kalerkantho


গণজাগরণ ও বৌদ্ধিক জাগরণ প্রসঙ্গে

আবুল কাসেম ফজলুল হক

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গণজাগরণ ও বৌদ্ধিক জাগরণ প্রসঙ্গে

হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালির রাজনৈতিক ঐতিহ্য গৌরবজনক নয়। তবে সংগ্রাম ও যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা অবশ্যই গৌরবজনক। প্রশ্ন হলো, স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর আমরা করছি কী? চলমান অবস্থা নিয়ে মোটামুটি সবাই কি সন্তুষ্ট? সাধারণ মানুষ? ছাত্র-তরুণরা?

গণজাগরণ আশা করা হয়। যত্রতত্র গণজাগরণের কথা বলা হয়। কিন্তু গণজাগরণ এত সহজ ব্যাপার নয়। সেই ১৯০৫ সাল থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত পৌনে এক শতাব্দী ছিল আমাদের গণজাগরণের কাল। তারপর আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি। সব আন্দোলন গণজাগরণের পরিচায়ক নয়। গণজাগরণে দেশব্যাপী জনগণের মধ্যকার মহৎ সব মানবীয় গুণাবলির জাগরণ ঘটে। জনগণ মহান কিছু অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সংগ্রামে লিপ্ত হয়। গণজাগরণে মহান নেতৃত্ব থাকে।

হুজুগ আর গণজাগরণ কখনো এক নয়। হুজুগে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল হীনস্বার্থ হাসিলের জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রচার চালিয়ে জনসাধারণকে আন্দোলনে মাতায় এবং কৌশলে স্বার্থ হাসিল করে নেয়। গণজাগরণে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও তার চরিত্র হুজুগ থেকে ভিন্ন থাকে। ১৯৮০-এর দশক থেকে বাংলাদেশে তো গণজাগরণের নামে হুজুগের পর হুজুগই দেখা যাচ্ছে। এই সময়ের ঘটনাবলিতে জনজীবনের মহৎ মানবিক গুণাবলির প্রকাশ কোথায়? মহান লক্ষ্য কোথায়? নেতৃত্বের চরিত্র? এই ধারার তৎপরতার মধ্য দিয়ে জনজীবনের অবস্থা কি ভালো হয়েছে? নব উত্থানের জন্য গণজাগরণ অপরিহার্য। কিন্তু কিছু লোক গণজাগরণ চাইলেই তো জনগণ ঘুম থেকে জেগে উঠে না। জনগণের ঘুম ভাঙানো অত্যন্ত কঠিন চেষ্টাসাপেক্ষ ব্যাপার।

নতুন গণজাগরণের পূর্বশর্ত হিসেবে দরকার নতুন রেনেসাঁসের সূচনা। রেনেসাঁস ছিল এ দেশে। কিন্তু সবার কর্মফলে স্বাধীন বাংলাদেশে সেই রেনেসাঁস শেষ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় পুরনো রেনেসাঁসকে ফিরিয়ে আনা কিংবা তার পুনরুজ্জীবন ঘটানো যাবে না। সৃষ্টি করতে হবে নতুন কালের নতুন রেনেসাঁস। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে না।

