kalerkantho


সুপার কাপ অ্যাতলেতিকোর

১৭ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



সুপার কাপ অ্যাতলেতিকোর

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও জিনেদিন জিদান-পরবর্তী সময়টায় মানিয়ে নেওয়াটা যে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের জন্য কঠিন হবে, সেটা অনুমিতই ছিল। কিন্তু তাই বলে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে ৪-২ গোলের হার! অতিরিক্ত সময়ে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ দুইবার বল পাঠিয়েছে রিয়ালের জালে। রোনালদোবিহীন রিয়ালকে দেখিয়েছে ছন্নছাড়া, অন্যদিকে লিগে গত মৌসুমে রানার্স-আপ হওয়া অ্যাতলেতিকো যে এবার আরো শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবেই আবির্ভূত হবে, সেই আভাসও দিয়ে রাখল ডিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা।

তাল্লিনে ম্যাচের মাত্র ৫২ সেকেন্ডে গোল হজম করে বসে রিয়াল। ডিয়েগো গোদিনের বাড়ানো নিরীহদর্শন লং বলটা হেড করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি কোস্তা, বলটা পড়ল সামনে। সের্হিও রামোসের পাহারা এড়িয়ে নিজেই বলটা গিয়ে আবার ধরলেন, এরপর দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শটে বল পাঠিয়ে দিলেন জালে! ২৭ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলের দেখা পেয়ে যায় রিয়াল, বেলের ক্রসে বেনজেমার হেডে স্কোরলাইন হয় ১-১।৬৩ মিনিটে হুয়ানফ্রানের হ্যান্ডবলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে রামোস গোল করে সমতা ভেঙে রিয়ালকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন। খেলার বাকি আর মিনিট ত্রিশেক, লিডটা ধরে রাখতে পারলেই তো কাপ রিয়ালের! কিন্তু গল্পটা এভাবেই শেষ হলো না। ৭৯ মিনিটে জটলার ভেতর থেকে কোস্তা আরেকটি গোল দিয়ে খেলায় ২-২ গোলে সমতা ফিরিয়ে আনলেন। অগত্যা ৯০ মিনিট পর অতিরিক্ত আরো ৩০ মিনিট খেলা। সেখানে ৯৮ মিনিটে সাউল নিগুয়েজের ভলি থেকে করা গোল আর মিনিট ছয়েক পর কোকের গোলে নিশ্চিত হয়ে যায় অ্যাতলেতিকোর জয়।

২০১২ সালে অ্যাতলেতিকো ৪-১ গোলে  চেলসিকে হারিয়ে উয়েফা সুপার কাপ জিতেছিল। তখনো কোচ ছিলেন সিমিওনে। অর্ধযুগ পর, অ্যাতলেতিকোর তৃতীয় উয়েফা সুপার কাপ জয়ী কোচও এই আর্জেন্টাইন। অন্য সুপার কাপ শিরোপাটি অ্যাতলেতিকো জিতেছিল কুয়েকুয়ে সানচেস ফ্লোরেসের সময়ে, ২০১০ সালে। এই নিয়ে সিমিওনে সাতটি শিরোপা জেতালেন অ্যাতলেতিকোকে, তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ছয় শিরোপা জেতানো লুই আরাগোনেসকে। তাই সিমিওনেই এখন অ্যাতলেতিকোর সফলতম কোচ। স্কাই স্পোর্টস



মন্তব্য