kalerkantho


গেইম

বিপন্ন মানুষের ত্রাণকর্তা

সামীউর রহমান   

৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বিপন্ন মানুষের ত্রাণকর্তা

যন্ত্র সভ্যতার বিষবাষ্পে আবাসস্থল হারিয়ে আর দূষণ ও নির্বিচার হত্যার ফলে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে কত প্রাণ। এমন যদি হয়, মানুষের চেয়ে শক্তিশালী কোনো প্রাণীর এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণের ফলে বিপন্ন হয়ে পড়ে মানুষই!

এমন গল্পই বলবে এক্সটিংশন। গেইমটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে ৩১ মার্চ।

গত বছর ইলেকট্রনিক এন্টারটেইনমেন্ট এক্সপোতে প্রথম প্রদর্শিত হয় এক্সটিংশন গেইমের ট্রেলার। প্লে স্টেশনের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলেই এই ট্রেলার দেখা হয় প্রায় দুই লাখ বার! প্রায় ৬ মিনিটের এই গেইম প্লে ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ের ধারে মধ্যযুগের ইউরোপের এক প্রথাগত শহর। সেখানে আচমকাই শুরু হয় এক বিশালদেহী দানবের উত্পাত। সবুজ রঙের বর্ম পরে এসব রাক্ষস। গেইমে এদের নাম—অর্গস। অর্গসদের বিরুদ্ধেই আভিলের ভূমিকায় লড়তে হবে গেইমারকে।

আভিল হচ্ছে এই দানবদের বিপক্ষে লড়াইয়ে পৃথিবীর শেষ রক্ষকদের একজন। তলোয়ারের পাশাপাশি তার বেশ কিছু গুণও আছে। আভিল দেয়াল বেয়ে প্রিন্স অব পার্সিয়ার প্রিন্সের মতো দৌড়ে উঠে যেতে পারে। লাফ দিয়ে উঠতে পারে অনেকটা উঁচুতে। একেবারে স্পাইডারম্যান না হলেও হাতের দড়িটা ছুড়ে ছুড়ে পাক খেয়ে অনেকটাই দূরত্বও অতিক্রম করতে পারে। যেন প্রিন্স অব পার্সিয়ার হাতে উঠেছে ইন্ডিয়ানা জোনসের চাবুক, আর চলাফেরায় সনিক দ্য হেজহগের ধাচ! গেইমটির নির্মাতা আয়রন গ্যালাক্সি স্টুডিওর কাছ থেকে অতীতে পাওয়া গেছে বর্ডারল্যান্ডস, মার্ভেল ভার্সাস ক্যাপকম অরিজিনসের মতো বেশ কিছু গেইম।

একটু রূপকথার গল্পের মতো আদল রাখতেই বোধ হয় অত্যাধুনিক মোশন ক্যাপচারের মতো প্রযুক্তি এড়িয়ে গেছে ডেভেলপাররা। অনেকটা হ্যান্ডওয়াশের বিজ্ঞাপনে জীবাণুদের যেমন দৈত্য হিসেবে দেখানো হয়, ঠিক সে রকম চেহারার কিছু ছোটখাটো দৈত্য বধের পর শ দেড়েক ফুট উঁচু বিশাল এক দানবের আগমন। তাকে হারাতে অবশ্য বেশ কিছু কৌশলই নিতে হয় আভিলকে।

প্রথমে আঘাত করতে হবে পায়ে, এরপর হাতে। তারপর পেছন দিয়ে শরীর বেয়ে উঠে তলোয়ারের আঘাতে মুণ্ডুচ্ছেদ! অন্য অনেক দৈত্যকে অবশ্য এত সহজে মেরে ফেলা যায় না। তারা বর্ম পরে, হাতে মোটা গাছের গুঁড়ির মুগুর নিয়ে আসে। তবে সেটা অবশ্য গেইমারকেই খুঁজে বের করতে হবে।

উইন্ডোজ পিসি ছাড়াও গেইমটি খেলা যাবে এক্সবক্স ওয়ান ও প্লে স্টেশন ফোরে।

স্কিল বেইজড কমব্যাট, দুর্দান্ত স্টোরি লাইন, প্রচুর সাইড মিশন আর অনবদ্য সব লড়াই নিয়ে তৈরি ‘এক্সটিংশন’ খেলতে হলে পিসিতে থাকতে হবে—

ইন্টেল কোরআই ফাইভ ৭৬০ ২.৮ গিগাহার্জ প্রসেসর

এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৬৬০ (২ গিগা ভির‌্যাম) বা সমমানের ভিডিও কার্ড।

৮ গিগাবাইট র‌্যাম

উইন্ডোজ ৭/১০ (৬৪ বিট)

৩ গিগাবাইট খালি জায়গা

 

বয়স

১৮


মন্তব্য