কোনো জাতির জীবনে রেনেসাঁস দেখা দিলে সেই জাতির নবজন্ম ঘটে—জাতি নতুন জীবন লাভ করে। কোনো জাতির সভ্যতা-সংস্কৃতির মধ্যেই নিহিত থাকে সেই জাতির আত্মপরিচয়। যে রেনেসাঁস পশ্চিম ইউরোপে চতুর্দশ শতাব্দীতে সূচিত হয়েছিল, তার মর্মে ছিল সত্য ও ন্যায়ের সন্ধানে অদম্য স্পৃহা এবং মিথ্যা, অন্যায় ও দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্তির প্রবল আকাঙ্ক্ষা। রেনেসাঁসের মধ্যেই মানুষ মানবীয় মূল্যবোধ, শাস্ত্রনিরপেক্ষ যুক্তি ও নতুন আশা নিয়ে পরকালের দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ইহকালের দিকে ভালো করে তাকিয়েছিল আর ঈশ্বরকেন্দ্রিক গির্জাকেন্দ্রিক বাইবেলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির জায়গায় মানুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করেছিল ক্রমে মানবজাতির মধ্যে উপলব্ধি জাগে যে  মানুষের শক্তি ও সম্ভাবনা ক্রমবর্ধমান ও অফুরন্ত। তাতে মানুষের চিন্তা ও কর্মের প্রকৃতি বদলে যায়। মানুষ আত্মশক্তিতে আস্থাশীল ও আত্মনির্ভর হতে থাকে। রেনেসাঁস এক বিকাশশীল প্রত্যয়। চতুর্দশ শতাব্দীতে সূচিত রেনেসাঁস ছিল মধ্যযুগের গর্ভ থেকে আধুনিক যুগকে মুক্ত করার এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের ও শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে জীবনবাদী নতুন নতুন সৃষ্টি ও আবিষ্কার উদ্ভাবন দিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অবস্থাকে সমৃদ্ধ ও সুন্দর করার দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন। এর মধ্যে আর্থসামাজিক, রাষ্ট্রিক ব্যবস্থারও পরিবর্তন ঘটেছে। রেনেসাঁসে জ্ঞানের সঙ্গে ছিল চরিত্রবল। চরিত্রবল ছাড়া কেবল জ্ঞান দিয়ে রেনেসাঁস হয় না। রেনেসাঁস এক দীর্ঘস্থায়ী বৌদ্ধিক আন্দোলন, যা দ্বারা মানুষের জীবন জগৎ দৃষ্টিতে মৌলিক পরিবর্তন ঘটে এবং সর্বক্ষেত্রে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথ ধরে সৃষ্টি ও প্রগতির ধারা বহমান থাকে। রেনেসাঁসে ক্ল্যাসিকের চর্চা ছিল, কিন্তু অতীতকে ফিরিয়ে আনার কিংবা অতীতে ফিরে যাওয়ার মনোভাব ছিল না—দৃষ্টি ছিল সামনে নতুন সৃষ্টির দিকে। জনমনে ধারণা ছিল যে আমাদের বর্তমান খারাপ কিন্তু ভবিষ্যৎ ভালো। রেনেসাঁসে ভালোর সঙ্গে মন্দও ছিল—ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ ও তার সমাজ। মন্দহীন শুধু ভালো কিছুই পাওয়া যায় না। রেনেসাঁসের ভাবপ্রবাহের বিকাশের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে দেখা দেয় উপনিবেশবাদ, ক্রুসেড, ফ্যাসিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ। খ্রিস্টান ও ইহুদিদের মধ্যেও গেছে বিরোধ। উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামও চলে। মানুষের সমাজে ভালো মন্দকে পরাজিত রাখবে এবং প্রগতির বাধা দূর করে এগিয়ে চলবে—এটাই ছিল ধারণা। রেনেসাঁসের মধ্য দিয়ে বিকশিত শিল্প-সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকবাদের লক্ষ্য ছিল পৃথিবীকেই স্বর্গে উন্নীত করা। রেনেসাঁস প্রথমে ছিল পশ্চিম-ইউরোপভিত্তিক। ক্রমে তা ইউরোপে ও অন্যান্য মহাদেশে সব জাতির মধ্যে, বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন নামে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলা ভাষার দেশে উনিশ শতকের প্রথম পাদে রামমোহনের (১৭৭২-১৮৩৩) চিন্তা ও কর্মের মধ্য দিয়ে সূচিত হয়েছিল রেনেসাঁস। তাতে প্রথমে হিন্দু সমাজে, পরে মুসলিম সমাজে জাগরণ দেখা দিয়েছিল। একাত্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত ঢাকাকেন্দ্রিক জাতীয় সংস্কৃতিতেও জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতে ভাবুক ও কর্মীদের মধ্যে বহমান ছিল রেনেসাঁসের স্পিরিট। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে সার্বিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে সে ধারা ক্ষিয়মাণ হয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশে ও পশ্চিম বাংলায় কিছু লেখকের চেতনায় রেনেসাঁসের স্পিরিট আজও বহমান আছে।

