kalerkantho



চাপে থাকবে পাকিস্তান

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চাপে থাকবে পাকিস্তান

আজ অঘোষিত সেমিফাইনাল। বাংলাদেশ-পাকিস্তান যে দলই জিতবে টিকিট পাবে এশিয়া কাপ ফাইনালের। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কিনা খোদ পাকিস্তানি কোচ মিকি আর্থার আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দেখেছেন সরফরাজ আহমেদদের। তাঁর সঙ্গে গলা মেলালেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরামও। দুবাইয়ে টি-টোয়েন্টি লিগের এক অনুষ্ঠানের ফাঁকে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি, ‘পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দেখে মনে হচ্ছে ওরা ভয় পেয়ে খেলছে।’

পাকিস্তান এশিয়া কাপে এসেছে অন্যতম ফেভারিট হয়ে। আরব আমিরাতে নিজেদের ‘হোম’ ম্যাচগুলো খেলায় কন্ডিশন সম্পর্কেও ভালো ধারণা আছে তাদের। এর পরও ভারতের বিপক্ষে হতশ্রী ছিল পাকিস্তান। দুটো ম্যাচই হেরেছে একতরফা। আজ পাকিস্তান কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে? ওয়াসিম আকরাম জানাচ্ছেন, ‘বাংলাদেশ অনেক ভালো দল। পাকিস্তানের জন্য মোটেও সহজ হবে না ম্যাচটা। আমাদের যেসব ক্রিকেটার আছে, তাদের নিয়েই লড়তে হবে। তবে শরীরী ভাষার উন্নতি করতে হবে। আগের ম্যাচে ফখর জামানের গ্লাভসে বল লেগে আম্পায়ার দিয়েছেন এলবিডাব্লিউ; কিন্তু রিভিউ নেয়নি ও। ক্রিজের অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানও ইঙ্গিত দেয়নি। এটা হয়েছে দল প্রচণ্ড চাপে থাকার কারণে।’

পাকিস্তানের সাবেক আরেক অধিনায়ক সেলিম মালিকও একহাত নিয়েছেন সরফরাজ আহমেদের দলের। ভারতের কাছে টানা দুই ম্যাচে অসহায় হার মানতে পারছেন না তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে সব শেষ তিন ওয়ানডেতে হেরেছে পাকিস্তান। এর পরও অবশ্য মাশরাফির দলকে এগিয়ে রাখছেন না মালিক, ‘আমার মনে হয় এখনো বাংলাদেশের চেয়ে ভালো দল পাকিস্তান। তবে আগে পাকিস্তানে এমন অনেক ক্রিকেটার ছিলেন, যাঁরা বিপদের মুখে শক্ত হাতে হাল ধরতেন। এই দলে তেমন কাউকে দেখছি না। ব্যাটিংটা হয়ে পড়েছে বাবর আজম ও শোয়েব মালিকনির্ভর।’

বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ধারাবাহিক ছিল না মোটেও। শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে শুরু। এরপর আত্মসমর্পণ আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে। সুপার ফোরে আফগানদের হারাতেও ঘাম ঝরেছে। এই ব্যর্থতাটা সাময়িক বলছেন ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। পুনেতে নিজের প্রকাশিত বই ‘অ্যা সেঞ্চুরি ইজ নট এনাফ’-এর প্রচারে এসে বাংলাদেশ নিয়ে জানালেন, ‘এটা খুব সাময়িক। একটা খারাপ সময় এসেছে, দ্রুতই ওরা ভালো খেলবে। নিজেদের ফিরে পাবে। দল হিসেবে বাংলাদেশ তো খারাপ না।’ নিজেদের ব্র্যান্ডের ভালো ক্রিকেটের অপেক্ষাতেই আজ বাংলাদেশ। পিটিআই



মন্তব্য