kalerkantho



রোনালদোর পথে বেনজেমাও!

২২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



রোনালদোর পথে বেনজেমাও!

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো মাদ্রিদ থেকে পাড়ি জমিয়েছেন তুরিনে, লা লিগা থেকে সিরিএতে। রিয়াল মাদ্রিদের ‘বিবিসি’র ভাঙনে এই ত্রয়ীর আরেকজন, করিম বেনজেমাও কি পথ খুঁজছেন বার্নাব্যু ছাড়ার? প্রভাবশালী স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ‘এএস’-এর খবর, ইতালির পথে বেনজেমাও। এসি মিলানের কোচ জেনারো গাত্তুসোর সঙ্গে বেনজেমার কথা হয়েছে এবং তিনি সম্মতও হয়েছেন, এমনটাই খবর এএসের।

রোনালদোর রিয়াল ছাড়ার পর বেনজেমারও একই পথের পথিক হওয়ার সম্ভাবনাটা নতুন নয়। শোনা যাচ্ছিল তাঁকে নিতে আগ্রহী নাপোলি। তবে শুক্রবার, উয়েফার অর্থব্যয় নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে এসি মিলানের ওপর আরোপিত ইউরোপা লিগে খেলার নিষেধাজ্ঞাটা উঠে যায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে। ফলে এসি মিলান পেয়ে যায় ইউরোপা লিগের টিকিট, কর্তারাও তৎপর হয়ে ওঠেন বাড়তি একটি আসরের জন্য দলটাকে শক্তিশালী করতে। কিছুদিন আগে, গাত্তুসোই যোগাযোগ করেন বেনজেমার সঙ্গে। আলাপ-আলোচনার একপর্যায়ে বেনজেমা এসি মিলানে আসতে সম্মতি জানান। তাঁর বার্ষিক বেতন হবে রিয়ালে যা পাচ্ছেন সেটাই, ৯ মিলিয়ন ইউরো। তবে চুক্তির মেয়াদটা রিয়ালের চেয়ে এক বছর বেশি। রিয়ালের সঙ্গে তাঁর চুক্তি ২০২১ সাল পর্যন্ত, এসি মিলানের প্রস্তাবে সেটা ২০২২। এখন সবই নির্ভর করছে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের ওপর। তবে স্কাই স্পোর্টসের ইতালিয়ান সংস্করণ স্কাই ইতালিয়ার দাবি, পথের কাঁটা হবেন না পেরেজ।

বেলজিয়ামের গণমাধ্যমের খবর, চেলসি ছেড়ে এডেন হ্যাজার্ডের রিয়াল মাদ্রিদে চলে আসাটা এখন স্রেফ সময়ের ব্যপার। একটি পত্রিকায় তো আগ বাড়িয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১৯০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে রিয়ালে আসছেন হ্যাজার্ড। তবে বেশির ভাগ গণমাধ্যমের খবর হচ্ছে, হ্যাজার্ডের বাবা ও ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ প্রাথমিক আলাপটা সেরে ফেলেছেন, এখন দর-কষাকষির দ্বিতীয় ধাপে অগ্রসর হবে দুই পক্ষ। শুধু হ্যাজার্ডই নন, ইংল্যান্ডের দুই ডিফেন্ডার কিয়েরন ট্রিপিয়ের ও হ্যারি ম্যাগুয়ারকে নিতেও আগ্রহী রিয়াল, এমন খবর ইংল্যান্ডের গণমাধ্যমে।

রিয়াল মাদ্রিদ যখন একের পর একে তারকা ফুটবলারদের ছাড়ছে, তখন বার্সেলোনা চাইছে ব্রাজিলের উইলিয়ানকে। চেলসির উইঙ্গার উইলিয়ানের জন্য তৃতীয় দফায় দাম প্রস্তাব করেছে বার্সেলোনা, এবারে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ড। তবে শুধু দরদামে বনলেই চলবে না, উইলিয়ানকে নিতে গেলে বার্সেলোনাকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাইরের একজন খেলোয়াড়ও কমাতে হবে দল থেকে, যাঁর জায়গাটায় আসতে পারবেন উইলিয়ান। ফিলিপে কৌতিনিয়ো, আর্থার মেলো ও ইয়েরি মিনা, এই তিনজনের নেই ইউরোপিয়ান পাসপোর্ট। তবে কৌতিনিয়োর স্ত্রী পর্তুগিজ, সেই সূত্রে পর্তুগিজ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছিলেন কৌতিনিয়ো। তাঁর পাসপোর্টটা হয়ে গেলেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাইরের আরেকজন ফুটবলারকে দলে নিতে পারবে। এএস



মন্তব্য