kalerkantho


সেমিফাইনালে নাদাল-সেরেনা

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সেমিফাইনালে নাদাল-সেরেনা

তারকাপতনের ইউএস ওপেনের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন রাফায়েল নাদাল ও সেরেনা উইলিয়ামস। পৌনে পাঁচ ঘণ্টার ঘাম ঝরানো লড়াই শেষে নাদাল হারিয়েছেন ডমিনিক থিয়েমকে আর সেরেনা সরাসরি সেটে হারিয়েছেন ক্যারোলিন প্লিসকোভাকে।

গরমের কাছে পরাস্ত হয়েই জন মিলম্যানের কাছে হার মানতে বাধ্য হয়েছিলেন রজার ফেদেরার। সবশেষ ইউএস ওপেন জয়ের এক দশক পূর্তিটা শিরোপা জিতে স্মরণীয় করে রাখার বদলে অন্য রকমভাবেই মনে থাকবে ‘ফেডেক্স’এর। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাফায়েল নাদালও পৌঁছে গিয়েছিলেন ছিটকে পড়ার দ্বারপ্রান্তে। গোল তবে মাঝখানটা খালি, এ রকম এক ধরনের রুটিকে বলা হয় ‘বেগেল’। টেনিসে আবার এই শব্দটার অন্য মানে! কেউ ৬-০ গেমে হারলে সেটাকে বলে ‘বেগেল’, প্রথম সেটটা নাদাল ৬-০তেই হেরেছিলেন থিয়েমের কাছে। অমন একপেশে হারের পরই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু নাদালের। পরের দুটি সেট জিতে নেন ৬-৪ ও ৭-৫ গেমে। এরপর আবার হার, টাইব্রেকারে ৬-৭ (৪/৭) গেমে। ফলে খেলা গড়ায় পঞ্চম সেটে। সেখানেও টাইব্রেকার, অবশেষে নিষ্পত্তি ৭-৬ (৭/৫) গেমে। ৪ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট স্থায়ী দ্বৈরথ শেষ হতে হতে নিউ ইয়র্কের ঘড়িতে রাত ২টা বেজে ৪ মিনিট। ইউএস ওপেনে নিজের দীর্ঘতম ম্যাচ খেলার পর নাদাল তাঁর ১৮তম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা ও নিউ ইয়র্কে চতুর্থ গ্র্যান্ড স্লাম জয় থেকে আর মাত্র দুই ম্যাচ দূরে। এই বছরই ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ডমিনিক থিয়েমকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিলেন নাদাল, সেই তাঁকে হারিয়েই পা রাখলেন ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে। অস্ট্রিয়ান এই খেলোয়াড়ের জন্য খানিকটা দুঃখই হচ্ছে নাদালের, ‘ডমিনিককে বলেছি, আমি দুঃখিত। সে খুবই ভালো একজন মানুষ, ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আশা করি ওর সামনে অনেক সুযোগ আসবে। সে দারুণ একজন যোদ্ধা।’ থিয়েম ১৮টি ‘এইস’ আর ৭৪টি ‘উইনার’ মারলেও ‘আনফোর্সড এরর’ করেছেন ৫৮টি। সেখান থেকেই শিক্ষা নিচ্ছেন থিয়েম, ‘এই ভুলগুলো আমার মনে গেঁথে থাকবে। আমি আজীবন এই ম্যাচের কথা মনে রাখব। কখনো কখনো টেনিস অনেক নিষ্ঠুর কারণ এই ম্যাচে হার আমার পাওনা ছিল না। কিন্তু কখনো কখনো একজনকে হারতেই হয়।’ ওদিকে জন ইসনারকে হারিয়ে সেমিতে পা রেখেছেন হুয়ান মার্তিন দেল পোত্রো আর স্লোন স্টিফেনসকে হারিয়ে মেয়েদের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন আনাস্তাসিয়া সভেতসভা। এএফপি



মন্তব্য