kalerkantho


গলার কাঁটার নাম রোহিঙ্গা

মোফাজ্জল করিম

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



গলার কাঁটার নাম রোহিঙ্গা

আনান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের (২৫ আগস্ট ২০১৭) সঙ্গে সঙ্গেই মিয়ানমার বুঝতে পারল রোহিঙ্গাদের আর নাগরিকত্বহীন অধিকারবঞ্চিত মানবেতর প্রাণী হিসেবে দাবিয়ে রাখা যাবে না; বিশ্ব জনমতের কাছে মাথা নোয়ানোর সময় এসে গেছে তাদের। তা হলে কী করতে হবে? তাদের ভাষায় পশুসদৃশ এই মানুষগুলোকে তো আর বাঁচিয়ে রাখা যাবে না।

অতএব শুরু করো ‘এথনিক ক্লিনজিং,’ নৃতাত্ত্বিক বা জাতিগত নিধনযজ্ঞ। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা আর দেরি করল না, ওই রাতেই শুরু করল সেই নরমেধযজ্ঞ। সেই যজ্ঞের শিকার হলো রাখাইন রাজ্যের নারী-পুরুষ, অবোধ শিশু, অক্ষম বৃদ্ধ সবাই। শুধু হত্যা নয়, চলল ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগ-লুণ্ঠন ইত্যাদি সব ধরনের বর্বরোচিত অপরাধ। যারা পারল তারা কোনো মতে জান নিয়ে পালাতে লাগল পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে। পরিস্থিতিটা মুহূর্তেই স্মরণ করিয়ে দেয় একাত্তরে বাংলাদেশে অতর্কিতে পাকিস্তান আর্মির পৈশাচিক আক্রমণের কথা। তখন যেমন আমরা আশ্রয় নিতে ছুটে গিয়েছিলাম প্রতিবেশী ভারতে, এবার মিয়ানমারের এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও তেমনি প্রাণ বাঁচাতে ছুটে এলো প্রতিবেশীর দরজায়। একাত্তরে প্রথম থেকেই আমাদের জন্য ভারতের দ্বার ছিল অবারিত। কিন্তু এবার বাংলাদেশ শুরুতেই দরজা খুলতে চাইল না এই জনস্রোতের জন্য। হয়তো ভাবল, দরজা খুলে না দিলেই এরা ফিরে যাবে, থেমে যাবে এদের উত্খাত প্রক্রিয়াও। এরা শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী সেই চিন্তাও পেয়ে বসল বাংলাদেশকে। কিন্তু তারা ফিরে তো গেলই না, বরং ক্ষণে ক্ষণে তাদের সংখ্যা বাড়তে লাগল হাজারে হাজারে। আর নিজেদের বাসভূমে তাদের ওপর অত্যাচারের স্টিম রোলার চলতে লাগল প্রবল পরাক্রমে। ওই সময় যদি বাংলাদেশ বলপ্রয়োগ করে ফেরাতে চাইত রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের তা হলে পরিস্থিতি যে কী হতো তা ভাবতেও গা শিউরে ওঠে। যা হোক তিন-চার দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নিল সম্পূর্ণ মানবিক কারণে এই নির্যাতিত সহায়-সম্বলহীন মানুষগুলোকে আশ্রয় দেবে। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হলো, যদিও আমাদের কূটনৈতিক তত্পরতা শুরুতে তেমন উল্লেখযোগ্য ছিল না, ছিল যথেষ্ট শ্লথ। অবশ্য  চীন, রাশিয়া ও ভারত ছাড়া বিশ্বের ছোট-বড় প্রায় সব দেশ নিন্দা জানাতে লাগল মিয়ানমারকে।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ৫ দফা শর্তসহ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জোর দাবি জানালেন। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা ছিল, মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ মর্যাদা ও সম্মানসহ দ্রুত ফিরিয়ে নিতে হবে। এই বক্তব্যের বিপরীতে কোনো নেতিবাচক বক্তব্য শোনা যায়নি কোনো মহল থেকে, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) এবং বিলম্বে হলেও ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) বাংলাদেশের সমর্থনে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে। যুক্তরাষ্ট্র এমনকি মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের বিরুদ্ধে অবরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ারও হুমকি দেয়।

