kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

কোনো অধিনায়কই সুপার ওভার খেলতে চাইবে না

১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



কোনো অধিনায়কই সুপার ওভার খেলতে চাইবে না

বিপিএলে এখনো জয়ের দেখা পেল না খুলনা টাইটানস। কাল ম্যাচ টাই করে সুপার ওভারে গিয়েও পরাজয়। টানা চার ম্যাচ হারায় দলের অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহর মন খারাপ। সেই বিমর্ষতার ছাপ ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনেও।

 

প্রশ্ন : শেষ ওভার বোলিং করে বিপিএলে একাধিক ম্যাচ জিতিয়েছেন আপনি। তবু নিজে না এসে আজ শেষ ওভার কেন আরিফুলকে দিলেন?

মাহমুদ উল্লাহ : আমার মনে হয়েছে, ওই সময় অফস্পিনটা হয়তো বা একটু কঠিন হতো। শেষ ওভারে ১৯ রান দরকার, আমি ভাবলাম আরিফই ভালো হবে। কিন্তু হয়নি দুর্ভাগবশত।

প্রশ্ন : বিপিএলের প্রথম সুপার ওভার কেমন মনে হলো?

মাহমুদ : জিততে পারলে ভালো লাগত অবশ্যই। কেউ আসলে সুপার ওভার চায় না। কোনো অধিনায়কই সুপার ওভার খেলতে চাইবে না। আসলে আমাদের ১ ওভারে ১৯ রান ডিফেন্ড করা উচিত ছিল। সুপার ওভারেও ১২ রান তাড়া করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা পারিনি। এখন টুর্নামেন্টটি আমাদের কঠিন হয়ে গেছে। বাকি আট ম্যাচের মধ্যে আমাদের পাঁচ থেকে ছয়টি ম্যাচ জিততেই হবে।

প্রশ্ন : সুপার ওভারে দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে শুধু মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের। বাকি সবাই বিদেশি। এখানে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার থাকে নাকি বাংলাদেশিদের ওপর ফ্র্যাঞ্চাইজিদের বিশ্বাস থাকে না?

মাহমুদ : এটি টিম ম্যানেজমেন্টের বিষয়। আমার কাছে মনে হয়েছে স্টার্লিং অফসাইডে খুব ভালো, মালানও শক্তিশালী। আমরা সবাই ব্রাথওয়েটের ব্যাপারে জানি। সব কিছু মিলিয়ে তাদের নির্বাচন করা হয়েছে। তিন নম্বরে আমিও যেতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে স্টার্লিং বেশি ভালো। আর কোপ আপের কথা বললে, সুপার ওভারে কোপ আপের কিছু নেই। এখানে ‘কোপাও’ অপশনে যেতে হবে!

প্রশ্ন : মাঠে আপনাকে সেভাবে রেগে যেতে দেখা যায় না। আজ বোলারের ওপর রাগতে দেখা গেল। চাপের কারণেই কি তা হয়েছে?

মাহমুদ : নাহ্, চাপ তো গত ১১-১২ বছর ধরে অনেক নিয়েছি। হয়তো বা আজ কিছুটা উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম। কাজটা উচিত হয়নি। কারণ তা হয়তো খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলে। চেষ্টা করব পরবর্তী সময়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখার।

 



মন্তব্য