kalerkantho

ক্রিকেটের নাইজেরিয়া

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রিকেটের নাইজেরিয়া

ফুটবলের দেশ হিসেবেই পরিচিতি নাইজেরিয়ার। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে অভিষেকে আর্জেন্টিনা, বুলগেরিয়াকে পেছনে ফেলে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। ‘সুপার ইগলসরা’ পরের বিশ্বকাপেও খেলে শেষ ষোলোতে। তিনবারের আফ্রিকান নেশনস কাপ চ্যাম্পিয়ন এই দল এবার খেলবে ক্রিকেট বিশ্বকাপে! ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টিতে জাতীয় দল নয়, তাদের যুবারা সুযোগ পেয়েছে ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। হোক না ছোটদের বিশ্বকাপ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে এটাই প্রথম অংশগ্রহণ আফ্রিকান দলটির। নোয়ানকো কানু, রশিদি ইয়েকিনি, জে জে ওকোচারা যেমন জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ফুটবলে, তেমনি ক্রিকেটেও পরিচিতি পেতে চান পিটার আহোরা।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আফ্রিকান অঞ্চলের সবশেষ ম্যাচ ছিল গত পরশু। ‘ইয়োলো গ্রিনস’ এর উত্তরসূরি ‘জুনিয়র ইয়োলো গ্রিনস’ খ্যাত নাইজেরিয়ার দরকার ছিল সিয়েরা লিওনের বিপক্ষে জয়। সিয়েরা লিওনের যুব দল মাত্র ১৩৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় আশা বাড়ে তাদের। কিন্তু ৮৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদেও পড়েছিল উল্টো। সেখান থেকে পিটার আহোর অপরাজিত ২১ রান কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেয় নাইজেরিয়াকে। এ ছাড়া ইসাক দানলানিদ ২৫ ও ইকাইগ করেছিলেন ২২। নাইজেরিয়া জেতে ২ উইকেটে।

গত পরশু শেষ ম্যাচে নামিবিয়া ১৯৮ রানে হারায় কেনিয়াকে আর উগান্ডা ৮ উইকেটে হারায় তানজানিয়াকে। ছয় দলের মধ্যে ৫ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ১০ পয়েন্ট নাইজেরিয়ার। নামিবিয়ার ৮, উগান্ডার ৬, সিয়েরা লিওনের ৪, কেনিয়ার ২ ও তানজানিয়ার পয়েন্ট ০। আফ্রিকান অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে তাই নাইজেরিয়া। দেশটির ক্রিকেট ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডামস উকেনে ভীষণ উচ্ছ্বসিত এমন সাফল্যে, ‘আমাদের ক্রিকেট এমন এক উচ্চতায় যেখানে পৌঁছতে পারিনি এর আগে। এখান থেকে আরো এগিয়ে যাওয়া লক্ষ্য আমাদের।’

বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেললেও নাইজেরিয়ার ক্রিকেট ইতিহাস পুরনো। ১৯০৪ সালে প্রথম প্রীতি ম্যাচে তখনকার গোল্ড কোস (ঘানাকে) হারিয়েছিল তারা। নাইজেরিয়া আইসিসির সদস্যপদ পায় ২০০২ সালে। শুরুতে ক্রিকেট মাঠ ছিল হাতে গোনা। তবে সরকারি-বেসরকারি সাহায্য ও আইসিসির পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে চলেছে দেশটির ক্রিকেট। খেলোয়াড়দের বিদেশ সফরের খরচ বহন করে দেশটির সরকার। বাকিটা আইসিসি ও পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে পরিশোধ করে বোর্ড। ১১৫ বছর পর তাদের কোনো দল জায়গা করে নিল বিশ্বকাপে। এখান থেকে শুরু হতে পারে নতুন যাত্রা। আইসিসি

মন্তব্য