kalerkantho

এসইওতে ভালো ফল

টেকবিশ্ব ডেস্ক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



এসইওতে ভালো ফল

ভিজিটর যখন সার্চ করে তখন সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় দেখানো ফলাফলগুলোর মধ্য থেকেই নিজেদের কাজ সেরে নেন প্রায় ৯২ শতাংশ। বাকিদের মধ্যে ৪ শতাংশ দ্বিতীয় পেইজে যান। কাঙ্ক্ষিত তথ্য পেতে অন্যান্য পেইজে যান আরো কমসংখ্যক ভিজিটর। এ জন্য নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর পেতে সার্চের ফলাফলের প্রথমে উঠে আসতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) করতে হয়। কিছু কৌশল অবলম্বন করে এসইওতে ভালো করা যায়।

 

ওয়েবসাইট এনালাইটিকস

ওয়েবসাইটে আসা ভিজিটর সম্পর্কে তথ্য পেতে ওয়েব এনালাইটিকস ব্যবহার করা উচিত। কোথা থেকে আপনার সাইটে ভিজিটর আসে, তারা কোন অংশে বেশি যায়, কোন বিষয়ে তাদের আগ্রহ বেশি, কোন পেইজ বেশি দেখে, কত সময় ধরে দেখে, তারা কোন বয়সের, ভিজিট শেষে তারা কোথায় যাচ্ছে—এসব জানতে ওয়েবসাইট এনালাইটিকসের সুবিধা নেওয়া যাবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সার্চ জায়ান্ট গুগলের বহুমুখী সেবার মধ্যে গুগল এনালাইটিকস অন্যতম, যা বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে।

 

পেইজ স্পিড

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো পেইজ স্পিড। ওয়েবসাইটের কোনো একটি পেইজ কত সময় নিয়ে লোড হচ্ছে—সেটিই হলো পেইজ স্পিড। সার্চে ভালো ফল পেতে একই সাইটের পেইজ স্পিড ভালো থাকা জরুরি।

পেইজ স্পিড নিয়ে জানা যাবে https://moz.com/learn/seo/page-speed-এ।

 

মোবাইল ফোনের উপযোগী সাইট

এখন স্মার্টফোনের যুগ হওয়ায় ফোন থেকেই ওয়েবসাইট সার্চ বেশি হয়ে থাকে। তাই ফোন থেকে ভিজিটরের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই সাইটের মোবাইল সংস্করণ থাকা আবশ্যক।

খেয়াল রাখতে হবে মোবাইল সংস্করণে স্বল্প সময়ে সাইট লোড হলে এবং সুন্দর ও পরিষ্কারভাবে পড়া গেলে তা পাঠকপ্রিয় হবে। সাইট যাতে কদাকার না হয়ে যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

 

ডেটা এনালাইটিকস

ভিজিটর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়াটিই হচ্ছে ডেটা এনলাইটিকস। ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আপনার সাইটের জন্য পাঠকবান্ধব কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবেন।

ভিজিটরের আচরণ অনুযায়ী ওয়েবসাইট সাজাতে এনালাইটিকসের বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। এতে ভিজিটরদের আচরণ বুঝে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিতে পারবেন।

 

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ

কী লিখে ভিজিটর সার্চ করে? কী লিখলে ভিজিটর আপনার সাইট পর্যন্ত পৌঁছে যাবে সেসব কি-ওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করাই হলো কি-ওয়ার্ড রিসার্চ।

গুগল অ্যাডওয়ার্ডের কি-ওয়ার্ড প্ল্যানার আপনার জন্য খুবই কাজে আসবে এ ক্ষেত্রে। এ ছাড়া আরো অসংখ্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার টুল পাবেন, যেগুলো দিয়ে বুঝতে পারবেন ভিজিটররা কী ধরনের তথ্য খোঁজেন। তারপর সেগুলো ফোকাস করে আপনার সাইটের কাজ করতে পারেন।

 

ব্যাক লিংকিং

ব্যাক লিংকিং হচ্ছে অন্য সাইটে আপনার সাইটের লিংক যুক্ত করা। যেকোনো ওয়েব পেইজে ইনকামিং লিংক, ইনবাউন্ড লিংক, ইনলিংক, ইনওয়ার্ড লিংক বলতেই ব্যাক লিংক বোঝায়। হাই পেইজ র্যাংকসম্পন্ন সাইটে আপনার সাইটসম্পর্কিত লিংক যুক্ত থাকলে তা সার্চে আপনার সাইটকে ওপরে আসতে সহযোগিতা করবে।

আপনার ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেইজটিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত করার মাধ্যমেও খুব ভালো ফল পাবেন। বিভিন্ন নতুন জায়গা থেকে আপনার ভিজিটর আসবে। এ জন্য বহুমুখী উৎস থাকলে তা খুবই কাজে দেবে।

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিংকডইনসহ অন্যান্য মাধ্যমেও আপনার সাইট ও এর কনটেন্ট ছড়িয়ে দিন। এগুলোতে পেইজ খুলুন, প্রোফাইল তৈরি করুন, শেয়ার করুন।


মন্তব্য