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নতুন যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা অঞ্চলটিতে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

সূত্র : গালফ নিউজ

আজ ৫টা পর্যন্ত সময় পাচ্ছেন মুরসি | কালের কণ্ঠ