এসবের ফলে মিয়ানমারে নির্যাতন-নিপীড়ন থামল না ঠিকই, তবে দেশটি তাদের কূটনৈতিক চালে কিছুটা পরিবর্তন আনল। তারা বিষয়টি বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিল। এ ব্যাপারে আমার ধারণা, তাদের ‘বুদ্ধিদাতা গণেশ’ ছিল তাদের সারা জীবনের সুখ-দুঃখের একমাত্র সঙ্গী, তাদের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় সহযোগী, বড় মুরব্বি, চীন। লক্ষণীয়, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যখন মন্ত্রীপর্যায়ের সফর শুরু হয়েছে তখন এক ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন। এবং গেলেন কোথায়? না, সোজা মিয়ানমারে। নিশ্চয়ই সেখানকার জেনারেল ও তাঁদের নেত্রী অং সান সু চিকে মাশারা দিলেন : ঘাবড়াও মাত। যেভাবে চালাচ্ছ, চালিয়ে যাও। রোহিঙ্গাদের ফেরত আনার জন্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করো। খবরদার, জাতিসংঘ বা অন্য কোনো পক্ষকে শরিক করো না, শরিক করলেই তোমাদের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরো বৃদ্ধি পাবে। তোমরা আলোচনায় বসো, তবে ‘সালিস মানি কিন্তু তালগাছ আমার’ এই নীতিতে অবিচল থেকো।

২.

এরপর সেই বহুল প্রত্যাশিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। এর মাঝখানে আসিয়ান ও অ্যাপেকের মতো দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। কিন্তু এর কোনোটিতেই রোহিঙ্গা ইস্যুটি প্রাধান্য পেল না। একে আর যা-ই হোক বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য বলা যায় না। যা হোক, এই প্রেক্ষাপটেই দুই দেশ মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে বসল আলোচনায়। যে জাতিসংঘ শুরু থেকেই বিষয়টিতে বলা যায় বাংলাদেশের পাশে অবস্থান নিয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির মতো শক্তিশালী দেশ মিয়ানমারের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে উচ্চকণ্ঠ ও রোহিঙ্গাদের দ্রুত স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়ার পক্ষে সোচ্চার, সেখানে কোনো তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে কেন ‘দ্বিপক্ষীয়’ আলোচনায় বসতে আমরা সম্মত হলাম তা বোধগম্য নয়। এতে করে ইস্যুটির বহুমাত্রিকতা হ্রাস পেয়ে এটি একটি সীমান্তসংক্রান্ত বিবাদের (‘বর্ডার ডিসপিউট’) মতো ব্যাপার হয়ে দাঁড়াল। মিয়ানমার যে কৌশলে জাতিসংঘ ও অন্যদের দূরে সরিয়ে রাখছে তা কেন আমরা অনুধাবন করতে পারলাম না? এর ফলে যে বিভ্রান্তিকর বার্তা (‘রং মেসেজ’) চলে গেল সবখানে, তা কি পুরো ইস্যুটাকে অন্তরালে ঠেলে দেবে না? ‘রং মেসেজ’টি কী? সেটা এই যে ‘যাক মিয়ানমার ও বাংলাদেশ তা হলে তাদের মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে ফেলছে, এখন আমরা অপেক্ষা করি ফলাফলের জন্য। আপাতত আমাদের এখন আর কিছু করার নেই। ’ যেখানে সারা বিশ্বের চাপ বাড়ছিল মিয়ানমারের ওপর, তখন হঠাৎ করে একটি তথাকথিত চুক্তি (বলা হয়েছে ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট,’ বাংলা করলে বোধ হয় দাঁড়ায় ব্যবস্থাপনা, যাকে ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশনও বলা যায়। এটা কোনো চুক্তি বা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট’ তো নয়ই, সমঝোতা স্মারক বা ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ও নয়, এটা থেকে যেকোনো পক্ষ যেকোনো সময় সরে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। ) দ্বিতীয়ত, প্রথম বৈঠকেই এই ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হওয়ার দরকার কী ছিল? বিশেষ করে যেখানে আমরা প্রথম থেকেই আমাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বলে যেসব বিষয়ের কথা বলে আসছি সেগুলোর কোনো উল্লেখই নেই। হ্যাঁ, বিশ্ব জনমতের চাপ প্রশমনের জন্য তাড়াহুড়ার প্রয়োজন ছিল মিয়ানমারের, আমাদের নয়; এবং তারা সে ব্যাপারে সফল হয়েছে। আমরা স্বাক্ষর না করে কেন আরো আলোচনার দরকার আছে বলে নেপিডো থেকে চলে এলাম না? তারপর আমাদের মিত্রদের দ্বারা তাদের ওপর কেন আরো চাপ বৃদ্ধি করলাম না? তারা দীর্ঘমেয়াদি কালক্ষেপণের রাস্তা ধরতে পারল আর আমরা আরো দুই-তিনটা বৈঠকের ব্যবস্থা করে তাদের ওপর আরো চাপ বৃদ্ধি করতে পারলাম না।