দেশান্তর যাত্রা, দুঃসাহসী অভিযান—আমেরিকা, উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু আবিষ্কার, অন্ধকারাচ্ছন্ন আফ্রিকার রহস্য সন্ধান, এভারেস্ট বিজয়, মহাকাশ অভিযান ইত্যাদির মর্মেও ছিল রেনেসাঁসের স্পিরিট। সাম্যবাদ, উপযোগবাদ, পুঁজিবাদ, ধনতন্ত্র, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে রেনেসাঁসেরই বিকাশধারার মধ্যে। রেনেসাঁসের ধারা ধরেই উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, জ্যোতির্বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন ও বিভিন্ন ধারার প্রযুক্তির। ইহলৌকিক উপলব্ধিজাত মানববাদী শিল্প-সাহিত্য সৃষ্টির মর্মেও কাজ করেছে লেখকদের জ্ঞাত ও অজ্ঞাত রেনেসাঁসের স্পিরিট। মানবজাতির অগ্রগতি সরলরৈখিক কিংবা বাধা-বিপত্তিহীন ছিল না। মানুষের নৈতিক চেতনার অধোগতি ও প্রযুক্তির অপব্যবহারও কখনো কখনো নির্ধারক শক্তিরূপে কাজ করেছে। আরো অনেক ব্যাপার এর মধ্যে আছে।

উঁচু-নিচু, আঁকাবাঁকা, কণ্টকাকীর্ণ পথ ধরে চৌদ্দ শতক থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত ইউরোপে রেনেসাঁসের স্পিরিট বহমান ছিল। উনিশ শতকের শেষে ইউরোপ-আমেরিকার বৃহৎ শক্তিবর্গ যখন কর্তৃত্ব বিস্তারের ও উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতায় মত্ত হয়ে সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলে, তখন দেখা দেয় ভাটা এবং তা দ্রুত ক্ষয় পেয়ে যেতে থাকে। সভ্যতা সংস্কৃতি, প্রগতি ও রেনেসাঁসের তাড়নার চেয়ে ক্ষমতালিপ্সা ও সম্পত্তিলিপ্সা তখন প্রবল হয়ে উঠতে থাকে। ক্রমে অপশক্তি শুভশক্তিকে স্থানচ্যুত করে। ওই সময়ই সংঘটিত হয় দুই বিশ্বযুদ্ধ ও আনুষঙ্গিক নানা ঘটনা। যুদ্ধেরও আনুষঙ্গিক ঘটনাবলির অভিঘাতে মানুষের জীবনোপলব্ধি ও চিন্তা-চেতনা বদলে যেতে থাকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে কাউন্টার-রেনেসাঁস রূপে শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে দেখা দেয় আধুনিকতাবাদ (modernism) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কিছু পরে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সব শাখায় ও শিল্প-সাহিত্যে দেখা দেয় উত্তরাধুনিকতাবাদ (Postmodernism)। আধুনিকতাবাদ ও উত্তরাধুনিকতাবাদকে বুঝতে হবে এসব নিয়ে আন্দোলনকারীদের দেওয়া অর্থ দিয়ে। শব্দগত অর্থ আর মতবাদগত অর্থ এক নয়। আধুনিকতাবাদীরা ও উত্তরাধুনিকতাবাদীরা রেনেসাঁসের বিরুদ্ধে কোনো ঘোষণা না দিয়ে কাজ করে চলেন রেনেসাঁসকে শেষ করে দেওয়ার জন্য। আধুনিকতাবাদের মর্মে ছিল নৈরাজ্যবাদ ও কলাকৈবল্যবাদ আর উত্তরাধুনিকতাবাদ নেতিবাদী ও মুখ্যবাদী। মানবজাতির উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টি নিয়ে আশাভঙ্গের প্রত্যক্ষ কারণ হয়েছে দুই বিশ্বযুদ্ধ। আর নৈরাশ্যবাদী ও শূন্যবাদী চিন্তার উদ্ভবের কারণ হয়েছে অন্যায়-অবিচারকে প্রতিকারহীন ভাবা এবং উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টি নিয়ে আশাভঙ্গ-হতাশা। মানুষের প্রতি মানুষের বিশ্বাস কমে গেছে, সামাজিক সংহতি দুর্বল হয়ে পড়েছে—বেড়ে গেছে সামাজিক বিলুপ্তি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই ইউরোপে সভ্যতার সংকট নিয়ে আলোচনা আরম্ভ হয়। আলোচনার ধারাবাহিকতায় রচিত হয় স্পেংলারের Decline of the West,  সুইটজারের The Decay and Restoration of Civilization, ক্লাইভ বেলের Civilization প্রভৃতি গ্রন্থ এবং রবীন্দ্রনাথের সভ্যতার সংকট প্রবন্ধ। তাদের বক্তব্যে যে কথাটি বড় হয়ে এসেছে, তা হলো নতুন রেনেসাঁস সৃষ্টি করতে হবে। রবীন্দ্রনাথও এ কথাই বলেছেন এবং আশা করেছেন পাশ্চাত্য জাতিগুলো থেকে নয়, প্রাচ্যের কোনো জাতি থেকে সূচিত হবে নতুন সভ্যতা। নতুন রেনেসাঁস কিংবা নতুন সভ্যতার দিকে মানবজাতি চলছে। আধুনিকতাবাদ ও উত্তরাধুনিকতাবাদ নতুন রেনেসাঁস ও নতুন সভ্যতা সৃষ্টির পরিপন্থী। বাস্তবে আধুনিকতাবাদ ও উত্তরাধুনিকতাবাদের অনুশীলনই কর্তৃত্ব বিস্তার করে আছে পৃথিবীর প্রায় সব রাজধানীতে।

