kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চীনা বিশ্লেষকদের চোখে শি চিনপিংয়ের সফর

সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আসছে চীনা বিনিয়োগ

১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আসছে চীনা বিনিয়োগ

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ২০১৫ সালে ৫৬.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যার ৬৫ শতাংশই  গেছে টেক্সটাইল খাতে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব এটি।

অনেক চীনা কম্পানি এর বাইরেও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেছে, যার মধ্যে চামড়া, রাসায়নিক সার, বিদ্যুৎ, ওষুধশিল্পের কথা উল্লেখ করা যায়। বেসরকারি কম্পানির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অনেক কম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধান করতে শুরু করছে। বিদ্যুৎ ও ম্যানুফ্যাকচারিংসহ বিভিন্ন খাতে চীনা বিনিয়োগকারীরা প্রবেশ করছেন। কারণ এসব খাতের রয়েছে সম্পূর্ণ সম্ভাবনা। বিদ্যুৎ খাতের উদাহরণ টেনে বলা যায়, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে চীনা বিনিয়োগের ফলে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যার আর্থিক মূল্যমান ৪০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বাংলাদেশে আরো শিল্প পার্ক স্থাপিত হলে সে দেশে বিনিয়োগের পথ চীনা কম্পানিগুলোর জন্য আরো প্রশস্ত হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ এক অতি বহুল জনসংখ্যার দেশ। ফলে দেশটির রয়েছে প্রচুর শ্রমশক্তি। যেসব উপাদান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বেশি আকৃষ্ট করছে এই শ্রমশক্তি তার অন্যতম। পাশাপাশি দেখলে বাংলাদেশ ও চীন দুই দেশই অর্থনৈতিক খাতে পরস্পরকে এগিয়ে যাওয়ায় সহায়তা জোগাচ্ছে। বিশেষ করে চীন যখন বহির্বিশ্বে শ্রমঘন বিভিন্ন খাতে মনোযোগ দিচ্ছে এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে সহায়তায় আগ্রহ দেখাচ্ছে—বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কটি খুব কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। অবকাঠামো, টেলিযোগাযোগ ও টেক্সটাইলের মতো সম্ভাবনাময় খাতে মিলেমিশে কাজ করার ব্যাপারে দুই দেশেরই আগ্রহ স্পষ্ট।

তবে স্বীকার করতেই হবে, বাংলাদেশ অধিকাংশ দেশের তুলনায় কম উন্নত। এর জ্বালানি সম্পদ সীমিত। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতও দেশটিকে সইতে হচ্ছে। অবকাঠামোগত দুর্বলতা দেশটির উন্নয়নের পথে বড় বাধা হয়েছে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও দেশটিকে আরো দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্বটিও তাদের সুচারুরূপে পালন করতে হবে।

প্রাসঙ্গিক একটি প্রশ্ন হচ্ছে, চীনা বিনিয়োগ কি বাংলাদেশে বাড়ছে? উত্তর হচ্ছে—অবশ্যই। আর চীনকে এই বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে উৎসাহ জোগাচ্ছে বেশ কিছু জিনিস। প্রথমত, সাম্প্রতিক সময়ে এসে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। ৬ থেকে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের রেকর্ডও দেশটি দেখিয়েছে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে শ্রম ব্যয় অন্য অনেক দেশের তুলনায় কম। পারিশ্রমিক তুলনামূলক কম—এমন খাতে বিনিয়োগ করতে পারা চীনা কম্পানিগুলোর জন্য নিঃসন্দেহে এক বড় সুযোগ। তৃতীয়ত, বাংলাদেশ সরকার দেশে ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নয়নে বেশ কিছু নীতি গ্রহণ করেছে। চতুর্থত, দুই দেশের সরকারই বাণিজ্য সফরে ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে সহযোগিতা ও উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে অধিকসংখ্যক চীনা ব্যবসায়ী বাংলাদেশের ব্যাপারে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁরা সুযোগটি কাজেও লাগাচ্ছেন। এমন আরো কিছু সুযোগের কথা উল্লেখ করা যায়।

