kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টেক টিপস

ল্যাপটপের চার্জ বাঁচাতে চাইলে

তুসিন আহমেদ   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ল্যাপটপের ব্যাটারি ঠিকমতো ব্যাকআপ না দিলে তো ঝামেলা হওয়ার কথা। ল্যাপটপের চার্জ দ্রুত শেষ হওয়ায় অনেকের কাজ মাঝপথে আটকে যায়।

তবে একটু সচেতন থাকলে এর চার্জ আর হুটহাট শেষ হবে না। বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন জায়গায় ঝামেলায়ও পড়তে হবে না।

এখানে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার চার কৌশল দেওয়া হলো।

 

অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস ল্যাপটপের সঙ্গে যুক্ত না রাখা

ল্যাপটপের সঙ্গে ইউএসবি কেবলে সংযুক্ত ওয়েবক্যাম, পোর্টেবল হার্ডড্রাইভ কিংবা ফোন চার্জ দেওয়ার মতো বাড়তি ডিভাইসের কাজ শেষ হওয়ামাত্র আনপ্লাগ করা উচিত। কেননা এই ডিভাইসগুলো সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ল্যাপটপের অতিরিক্ত চার্জ খরচ করে। এতে অন্য কোনো কাজ না করলেও চার্জ শেষ হয়ে যায়। তাই ল্যাপটপ থেকে অপ্রয়োজনীয় সংযোগগুলো আনপ্লাগ করে রাখলে বাড়তি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে।

 

ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখা

যেকোনো ডিভাইসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চার্জ ব্যয় হয় ডিসপ্লের কারণে। ল্যাপটপও ব্যতিক্রম নয়। তাই ব্যবহারের সময় ল্যাপটপের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা উচিত। তাহলে চার্জের সাশ্রয় হবে।

 

ব্যাটারি সেইভ মুড চালু রাখা

চার্জে যুক্ত না করে ল্যাপটপ ব্যবহার করার সময় ব্যাটারির সেইভ মুড চালু করে নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। উইন্ডোজের টাস্কবারে ব্যাটারির লেভেল দেখার আইকনে ক্লিক করে মুড অপশনটি চালু করা যায়। এতে ব্যাটারি কাস্টমাইজ হয়ে ব্যবহৃত হয়। ফলে ব্যাকআপের সময় বৃদ্ধি পায়।

 

ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখা

যদি ল্যাপটপে ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই সংযোগের প্রয়োজন না হয়, তাহলে এ ফিচারগুলো বন্ধ করে রাখা উচিত। এই ফিচারগুলো অন থাকলে সেগুলো প্রতিনিয়ত নতুন নেটওয়ার্ক সার্চ করতে থাকে, যা ব্যাটারির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখলে চার্জ কিছুটা হলেও সাশ্রয় হবে।


মন্তব্য