মাঝখানে নতুন সভ্যতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দেখা দিয়েছিল মার্ক্সবাদ। ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার। আর ১৯৯১ সালে বিলোপ ঘটে সোভিয়েত ইউনিয়নের। মার্ক্সবাদ এখন আর আকর্ষণীয় নেই। তবে দুনিয়াব্যাপী ৯৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে বিরাজমান আছে মুক্তি আকাঙ্ক্ষা। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষাকে বিকশিত করার মতো বৌদ্ধিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেখা দিচ্ছে না কোনো জাতির মধ্যেই। নৈরাশ্যবাদ ও শূন্যবাদের প্রাধান্য একদিকে এবং ভোগবাদ ও কর্তৃত্ববাদের প্রাধান্য অন্যদিকে।

বাংলাদেশের শাসকশ্রেণি বর্তমান অবক্ষয়ক্লিষ্ট পশ্চিমা ভোগবাদী সভ্যতাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে চলছে। আর গণমানুষ নিস্পৃহ। এই অবস্থার মধ্যে আশা করা হয় গণজাগরণ। আমি হুজুগ আর গণজাগরণের পার্থক্য সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা চাই। হুজুগে সাড়া না দেওয়া মঙ্গলকর। অথচ ১৯৮০-এর দশক থেকেই কায়েমি স্বার্থবাদীদের সৃষ্ট হুজুগে মেতে চলছি। আমাদের রাজনীতি ও সংস্কৃতির উন্নতি হবে কিভাবে। ডলার ও টাকার মাপে উন্নয়ন হচ্ছে, সম্পদ বাড়ছে। এই উন্নয়নের ধারায় চলছে মানুষের অমানবিকীকরণ, বৈষম্য বৃদ্ধি, জুলুম-জবরদস্তি ও শোষণ-পীড়ন-প্রতারণ বৃদ্ধি।

এই বাস্তবতায় গণজাগরণের চাহিদা দেখা দিয়েছে। কিন্তু গণজাগরণের জন্য বৌদ্ধিক জাগরণও অপরিহার্য। গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় প্রাণশক্তির একান্ত অভাব। দেশের তরুণসমাজকে প্রকৃত নতুন সৃষ্টিতে প্রগতিতে আগ্রহী ও সক্রিয় হতে হবে।

 

লেখক : চিন্তাবিদ, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য