kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

ভালো করার চ্যালেঞ্জটা এখন বেশি

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ভালো করার চ্যালেঞ্জটা এখন বেশি

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের সর্বশেষ আসরে খেলেছেন অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে। সর্বোচ্চ ১০ রান সংগ্রাহকের মধ্যে থাকতে পারেননি একটুর জন্য। ১৩ খেলায় ৫৫০ রান করা শাহরিয়ার নাফীস ছিলেন ১১ নম্বরে। দুটি করে সেঞ্চুরি-হাফ সেঞ্চুরি এবং ৪২.৩০ গড়ে সাড়ে পাঁচ শ রান করা এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে কাল প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে নতুন ক্লাবে ভালো খেলার প্রত্যয় নাফীসের কণ্ঠে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে এ মৌসুমে খেলবেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জে। কেমন দল হলো?

শাহরিয়ার নাফীস : দল খুব ভালো হয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং সব বিভাগেই দেখলাম বেশ শক্তিশালী। রূপগঞ্জ তো বেশ কয়েক বছর ধরেই শক্তিশালী দল গড়ে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। আমার জন্য চ্যালেঞ্জ নতুন এই ক্লাবে ভালো করা।

প্রশ্ন : গত লিগে আপনার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ছিল খুব ভালো। কিন্তু দল প্রিমিয়ার ডিভিশন থেকে অবনমিত হয়ে যায়। অনুভূতিটি নিশ্চয়ই ভালো নয়?

নাফীস : মোটেই ভালো নয়। দলীয় খেলায় দলের সাফল্য সব কিছুর আগে। আমি নিজের জায়গা থেকে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু দলের অবনমন ঠেকাতে পারেনি। এতে অবশ্যই খারাপ লেগেছে।

প্রশ্ন : ঢাকা লিগের জন্য আপনার ব্যক্তিগত প্রস্তুতি কেমন?

নাফীস : প্রস্তুতি ভালো। ফিটনেস ভালো অবস্থায়। আমার জন্য ভালো করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ অবশ্য জাতীয় দলের শীর্ষ ক্রিকেটারদের বাদ দিয়ে সবার। কারণ ঢাকা লিগে এখন প্লেয়ার্স ড্রাফট পদ্ধতিতে দলবদল হয়। এখানে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ কম। পারফরম্যান্সটাই মুখ্য। জাতীয় ক্রিকেট লিগ বাদ দিলে অন্যান্য প্রায় সব প্রতিযোগিতায় এমনটা হয়ে গেছে। বিসিএলে অল্প কিছু ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পায়, প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে হয় বলে বিপিএল কিংবা এই ডিপিএলেও সবাই দল পায় না। আজকের (কাল) ড্রাফটে অনেক বড় নামের ক্রিকেটার দল পায়নি। এ কারণে ভালো করার চ্যালেঞ্জটা বেশি। সেটি দলকে সাহায্য করার জন্য যেমন, তেমনি আগামী বছর দল পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকার জন্যও। আমি তাই অবশ্যই চাইব, এবারের ঢাকা লিগে খুব ভালো করতে।



মন্তব্য