kalerkantho


শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে শুরু বাংলাদেশের

২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে শুরু বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের গণ্ডি পেরিয়ে এবার বড় পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ তাদের প্রতিপক্ষ মহিলা ফুটবলের বড় পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই আজ সামর্থ্যের প্রমাণ রাখতে হবে মেয়েদের। তাজিকিস্তানের দুশানবেতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়।

 

এই তো কিছুদিন আগেই নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা ঘরে তুলেছে মিসরাত, তহুরারা। গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলের মেয়েদের ফুটবলে মোটামুটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে গোলাম রব্বানী ছোটনের মেয়েরা। এখন সময় এসেছে পরের স্তরে নিজেদের সামর্থ্য দেখানো। আর সেই কাজটি শুরু হচ্ছে আজ থেকে। এই আসরে তিনবার চূড়ান্ত পর্বে খেলা দক্ষিণ কোরিয়া শিরোপা জিতেছে দুইবার। যদিও গত আসরটি ভালো কাটেনি তাদের। বিদায় নিতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। এর পরও ধারে-ভারে কোরিয়াকে এগিয়ে রাখতেই হচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলা না হলেও, বছর দুয়েক আগে কোরিয়া অনূর্ধ্ব-১৬ দলের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে ৬-০ গোলে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে লাল-সবুজের মেয়েদের। এসব বিবেচনায় আজ জয় নয় বরং ১ পয়েন্ট পাওয়াই হবে বাংলাদেশের জন্য বড় প্রাপ্তি। অভিজ্ঞ কোচ ছোটন অবশ্য আস্থা রাখছেন তাঁর শিষ্যদের ওপর। গত কয়েক বছর বিরামহীন প্রস্তুতি এবং বেশ কিছু আন্তর্জাতিক আসরে সাফল্য পাওয়ায় আস্থার জায়গাটা তৈরি হয়েছে এই কোচের মধ্যে, ‘গ্রুপে প্রতিটি দলই ভালো। তবে আমরা এখানে এসেছি এক বছরের বেশি সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে। মেয়েরা সবাই খেলার মধ্যেই আছে। কিছুদিন আগেই আমরা সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ শিরোপা জিতেছি। মেয়েরা জানে তাদের কিভাবে খেলতে হবে।’

ছোটনের এই দলে আছে বেশ কিছু অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সী ফুটবলার, যারা এরই মধ্যে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাই পর্বের প্রথম ধাপ পেরিয়েছে গ্রুপসেরা হয়ে, ‘দলে এমন কিছু খেলোয়াড় আছে, যাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলার বিস্তর অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা সেই অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে করেই আজ মাঠে নামব। লক্ষ্য অবশ্যই জয়, তবে সামর্থ্য বিচারে ড্র হলেও বড় প্রাপ্তি হবে আমাদের জন্য।’

এই আসরের বাছাই পর্বের প্রথম ধাপে ছয়টি গ্রুপের সেরারা পৌঁছে যাবে দ্বিতীয় ধাপে। এ ছাড়া ছয় গ্রুপের মধ্য থেকে সেরা দুটি গ্রুপ রানার্স-আপও পাবে পরের ধাপে খেলার সুযোগ। বাংলাদেশও চায় সেরা রানার্স-আপ হয়ে দ্বিতীয় স্তরে নাম লেখাতে।



মন্তব্য