kalerkantho

শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল ১৭ এপ্রিল

১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল ১৭ এপ্রিল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দেশের ফুটবলে প্রকাশ্যে এখন দুটি পক্ষ। একটি কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বাইরে আছে আরেকটি পক্ষ তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনের জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (বিডিডিএফএ)। তারা শুধু মাঠের বাইরে পারস্পরিক সমালোচনায় মুখর থাকে না, পাশাপাশি দুই পক্ষ পাল্লা দিয়ে লড়ছে মাঠে খেলা আয়োজনেও। বিডিডিএফএ যেমন ঘোষণা দিয়েছে আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবলের চূড়ান্ত পর্ব শুরুর।

এই টুর্নামেন্টের কাজ শুরু হয় পাঁচ মাস আগে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের আয়োজন করে তারা এ জায়গায় পৌঁছেছে। সাবেক তারকা ফুটবলারদের দিয়ে বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের ট্রেনিং করিয়ে তৈরি করেছে আটটি বিভাগীয় দল। দলগুলোকে নিয়ে আগামী ১৭ এপ্রিল দুটি জেলা শহরে শুরু হবে শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল। নড়াইলে ও নাটোরে দুই গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হবে কক্সবাজারে। এ উপলক্ষে গতকাল ঢাকায় স্থানীয় এক হোটেলে হয়েছে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন। সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবলকে ঢাকার বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবল এখন ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। জেলা পর্যায়ে না গেলে এই ফুটবলকে জাগিয়ে তোলা যাবে না, তাই গত পাঁচ মাস ধরে আমাদের সাবেক ফুটবলার এবং কোচরা জেলায় কাজ করেছেন, খেলোয়াড় বাছাই ও ট্রেনিং করিয়েছেন। মূল টুর্নামেন্টের খেলাগুলোও তাই আমরা ঢাকার বাইরে আয়োজন করছি।’

কাল লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসা বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সদস্যসচিব শেখ হাফিজুর রহমান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘শেখ কামালের সাংগঠনিক কীর্তির কথা সবাই জানে। এই ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করেই তাঁর সত্তাকে যথার্থ সম্মান দেওয়া যেতে পারে। তাই এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই এবং এই টুর্নামেন্টের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।’ ২৫ ও ২৬ এপ্রিল সেমিফাইনাল শেষে ২৮ তারিখ ফাইনাল হবে কক্সবাজারে। এ বছর শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করলেও তারা আগামী বছর অনূর্ধ্ব-১৮ বয়সীদের টুর্নামেন্ট এবং তার পরের বছর অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আয়োজক রুহুল আমিনের বিশ্বাস, ‘এভাবে দেশজুড়ে খেলার প্রচলন শুরু হলে সামগ্রিক ফুটবল চাঙ্গা হবে এবং জাতীয় দলের পাইপলাইনও তৈরি হবে।’

মন্তব্য