kalerkantho


২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট অ্যালার্ম ঠিকই বেজেছিল

আবদুল মান্নান

১৭ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০



২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট অ্যালার্ম ঠিকই বেজেছিল

বাংলা ও বাঙালির জীবনে আগস্ট মাসটা বেশ অপয়া। তাদের জন্য এই মাসে তেমন একটা ভালো খবর নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তানপন্থী একদল সেনা অফিসার জাতির জনক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাদের সহায়তা করেছিল আওয়ামী লীগের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু রাজনৈতিক নেতা, যাঁরা মনেপ্রাণে পাকিস্তানি চিন্তাচেতনা ধারণ করতেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। দলের নেতাকর্মীরা তাঁর চারপাশে মানববর্ম তৈরি করে সেই যাত্রায় তাঁকে রক্ষা করেন। তা করতে গিয়ে সেদিন আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছিলেন আরো শ তিনেক। জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন প্রায় ১০০ জন। এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের কয়েকজন পরে আদালতে স্বীকার করেছে, কুখ্যাত হাওয়া ভবনের হর্তাকর্তা বেগম জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখত। এই কাজে তাদের সহায়তা করতেন সেনা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) তৎকালীন প্রধান মেজর জেনারেল সাদেক হোসেন রুমি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসআই) প্রধান মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী। তাঁদের একজন সাংবাদিক তাসনিম খলিলের কাছে এ-ও স্বীকার করেছেন, তাঁরা নিয়মিত সেনানিবাসে বৈঠকও করতেন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশে একযোগে ৬৩টি জেলায় প্রকাশ্য দিনের বেলায় দেশে বানানো টাইমবোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে নিহত হয় দুজন আর আহত হয় পাঁচ শতাধিক। শুধু বাংলাদেশেই নয়, এমন একটি ঘটনা সমসাময়িক ইতিহাসে নজিরবিহীন। এক বা দুই স্থানে বোমা বিস্ফোরণ এখন তেমন অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু একযোগে ৬৩টি জেলায় একই সময় এমন ঘটনার কথা এর আগে কোনো দেশে ঘটেছে বলে জানা যায় না। আরো শঙ্কার কথা হচ্ছে, বোমা বিস্ফোরণগুলো, বিশেষ করে রাজধানীতে কোনো নিরিবিলি বা গোপন স্থানে হয়নি; হয়েছে সচিবালয় সংলগ্ন এলাকা, জাতীয় প্রেস ক্লাব, শাহজালাল (তখন জিয়া আন্তর্জাতিক) বিমানবন্দর, হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ, বারিধারার কূটনৈতিক এলাকাসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। কোনো কোনো জেলায় জেলা প্রশাসকের দপ্তরসংলগ্ন এলাকায় ও সরকারি অফিসের অতি কাছে হয়েছে। এ রকম শুধু যুদ্ধের সময় ঘটতে পারে। এই সময়ে বাংলাদেশে কোনো যুদ্ধ চলছিল না। যেসব স্থানে এই বোমা বিস্ফোরণ হয় সেসব স্থানে প্রথমবারের মতো জেএমবির নামসংবলিত একটি আরবি ও বাংলা ভাষায় রচিত লিফলেট পাওয়া যায়। এর আগে জেএমবি নামের সংগঠনটিকে সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে সাংবাদিক তাসনিম খলিলের কাছে কট্টর ওয়াহাবিপন্থী সংগঠন খতমে নবুয়ত পার্টির (সংক্ষেপে খতম পার্টি) দুই নেতা মওলানা মাহমুদুল হাসান মোমতাজি ও মওলানা নূর হোসেন নূরানি স্বীকার করেছেন, জেএমবির সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে এবং তারেক রহমান তাঁদের অঘোষিত আমির। খতম পার্টি বাংলাদেশে তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করে আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলমান ঘোষণার দাবি নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় নেমে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে। এই সময় তাদের সহয়তা করে দেশের পুলিশ বাহিনীর একটি অংশ, বিশেষ করে বগুড়ায় ও ঢাকায়। খতম পার্টি আর জেএমবির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোটের শরিক দল জামায়াত ও ইসলামী ঐক্যজোটের। জোটের এই দুই দলের নেতারা তখন বেগম জিয়ার কাছে দাবি করতেন যেন খতম পার্টির সব দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া হয় এবং আহমদিয়া মুসলিম জামায়াতকে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়। এই কাজটি পাকিস্তানে সামরিক শাসক জেনারেল জিয়াউল হক করেছিলেন এবং দেশটিকে কট্টর ওয়াহাবিপন্থী মৌলবাদীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন; যার পরিণতিতে পাকিস্তান এখন একটি সম্পূর্ণভাবে পতিত রাষ্ট্র। একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান আর কখনো দাঁড়াতে পারবে—তেমনটি মনে হয় না। বেগম জিয়া ও তাঁর মিত্ররা বাংলাদেশকেও সেই পথে নিয়ে যেতে তখন তৎপর ছিলেন।

