kalerkantho


নেপালকে হারিয়ে ভুটানের সামনে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করা তহুরা কালও প্রথম এগিয়ে নিয়েছিল বাংলাদেশকে

১৪ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



নেপালকে হারিয়ে ভুটানের সামনে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গোলের সংখ্যা কমেছে; কিন্তু বাংলাদেশের মেয়েদের দাপট কমেনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে গোলোত্সব করার পর কাল তারা ৩-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় নিয়ে পৌঁছে গেছে সেমিফাইনালে। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামী ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ খেলবে ভুটানের বিপক্ষে। গতকাল এ গ্রুপের খেলায় ভুটান ০-১ গোলে ভারতের কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েছে।

প্রথমার্ধটা কঠিন কেটেছে বাংলাদেশের। তাদের পায়ে পজেশন থাকলেও তালগোল পাকিয়ে ফেলছিল প্রতিপক্ষের গোলমুখে গিয়ে। নেপালের রক্ষণাত্মক খেলার পাশাপাশি ভালো হচ্ছিল না বাংলাদেশের মেয়েদেরও ফাইনাল পাসটা। তাই গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইম পর্যন্ত। ইনজুরির প্রথম মিনিটে ডান দিক থেকে মারিয়া মাণ্ডার ক্রসে তহুরার হেড জালে জড়িয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপরই নেপাল খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আক্রমণ করে খেলার চেষ্টা করে। তাতে তহুরা-মারিয়াদের জন্য সহজ হয়ে যায় প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ, খেলার জায়গা পায় অনেক। তাই বিরতির পরের ভাগটা বাংলাদেশি বল-প্লেয়ারদের নৈপুণ্যে ভাস্বর হয়। ৫১ মিনিটে পেয়ে যায় দ্বিতীয় গোল। ডান দিক থেকে তহুরার শট নেপালি ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁইয়ে বক্সের বাইরে পড়তেই অধিনায়ক মারিয়া মাণ্ডা বাঁ পায়ের সুন্দর এক শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ৬৭ মিনিটে পায় শেষ গোলটি। এটি সাজেদার খাতুনের বুদ্ধি আর ক্ষিপ্রতার ফসল। আঁখির লং বলটি এক নেপালি ডিফেন্ডার ছেড়ে দেয় গোলরক্ষকের জন্য। গোলরক্ষকও এগিয়ে আসে; কিন্তু তার আগেই সাজেদা পেছন থেকে দৌড়ে ওই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বাঁ পায়ের টোকায় বল পাঠিয়ে দেয় নেপালের জালে। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে সে করেছিল দুই গোল। এরপর ম্যাচে তাদের আধিপত্য বজায় থাকলেও গোল বাড়াতে পারেনি। তাতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে কোনো সমস্যা হয়নি মেয়েদের।

এই জয়ে খুশি বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। তবে প্রথমার্ধে মেয়েদের খেলা তাঁর মন ভরাতে পারেনি, ‘নেপালিরা তখন রক্ষণাত্মক হয়ে খেলেছে, তাতে আমাদের মেয়েদের একটু সমস্যা হয়েছে। তবে তারা গোলের সুযোগও পেয়েছিল, ভালো ফিনিশ করতে পারেনি। গোল না পাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক খেলাও খানিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। গোল পাওয়ার পর আবার তারা ছন্দে ফেরে এবং ভালো খেলতে থাকে।’



মন্তব্য