kalerkantho


কেলেঙ্কারি পেছনে ফেলে নতুন অস্ট্রেলিয়া

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



কেলেঙ্কারি পেছনে ফেলে নতুন অস্ট্রেলিয়া

বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি ভালো ঝাঁকুনিই দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটকে। নিষিদ্ধ হয়েছেন স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, ক্যামেরন ব্যানক্রফটরা। দক্ষিণ আফ্রিকায় দুঃস্বপ্নের সেই সিরিজ শেষে আবারও টেস্টে ফিরছে তারা। তাও একেবারে নতুন এক দল নিয়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে অক্টোবরে হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজ দলের অধিনায়ক টিম পাইন। এ দলে নতুন মুখই পাঁচজন! পাঁচজন নতুন ক্রিকেটার নিয়ে দল গড়াটা অস্ট্রেলিয়ান ইতিহাসেই বিরল।

টেস্টে নতুন ডাক পাওয়াদের অন্যতম অ্যারন ফিঞ্চ। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা ফিঞ্চের এত দিন টেস্ট না খেলাটা বিস্ময়ের। ৯৩ ওয়ানডে আর ৪২ টি-টোয়েন্টি খেলা ফিঞ্চের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটিং গড় ৩৬.১৫। সেঞ্চুরি আছে ৭টি, সর্বোচ্চ ইনিংস ২৮৮। ৩১ বছর বয়সে তাঁকে টেস্ট দলে দেখে সাফল্য নিয়ে আশাবাদী নতুন কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার, ‘ফিঞ্চ অনেক দিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। আশা করছি মাইক হাসি, জর্জ বেইলি আর ব্র্যাড হজের মতো টেস্টে প্রভাব ফেলতে পারবে ও।’

ফিঞ্চের সঙ্গে দলে নতুন আসা আরো চারজন মাইকেল নেসার, মারনাস ল্যাবুসচাগ্নে, ব্রেন্ডন ডগেট ও ট্রাভিস হেড। ফেইথ থমাস ও জেসন গিলেস্পির পর তৃতীয় আদিবাসী ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট দলে ডাক পেলেন ডগেট। আরব আমিরাতের স্পিনবান্ধব উইকেটে খেলা হলেও সুযোগ পাননি গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। নতুন এই দল নিয়ে প্রধান নির্বাচক ট্রাভিস হেডের ব্যাখ্যা, ‘অনেক খেলোয়াড়কে পাচ্ছি না নানা কারণে। এ জন্যই টেস্ট দলে বড় পরিবর্তন। আমরা মনে করি, এই দলের সামর্থ্য আছে অস্ট্রেলিয়ার ব্র্যান্ড ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার। অভিজ্ঞ আর তারুণ্য মিলিয়ে দলটা দারুণ আমাদের।’

নতুনদের সুযোগ দেওয়ার চেয়ে বেশি বিতর্ক হচ্ছে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে বাদ দেওয়া নিয়ে। রিকি পন্টিং মানতে পারছেন না এটা, ‘আমি ম্যাক্সওয়েলের জায়গায় থাকলে নিজেকে প্রশ্ন করতাম দলে নেই কেন?’ এএফপি

 



মন্তব্য