kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

অলিম্পিয়াডের আগে একটি টুর্নামেন্ট খেলতে চাই

১৬ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



অলিম্পিয়াডের আগে একটি টুর্নামেন্ট খেলতে চাই

লাটভিয়ান গ্র্যান্ডমাস্টার ইগর রাউসিসের অধীনে অলিম্পিয়াডের প্রস্তুতি চলছে দাবাড়ুদের। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে মেয়েদের প্রস্তুতি আপাতত বন্ধ থাকলেও ছেলেরা নিয়ম করে বসছেন রাউসিসের ক্লাসে। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন বলেছেন এই প্রস্তুতি নিয়ে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আগামী মাসেই অলিম্পিয়াড, আপনাদের প্রস্তুতি এখন কোন পর্যায়ে?

এনামুল হোসেন : প্রস্তুতি মাঝামাঝি পর্যায়ে আছে বলা যায়। ওপেনিং, মিডল গেম, ইন্ড গেম—অর্থাৎ সব দিকেই কাজ হচ্ছে। অলিম্পিয়াড যত কাছে আসবে আমাদের প্রস্তুতিতে তত গতি আসবে আশা করি। ২৩ তারিখে তো শুরু অলিম্পিয়াড, সেটা মাথায় রেখে আমরা যেভাবে সূচি সাজিয়েছি সেই মতোই চলছে সব।

প্রশ্ন : কোচিংটা কিভাবে হচ্ছে? দিনে কয়টা সেশন বা কেমন সময় দিচ্ছেন?

এনামুল : দিনে দুটি সেশন হচ্ছে। সকালে একটি একক সেশন থাকে। যেখানে শুধু একজন দাবাড়ুকে রাউসিস সময় দেন। বিকেলে আবার পুরো দল নিয়ে একসঙ্গে কাজ হয়। আমরা তিন গ্র্যান্ডমাস্টার—আমি, জিয়া ভাই (জিয়াউর রহমান) ও রাকিব (আব্দুল্লাহ আল রাকিব), সঙ্গে খন্দকার আমিনুল ও ফাহাদ রহমান আছে দলে। এর বাইরে দুই আন্তর্জাতিক মাস্টার মিনহাজউদ্দিন আহমেদ ও আবু সুফিয়ানও অনুশীলন করছে আমাদের সঙ্গে। ধানমণ্ডিতে এলিগেন্ট চেস একাডেমিতে আমরা ক্লাস করছি। ওখানেই আরেকটা তলায় রাউসিস থাকেন। জায়গাটা শান্ত। ফেডারেশনে তো সব সময় লোকজনের সমাগম থাকে। সে তুলনায় ধানমণ্ডিতে আমরা নির্বিঘ্নেই অনুশীলন করতে পারছি।

প্রশ্ন : রাউসিসকে তো লম্বা সময় পর পেলেন। কী কী পরিবর্তন হয়েছে এর মধ্যে?

এনামুল : দুই তরফেই অনেক কিছু বদলে গেছে। ২০০২-এ সম্ভবত সর্বশেষ পেয়েছিলাম উনাকে। তখন জিয়া ভাই ছাড়া (নিয়াজ মোরশেদ বাদে) আমরা কেউ গ্র্যান্ডমাস্টার হইনি। রাউসিসও তখন যে মানের দাবাড়ু ছিলেন তার চেয়ে অনেক ওপরে উঠে গেছেন এখন। বিশ্বের ১০০ দাবাড়ুর মধ্যে একজন এখন উনি। স্বাভাবিকভাবে আমাদের কোচিংও হচ্ছে এখন হাই লেভেলে। রাউসিস এরই মধ্যে আরব আমিরাত, ইরানসহ বেশ কয়েকটি জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার এখানে এসেছেন তিনি।

প্রশ্ন : আপনাদের উন্নতিটা কেমন বুঝতে পারছেন?

এনামুল : দাবায় উন্নতিটা সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যাবে এমন নয়। ২০১৪ অলিম্পিয়াডের আগে টিভিয়াকভের সঙ্গে আমরা কাজ করেছিলাম। তখন উন্নতিটা দেখা না গেলেও পরবর্তীতে সেটা আমরা বুঝতে পেরেছি। আর এখন তো আমরা শুধু অলিম্পিয়াড লক্ষ্য ধরেই কোচিংটা করছি। নিজেদের অবস্থাটা বুঝতে পারব জর্জিয়া যাওয়ার আগে একটি টুর্নামেন্ট খেলতে পারলে। ফেডারেশনকে সেটা আমরা জানিয়েছিও।

প্রশ্ন : এবার লক্ষ্য কী আপনাদের?

এনামুল : এবার অন্তত ৫০-এর মধ্যে ঢুকতে চাই আমরা।



মন্তব্য