kalerkantho


গেইম

ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট

টেকবিশ্ব ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট

শার্লক হোমসকে চলচ্চিত্র, টিভির পাশাপাশি ভিডিও গেইমেও দেখা গেছে। প্রায় প্রতিটি মাধ্যমেই দারুণ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে হোমস-ওয়াটসন জুটি। তবে শার্লক হোমস নিয়ে ভিডিও গেইম থাকলেও কোনো ধারাবাহিক গেইম ছিল না। সেই অভাববোধ থেকেই গেইমটির ধারাবাহিক শুরু করল ফ্রগওয়্যার। এবারের পর্বটির নাম রাখা হয়েছে ‘শার্লক হোমস : ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট’। এতে ‘আনরিয়েল ইঞ্জিন ৩’ নামের গেইমিং ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে।

গেইমটিতে আর্থার কোনান ডয়েলের লেখা রোমাঞ্চকর ছয়টা কেস রয়েছে। একেকটি একেক রকম। গল্পগুলোর সময়কাল ১৮৯৪-৯৫ সাল। স্থান লন্ডন শহর।   

প্রথম বড় পরিবর্তন ধরা পড়বে গেইমটির ভিউ অ্যাঙ্গেলে।

প্রথমবারের মতো শার্লক হোমসকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ‘ফার্স্ট পার্সন’ ও ‘থার্ড পার্সন’—এই দুই অ্যাঙ্গেল থেকে। ২২১বি বেকার স্ট্রিটের রাস্তা এবার আরো বিস্তারিত, আরো বাস্তবসম্মত বলে মনে হবে। দিনের ঝকঝকে আলো বা রাতের ছায়ার দারুণ গ্রাফিকসগুলো গোয়েন্দা গল্পের আদর্শ পরিবেশকেই ফুটিয়ে তুলবে। এই সিরিজের আগের গেইমগুলোয় দেখা যেত গেইমারদের খুব বেশি কিছু করার ছিল না, যা করার হোমসই করে দিত! এবার আর সেই সুযোগ নেই।

জটিল জটিল সমস্যা ও ধাঁধার সমাধান করতে হলে আপনাকে ভাবতে হবে হোমসের মতো করেই। সিগারেটের পোড়া টুকরা, দেয়ালে গুলির চিহ্ন, ট্রিগারে আঙুলের ছাপ—সব কিছু একসঙ্গে জড়ো করে দুয়ে-দুয়ে চার মেলানোর গুরু দায়িত্বটা এবার গেইমারেরই।

পুরো গেইমটি চিন্তাভাবনা করে, ধৈর্য ধরে সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলতে হবে। আর সিদ্ধান্তগুলো সঠিক হতে হবে, ভুল হলে অপরাধীকে খুঁজে না-ও পাওয়া যেতে পারে। যেমন—শার্টের লাল রক্ত থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে মিলিয়ে দেখতে হবে কোনো অপরাধীর ডিএনএর সঙ্গে মিলে যায় কি না।

সন্দেহভাজনদের পেট থেকে কথা বের করতেও পারদর্শিতা দরকার। উপন্যাসের হোমসের মতো কথার মারপ্যাঁচে এখানে অপরাধীর মুখ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করতে হবে। আর এসব কাজে সঙ্গী ওয়াটসন তো ডান হাত হিসেবে আছেনই!

এককথায় বলতে গেলে একজন প্রকৃত গোয়েন্দার মতোই প্রতিটি বিষয় মাথায় রেখেই গেইমটি খেলতে হবে। যাদের মারমার, কাটকাট অ্যাকশন আর গোলাগুলি বেশি পছন্দ, এই গেইমটি তাদের জন্য নয়। হাতে যথেষ্ট সময় আর ধৈর্য নিয়ে তবেই বসতে হবে কম্পিউটারের সামনে।

 

খেলতে যা লাগবে

প্রসেসর : ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ২.৪ গিগাহার্জ

গ্রাফিকস কার্ড : এনভিডিয়া জিফোর্স ৮৬০০জিটি/এএমডি রেডন এইচডি৩৮৫০

র‌্যাম : ২ গিগাবাইট

হার্ডডিস্ক :  ১৪ গিগাবাইট

 

যাঁরা খেলতে পারবেন

১৮+ বছর


মন্তব্য