চীন সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট এবং টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি ম্যারিটাইম সিল্ক রোড নিয়ে অনেক বড় স্বপ্প দেখছে, যাকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’। চীন তাদের এই স্বপ্নের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ (বিঅ্যান্ডআর) বাস্তবায়নের জন্যও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে চায়। এ হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশকে চীনের প্রয়োজন রয়েছে। আর্থরাজনৈতিক অবস্থান বিচারে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চীন, ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট—আসিয়ানের দেশগুলোর মধ্যে সংযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ সফল করতে চাইলে বাংলাদেশের এই ভৌগোলিক অবস্থানকে চীনের কাজে লাগাতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ-চীন-ইন্ডিয়া-মিয়ানমার (বিসিআইএম) অর্থনৈতিক করিডর প্ল্যানও বাংলাদেশকে ছাড়া হবে না।

২০১৫ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। শেখ হাসিনাকে চীনা প্রেসিডেন্ট জানান, চীন বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে চীন ঢাকার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানে আগ্রহী। চীন বাণিজ্য, উৎপাদন দক্ষতা, জ্বালানি উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মতো প্রধান খাতগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিকাশ করতে চায় বলেও চীনা প্রেসিডেন্ট সে বৈঠকে উল্লেখ করেন। জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা, বাণিজ্য, অর্থনীতি, অবকাঠামো, সংস্কৃতি—সব খাতেই বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে আগ্রহী। বিসিআইএম করিডর গঠনেও বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

চীন মনে করছে, ‘বিঅ্যান্ডআর’ উদ্যোগে বাংলাদেশ বরাবরই সমর্থন জুগিয়ে এসেছে। আঞ্চলিক সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক বিকাশকে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও দেশটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে থাকে। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পের আওতায় চীন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। চীনা সরকারের প্রত্যাশা, চীনের সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের সংযোগ জোরদারকরণে ঢাকা আরো জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ চীনের সাম্প্রতিক উদ্যোগ। এর আগেই বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ইতিহাসটি আরো অনেক পুরনো। কূটনৈতিক সম্পর্কের হিসাব সামনে রাখলে বলা যায়, এই বন্ধন ৪১ বছরের। বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই করিডর তৈরির প্রস্তাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে চীনও ছিল। বঙ্গোপসাগর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ এক জলসীমা এবং বাংলাদেশ এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘হাব’। এ কারণে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিল্ক রোড পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

বাংলাদেশ ও চীন দুই বন্ধুপ্রতিম দেশ। এই সম্পর্ক ধরে রাখার স্বার্থেও বাংলাদেশে আরো বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন, এমনটই মনে করে চীন। চীনের প্রত্যাশা, দুই দেশই ‘সিল্ক রোড স্পিরিট’-এ উজ্জীবিত হয়ে কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে যাবে। আর এর ফলে দুই দেশই নিজেদের আরো বেশি করে বোঝার সুযোগ পাবে। এই জানা-বোঝার মধ্য দিয়ে দুই দেশই আরো লাভবান হবে।

চীন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে অংশ নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অবদান রেখেছে। এর মধ্যে যোগাযোগ খাত অন্যতম। আশির দশক থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সাতটি বড় সেতু চীন নির্মাণ করেছে। এ মুহূর্তে আরো আটটি সেতু নির্মাণাধীন। চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ আশির দশকে পেইচিং নাম্বার ওয়ান এক্সপেরিমেন্টাল এলিমেন্টারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার দান করেছিল। এই অনুদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্কুলটির নামকরণ হয়েছিল চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এলিমেন্টারি স্কুল।

চীনা বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, চীনা প্রেসিডেন্টের এই বাংলাদেশ সফর নতুন এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রচনা করছে, যার প্রভাব হতে পারে সুদূরপ্রসারী। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ ও বিসিআইএমের জন্য যেমন বাংলাদেশকে চীনের প্রয়োজন, অর্থনৈতিক বিকাশের চাকাকে গতিশীল রাখতে বাংলাদেশও চীনের মতো বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তির বর্ধিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করে থাকে। অবকাঠামো উন্নয়নে চীন আরো বেশি সহযোগিতা করার সামর্থ্য অবশ্যই রাখে। এই সম্ভাবনার সবটুকু কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