অকুস্থলে যেসব লিফলেট পাওয়া গিয়েছিল তাতে জেএমবি বাংলাদেশে ইসলামী আইন বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়; আর এই তথাকথিত ইসলামী আইন ছিল সৌদি আরবের ওয়াহাবিপন্থীদের বাতিল ফেরকা থেকে তৈরি। পবিত্র ইসলাম ধর্মকে অপব্যাখ্যা করে তৈরি আইন। লিফলেটে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘এই দেশে যারা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায় তারা ইসলামের শত্রু।’ প্রচারপত্রে তারা ইসলামী যোদ্ধাদের ধরপাকড় না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও দেশের শাসকদের কাছে দাবি জানায়। তারা আরো উল্লেখ করে, ‘একটি দল সব সময় সশস্ত্র জিহাদ করে যাবে। তারা তাদের শত্রুদের প্রতি কঠোর হবে। কোনো ভূখণ্ডেই আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য কোনো বিধান চলতে পারে না।’ পুরো লিফলেটই ছিল সরকার ও জনগণের বিরুদ্ধে এই রকম হুমকিতে ঠাসা। বর্তমানে দেশে যে জঙ্গিবাদ নিয়ে সরকার ও সাধারণ মানুষ উৎকণ্ঠিত তার জন্ম ও বিস্তার এরশাদের পতনের পর, জামায়াতে ইসলামীর হাত ধরে। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারি ছিল জামায়াতে ইসলামী। এই সংগঠনটিসহ সব ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দলকে বঙ্গবন্ধু সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করেছিলেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়া জামায়াতসহ সব ধর্মাশ্রয়ী দলকে প্রকাশ্যে রাজনীতি করার অনুমতি দেন। পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে একাত্তরের ঘাতক গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি তেমন একটা শক্তিশালী না হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি, যদিও গোলাম আযম নেপথ্যে থেকে তাদের আমিরের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে তারা বেশ চাতুর্যের সঙ্গে তাদের সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সংগঠিত করতে বেশ তৎপর ছিল। অত্যন্ত সুকৌশলে তারা সশস্ত্র হামলা চালিয়ে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দখল করে নেয়। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জোটভুক্ত দলগুলোর বাইরে তারা আন্দোলনের নামে দলকে সংগঠিত করার বেশ ভালো সুযোগ পায় এবং তা ব্যবহারও করে। এরশাদের পতন হলে শেখ হাসিনা ও বেগম জিয়া রেডিও-টিভিতে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পান। একই সুযোগ দেওয়া হয় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্বাস আলী খানকে। এটি ছিল জামায়াতের জন্য এক বিরাট প্রাপ্তি। যে দলটি একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত তাদের ভারপ্রাপ্ত আমির জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র ব্যবহার করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন, যা ছিল অকল্পনীয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সক্ষমতা ছিল না। তারা অলিখিতভাবে আঁতাত করে জামায়াতের সঙ্গে এবং তাদের কমপক্ষে ৬০টি আসনে ছাড় দেয়, যা সে সময় আওয়ামী লীগ সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারেনি। সেই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের এই আঁতাতের ফলে অপ্রত্যাশিতভাবে বিজয় লাভ করে বিএনপি এবং সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জামায়াত অল্প কয়টি সিট পেলেও তারা তাদের অনেক এজেন্ডা বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে বাস্তবায়ন করে নেয়। তাদের মতাদর্শে দীক্ষিত জেএমবি, জেএমজেবি, আহলে হাদিস যখন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তসংলগ্ন জেলাগুলোয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল তখন তারা সরকারকে অনেকটা বাধ্য করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিতে। উল্লেখ্য, এসব সশস্ত্র জঙ্গির মূল উৎস এই সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয়, কারণ সীমান্তের ওপারের ভারতীয় জেলাগুলোয়ও এই সংগঠনগুলো বেশ সক্রিয়। বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এসব এলাকায় বসবাসকারী ভারতের মুসলমানদের অনেকেই মৌলবাদী ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাস করে। এখনো এসব জেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আজীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী একজন বড় মাপের ইসলামী চিন্তাবিদ। ভিডিওতে সাঈদীর ওয়াজ এখানে বেশ সমাদৃত; যদিও সেখানে বেশির ভাগ মুসলমানের বাড়িতে টিভি দেখা নিষিদ্ধ। এসব জেলার মুসলমানরা অনেকটা ইচ্ছাকৃতভাবেই শিক্ষাদীক্ষায় পশ্চাৎপদ। সীমান্তের উভয় পারের মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ আছে। ১৯৯১-৯৬ ও ২০০১-০৬ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে সরকারের আশ্রয় পেয়ে জেএমবিসহ আরো একাধিক জঙ্গি সংগঠন শক্তি সঞ্চয় করেছে, তার ফলাফল এখন দেশের মানুষ কিছুটা উপলব্ধি করছে। জামায়াতের দুজন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীকে ২০০১ সালে সরকারের মন্ত্রিসভায় বেগম জিয়া ঠাঁই দিলে এই জঙ্গি সংগঠনগুলো আরো শক্তিশালী হয়। যখন বাংলাভাইয়ের উত্থান হয়, তখন বেগম জিয়ার মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী বলেছিলেন, দেশে কোনো বাংলাভাই নেই, এগুলো সব মিডিয়ার সৃষ্টি।