আর রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার বিষয়টিও রয়ে গেছে অনিশ্চিত। ১৯৯২ সালের ‘যৌথ বিবৃতি’ নাকি ফেরত নেওয়ার এই ‘অ্যারেঞ্জমেন্টের’ ভিত্তি হবে। এটাই মিয়ানমার চেয়েছে এবং আমরা শুরু থেকে এর বিরোধিতা করেছি। অথচ নেপিডোতে হঠাৎ কী হলো যে আমরা সেটাই মেনে নিলাম। ওই বিবৃতিতে আছে উদ্বাস্তুদের ‘পরিচয় যাচাই-বাছাই করে এবং মিয়ানমারের নিজেদের আইন অনুসরণ করে’ ফেরত নেওয়া হবে। প্রথমেই প্রশ্ন আসে, কিসের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করা হবে? এই মানুষগুলোর তো কোনো পরিচয়পত্রই নেই, নেই কোনো নাগরিকত্বের প্রমাণ। তারা শুধু জানটা নিয়ে পালিয়ে এসেছে গুলির মুখে। ওই সময় কি কোনো সরকারি দপ্তরের চিঠি, কি বিদ্যুৎ বিল বা অন্য কোনো দলিল নিয়ে আসা সম্ভব ছিল? তাদের একমাত্র দলিল হচ্ছে বাংলাদেশে নিবন্ধনের দলিল। সেটা যেহেতু মিয়ানমারের ভাষায় বা সেই দেশের বিধিবিধান অনুযায়ী প্রস্তুত হচ্ছে না, কাজেই সেটা তারা মানবে না। কিংবা মানলেও যেকোনো ছুতায় তা তারা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

বলা হচ্ছে, দুই মাসের মধ্যে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তার মানে আলাপ-আলোচনা, চিঠি চালাচালি ইত্যাদি করে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। তারপর সেই গ্রুপ বৈঠকে বসবে। এমন নয় যে এক বৈঠকে সব কার্যপদ্ধতি নির্ধারিত হয়ে যাবে। আরো অনেক নতুন নতুন বিষয় আসতে থাকবে ওয়ার্কিং গ্রুপের সামনে। সেগুলো নিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে থাকবে। তারপর হয়তো কোনো একদিন শুভ মহরত হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নামক নাটকের। ১০ লাখের মধ্যে প্রথম কিস্তিতে যাবে ১০ হাজার (বাকিরা কবে যাবে তা অঙ্ক কষে বের করুন)। আদৌ কোনোদিন তাদের নেওয়া হবে কি না কে জানে। কারণ দুই মাসের মধ্যে ‘প্রক্রিয়া শুরু’ হবে, কবে শেষ হবে তার উল্লেখ নেই ‘ডাক্তার মিয়ানমারের’ ব্যবস্থাপত্রে। অথচ আমরা দ্রুত প্রত্যাবাসনের কথা বলে আসছি শুরু থেকেই।

