ঢাকা, সোমবার, ১ আগষ্ট ২০১১, ১৭ শ্রাবণ ১৪১৮, ২৯ শাবান ১৪৩২
¦
বগুড়ায় যাত্রানুষ্ঠানে বোমা হামলাড. গালিবসহ তিন আসামি খালাস বগুড়া অফিস
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার লক্ষ্মীকোলায় যাত্রানুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় আহলে হাদিস আন্দোলন বাংলাদেশের একাংশের আমির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদুল্লাহ আল গালিবসহ তিন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। খালাসের আদেশের পর ড. গালিব রাষ্ট্র বা সরকার বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় যেসব আসামি বছরের পর বছর হাজতবাস করছেন, তাঁদের সত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
খালাসের আদেশপ্রাপ্ত অপর দুইজন হলেন_বগুড়ার গাবতলী উপজেলার চকসদু গ্রামের মৃত দেরাজ সরকার ওরফে বুদার ছেলে জয়নাল সরকার (৪৮) ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেটি পাড়ার মৃত আজিজ উল্লাহর ছেলে শফিক উল্লাহ (২৯)। তাঁদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা বিচারাধীন থাকায় তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক কাজী শাহিনা নিগার গতকাল রবিবার তাঁদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেন। এ মামলার অপর আসামি নিষিদ্ধঘোষিত ইসলামী জঙ্গি সংগঠন জামা'আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আমির শায়খ আবদুর রহমান মামলা চলাকালীন সময়ে অপর একটি মামলায় ফাঁসিতে মৃত্যু কার্যকর হওয়ায় তাঁকে আগেই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৪ জানুয়ারি শাজাহানপুর উপজেলার লক্ষ্মীকোলা গ্রামে ঘোড়দৌড়ের মেলার আয়োজন করা হয়। মেলা শেষে ওই রাতে লক্ষ্মীকোলা শাহ রওশন আলীর মাজারসংলগ্ন মাঠে এলাকাবাসী যাত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করেন। রাত দেড়টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পর পর দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে শফিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন। হতাহতের এ ঘটনায় নিহত শফিকুলের বাবা হবিবর রহমান মণ্ডল বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি নথিভুক্ত করে শাজাহানপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুল হক তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ মে আদালতে বিস্ফোরকদ্রব্য আইন ও হত্যার ঘটনায় পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে গতকাল বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হয়।
খালাসের আদেশের পর আদালত থেকে বেরিয়ে এসে ড. গালিব কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সরকারের পক্ষ থেকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে দেশের হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে হাজতে আটক করে রেখেছে। এভাবে বিনা অপরাধে এবং বিচার নিষ্পত্তির আশায় বছরের পর বছর মানুষকে আটক রাখা হলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না। বিনা বিচারে এভাবে হাজতবাস বন্ধ করা দরকার। শুধুমাত্র রাজনীতিকরা বক্তব্য দিয়ে মাঠ গরম করবেন, আর নিরীহ মানুষ সাজা খাটবেন, তা চলতে পারে না। এসব নিরীহ মানুষের মুক্ত করতে সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে।'
খবর -এর আরো সংবাদ
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬৪৩৯৯৭
পুরোনো সংখ্যা
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
free counters
Latest News Portal Food Recipe in Bangladesh jobs in Bangladesh