kalerkantho


বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পুনর্মিলনী

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পুনর্মিলনী

রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছে ফরাসিরা। ১৯৯৮ সালে নিজ দেশে ট্রফি জয়ের ঠিক ২০ বছর পর। ১৫ জুলাই মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামের ওই কীর্তির পর থেকে জাতীয় দলে ‘ছুটি’ আঁতোয়ান গ্রিয়েজনমান, পল পগবা, কিলিয়ান এমবাপ্পেদের। সে ছুটি শেষ হয়েছে; আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলবে দলটি। এরই প্রস্তুতি নিতে ক্ল্যারেফঁতেনে জড়ো হন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফুটবলাররা। বিশ্বকাপ জয়ের পর গত পরশুই প্রথমবারের মতো একত্র সব তারকা।

 

প্যারিসের ঠিক বাইরে ক্ল্যারেফঁতেন; ফ্রান্স ফুটবলের জাতীয় টেকনিক্যাল সেন্টার। জাতীয় দলের অনুশীলনের বেইস ক্যাম্প তা। পরশু সেখানে প্রথমবারের মতো পুনর্মিলনী বিশ্বকাপজয়ীদের। ফ্রান্স ফুটবল দলের ওই মিলনমেলায় যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাবে, সেটিই তো স্বাভাবিক।

রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছে ফরাসিরা। ১৯৯৮ সালে নিজ দেশে ট্রফি জয়ের ঠিক ২০ বছর পর। ১৫ জুলাই মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামের ওই কীর্তির পর থেকে জাতীয় দলে ‘ছুটি’ আঁতোয়ান গ্রিয়েজনমান, পল পগবা, কিলিয়ান এমবাপ্পেদের। সে ছুটি শেষ হয়েছে; আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলবে দলটি। এরই প্রস্তুতি নিতে ক্ল্যারেফঁতেনে জড়ো হন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফুটবলাররা। বিশ্বকাপ জয়ের পর গত পরশুই প্রথমবারের মতো একত্র সব তারকা।

ফ্রান্স ফুটবলের হেডকোয়ার্টারে দিদিয়ের দেশমের দলকে স্বাগত জানানো হয় দুই তারকাখচিত গালিচায়। ফ্রান্সের দুটি বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক তা। এর চেয়েও কম স্মারক এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে সেখানে। বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফির বিশাল এক ভাস্কর্য যে খোদাই করা সেখানে। সে ট্রফি জড়িয়ে ধরে ছবি তোলায় সে কী উচ্ছ্বাস ফ্রান্সের ফুটবলারদের!

তাঁদের পুনর্মিলনীর একটি ভিডিও এখন ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। যার শুরু ফ্লোরিয়ান তুঁভা ও বেঞ্জামিন মেন্দির হাসিতে। এরপর থমাস লেমারকে দেখা যায় জিব্রিল সিদিবের সঙ্গে কোলাকুলিতে। থিও এর্নান্দেস সেখানে প্রবেশ করতেই চিৎকারে তাঁকেও জানানো হয় স্বাগত। অলিভিয়ের জিরু ও গ্রিয়েজমান রুমে ঢোকেন। তাঁদের চোখেমুখেও রোমাঞ্চের ঝিলিক। এমবাপ্পে আসতেই তাঁকে জড়িয়ে ধরে স্বাগত দেশমের। বিশ্বকাপ জয়ে বড় অবদান ওই ফরোয়ার্ডের; মাত্রই আবার মনোনীত হয়েছেন ‘গোল্ডেন বয়’ পুরস্কারের তালিকায়। প্রথম ফুটবলার হিসেবে দ্বিতীয়বার তা জয়ে ফেভারিট এমবাপ্পেই। কোচের কাছ থেকে আগাম অভিনন্দনই হয়তো পেয়েছেন তাই।

দেশম বুকে টেনে নেন মিডফিল্ডার এনগোলো কান্তেকেও। ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ে রক্ষণভাগের হৃৎপিণ্ড হয়ে থাকা রাফায়েল ভারান ও স্যামুয়েল উমতিতি শুভেচ্ছা জানান একে অন্যকে। আর সবচেয়ে সেখানে প্রবেশ পগবার। তাঁর মুখেও হাসির ফোয়ারা।

বিশ্বকাপজয়ীরা আবার একত্র হয়েছেন—ওখানে এমনই তো হওয়ার কথা। মেইল



মন্তব্য