মিয়ানমারের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সুসম্পর্ক বজায় রাখার কথা অনেকে বলেন। অবশ্যই তা রাখতে হবে। তবে প্রতিবেশীটি যদি হয় খুনি, ধর্ষক, কথা খেলাপি তার পরও কি তাকে খুশি রাখতে হবে? মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে যা করছে তা তো আমাদের দেশে ওই যে বলে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করা, ঠিক তাই। আন্তর্জাতিক কোনো শিষ্টাচার, কোনো নিয়ম-কানুনের ধার সে ধারে না। তার নীতি হচ্ছে বকো আর ঝকো কানে দিয়েছি তুলো, মারো আর ধরো পিঠে বেঁধেছি কুলো।

৩.

খবর বেরিয়েছে, সরকার নাকি রোহিঙ্গাদের নোয়াখালী জেলার ভাসানচর নামক এক বিস্তীর্ণ চরে পুনর্বাসিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এতে বেশি না, মাত্র আড়াই হাজার কোটি টাকার মতো খরচ হবে এবং তা দেবে সরকার! সংবাদটি শুনে মিয়ানমার নিশ্চয়ই খুশিতে বগল বাজাচ্ছে। তারা বিশ্ববাসীকে বলবে, ‘দেখলে তো, নিজেদের মানুষকে পুনর্বাসিত করার নৈতিক দায়িত্ব বাংলাদেশ কত আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করছে। হাজার হোক, তারা তো নিজেদের জ্ঞাতি ভাইকে ফেলে দিতে পারে না। ’

তা এই ভাসানচর নাকি জোয়ারের সময় অনেকটা তলিয়ে যায়। তা হলে ওটা কি মানুষের আশ্রয়স্থল হবে, না জীবজন্তুর খোঁয়াড়ের মতো খোঁয়াড় হবে। তাদের জীবন-জীবিকার চাহিদা কিভাবে পূরণ হবে ভেবে দেখা হয়েছে? শুধু আহার-বাসস্থান নয়, তাদের কর্মসংস্থান, চিকিত্সা, সন্তানদের লেখাপড়া, অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ইত্যাদি নানা দিক আছে, যা ছ-মাস নয় মাস বা এক বছরে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। শুধু আড়াই হাজার কোটি টাকা ওই ভাসমান দ্বীপে ফেলে দিলেই রাতারাতি সব অবকাঠামো গড়ে উঠবে না, জীবনধারণের জন্য যেসব উপাদানের প্রয়োজন তার প্রায় সবই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনানির্ভর। ভাসানচরে কেবল উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারাই থাকবে, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ওটা হবে ‘আউট অব বাউন্ডস’। আবার অচিরেই চোরাচালানি, মাদক পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্যও হয়ে উঠতে পারে এই জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপ।

৪.

গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ দেখে সন্দেহ জাগে, আমরা কি সত্যিই রোহিঙ্গাদের ফেরত দিতে চাই? নাকি এই গলার কাঁটা যতক্ষণ না ক্যান্সারে পরিণত হচ্ছে ততক্ষণ শুধু ওষ্ঠসেবাই (লিপ সার্ভিস) দিতে থাকব? ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামক আত্মঘাতী অস্ত্রটি কি একটা সুন্দর সমাধানের পথ রুদ্ধ করে দিল না?

লেখক : সাবেক সচিব, কবি

mkarim06@yahoo.com


মন্তব্য