চীনা প্রেসিডেন্ট এর আগে ২০১৪ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা এবং ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফর করেন। এই প্রথম তিনি বাংলাদেশে যাচ্ছেন। ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর চীনের কোনো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন। এই সফরকালে পেইচিং প্রস্তাবিত বেল্ট অ্যান্ড রোড-সংশ্লিষ্ট কিছু উদ্যোগের চুক্তি সই হতে পারে। বিরল এই সফর থেকে দুই দেশ বড় কিছু প্রত্যাশা করবে—এমনটাই প্রত্যাশিত। চীনের তরফে প্রত্যাশাটা হচ্ছে, এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে এমন একটা সহযোগিতার সম্পর্ক স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করা—যার ফলে চীনের সঙ্গে ইউরেশিয়ার সংযোগ স্থাপনের কাজটি সহজতর হয়। জল ও স্থল দুই পথেই সংযোগ তৈরির কাজটি করা হবে। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ চীনের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ এক দেশ হয়ে উঠেছে।

এখানে আরো একটি প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেই নয়। চীন তাদের নৌবাহিনীর ব্যবহারের স্বার্থে মিয়ানমারের জলসীমায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করতে চেয়েছিল। পরিকল্পনাটি এখন বরফশীতল অবস্থায় রয়েছে। ওদিকে জাপান জাইকার মাধ্যমে মিয়ানমারে প্রবেশ করছে। মিয়ামনারে গণতন্ত্রের বাতাস বইতে শুরু করায় যুক্তরাষ্ট্রও সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করেছে। শক্তির ভারসাম্য স্থাপনের খেলায় তাই চীনকেও ভিন্নভাবে ভাবতে হচ্ছে।

এ ছাড়া বিসিআইএম অর্থনৈতিক করিডর স্থাপন সম্ভব হলে তবেই চীনের টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি মেরিটাইম সিল্ক রোড প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হবে। চীন মনে করে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সব দেশেরই লাভ। তাই তারা সংশ্লিষ্ট সব দেশ থেকেই সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। কিন্তু যেহেতু স্বপ্নের প্রকল্পটি সুবিশাল, এ নিয়ে কোনো কোনো দেশের দ্বিধাও কাজ করছে। তাই চীনকে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার দিকেও মনোযোগ দিতে হচ্ছে।

এ ছাড়া চীনের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চার ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে রপ্তানিনির্ভর দেশ হিসেবে নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখার কাজটি ভবিষ্যতে সহজ নাও হতে পারে। বহু বিদেশি বিনিয়োগকারী চীনে এসে পুঁজি খাটিয়েছেন। তাঁরা চীনে পণ্য উৎপাদন করে বহির্বিশ্বে নিয়ে বিক্রি করছেন। এখন শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের অনেকেই উদ্বিগ্ন। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, এমনকি ভারতের মতো দেশেও তাঁরা নিজেদের বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ খুঁজছেন।

চীন সরকার মনে করছে, প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফর ইতিহাসের নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি হবে। বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে—ঠিক আছে, এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে হবে। বর্তমান সরকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নের ব্যাপারে আন্তরিক। অনেক উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে সুশাসন, প্রশাসনিক দক্ষতার মতো বিষয়গুলোতেও বাংলাদেশকে উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

 

সূত্র : চীনের গণমাধ্যম গ্লোবালটাইমস ডটসিএন, পিপল ডটসিএন, চায়নাগেট ডটসিএন ও ইউরেশিয়া রিভিও ডটকম প্রকাশিত পৃথক প্রতিবেদনে চীনা বিশ্লেষকদের অভিমত। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের ইকোনমিক ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লি গুয়াংগজুনও রয়েছেন

 

অনুলিখন : গাউস রহমান পিয়াস


মন্তব্য