যে সংগঠনগুলো বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে সৃষ্টি হয়েছিল তারা এখন অনেক বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তারা ২০০৫ সালে দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা ফাটিয়ে তাদের আগমনবার্তা জানিয়েছিল। এই জঙ্গিরা বর্তমানে নানা রূপে সমাজে বিচরণ করছে। তারা বেশ সফলতার সঙ্গে দামি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আকৃষ্ট করতে পারছে। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এ সম্পর্কে কতটুকু ওয়াকিফহাল তা জানি না, তবে বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উত্তর ও পশ্চিম অংশের জেলাগুলোয় জামায়াতে ইসলামীর মহিলা সদস্যরা বেশ সক্রিয়। তারা ওসব জেলার সরলপ্রাণ মহিলাদের তাদের মতাদর্শে দীক্ষিত করার জন্য একটি ক্রাশ প্রোগ্রামে কাজ করছে। অতীতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের ব্যর্থতার কারণে অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তাদের তৎপরতা বেড়েছে। গোয়েন্দাদের কাজ হচ্ছে ঘটনা ঘটার আগে তা প্রতিরোধ করা। গুলশান ঘটনার পর আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী বেশ কিছু সাফল্য দেখিয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা খুবই জরুরি। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, এক অদৃশ্য কারণে তারা অনেক সময় তাদের দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত হয়। দেশের মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি করার জন্য এমনটি হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের ঘটনা, ২০০৫ সালে একযোগে ৬৩টি জেলায় বোমা বিস্ফোরণ, গত ১ জুলাই গুলশানের ঘটনার মতো আর কোনো ঘটনা দেশের মানুষ দেখতে চায় না। দেশের মানুষ তাদের জানমালের নিরাপত্তা চায়। চিরতরে এ দেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ওয়াহাবিবাদের নির্মূল চায়। এটি করতে হলে যেমন দেশের মানুষের নিঃশর্ত সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন একইভাবে অন্যান্য দেশের সঙ্গে এসব বিষয়ে তথ্যের আদান-প্রদান প্রয়োজন। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট ঘুম থেকে জেগে ওঠার অ্যালার্ম ছিল। এখন সবাই জাগ্রত। এখন এই সমস্যা দূর করার জন্য একাগ্র চিত্তে কাজ করার সময়। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে আমরা কিছু তস্করের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না।

লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক



মন্তব্য