kalerkantho


উদ্বোধন হলেও চলে না বাংলা ওসিআর!

আল-আমীন   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বাংলা ভাষার অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন বা ওসিআর তৈরির অন্যতম উদ্যোগটি ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ)। ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির এই ওসিআর প্রকল্প জিতে নেয় সরকারের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের (এটুআই) সার্ভিস ইনোভেশন পুরস্কার।

অনুদান পায় ২৩ লাখ টাকা।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল—‘অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন’ বা ‘ওসিআর’ সফটওয়্যার দিয়ে হাতে লেখা, টাইপ করা ও ছাপার হরফের লেখাকে যন্ত্রে পাঠযোগ্য লেখায় রূপান্তর করা। এতে ছবির অক্ষরকে স্ক্যান করে অথবা ছবি তুলে টেক্সট ফাইলে পরিবর্তন করা যাবে। ফলে বাংলা ভাষার নতুন, পুরনো সব প্রকাশনা সহজেই স্থায়ী সংরক্ষণ করা যাবে। তৈরি হবে ডিজিটাল নথি।

সরকারের অনুদান পাওয়ার পর মাত্র আট মাসে ‘ওসিআর’ দৃশ্যমান অবস্থায় নিয়ে আসেন উদ্যোক্তারা। কিন্তু নির্ভুলভাবে রূপান্তরের বাইরে থেকে যায় মূল টেক্সটের ২০ শতাংশের মতো। দেখা দেয় বিভিন্ন ফন্ট সাপোর্টসংক্রান্ত সমস্যা। এ অবস্থায়ই ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

বলা হয়, ওসিআরটি যে কেউ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে।

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তৈরি ওসিআরটি আজও উন্মুক্ত হয়নি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য। সরকারি কোনো কাজেও ব্যবহার করা যায়নি।

এ প্রকল্পের প্রধান ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. হাসান সারোয়ার। তিনি জানান, ‘এটি এখনো ফিনিশড নয়। তাই কোথাও ব্যবহারও হচ্ছে না। তবে সমস্যাগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন ব্যবহার উপযোগী করতে আরো কাজ করা প্রয়োজন, ফান্ডও দরকার। ’

ড. সারোয়ার বলেন, বাংলায় নয়েজ দূর করতে তিন বছর ধরে কাজ করছি।

কিন্তু বাংলা ফন্টের ক্ষেত্রে এটি আসলেই কঠিন। তবে ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে এর বিকল্প সমাধানও ভেবেছি। প্রকল্প থামিয়ে দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ পেলে এখন এটি শতভাগ ঠিক করা সম্ভব।


মন্তব্য