kalerkantho



যেখানে আলাদা সাকিব আর সালমারা

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



যেখানে আলাদা সাকিব আর সালমারা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ২০০৮ সালে যখন আনসারের চাকরিতে যোগ দেন তিনি, তখন বাংলাদেশে মেয়েদের ক্রিকেটের সবে শুরু। খেলার সুযোগও তেমন ছিল না। আনসারের হয়ে পান্না ঘোষ তাই ভলিবলই খেলে বেড়াতেন। এই খেলায় তাঁর ভূমিকাটা সব সময়ই ‘স্ম্যাশার’-এর। ভলিবলের সেই ‘স্ম্যাশ’ ইদানীং ক্রিকেটেও করছেন এই পেসার। নেদারল্যান্ডসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফাইনালে তাঁর ১৬ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার সাফল্যই তো আয়ারল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়ে শিরোপা তুলে দিয়েছে সালমা খাতুনের হাতে।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ জেতার পর বাছাই পর্বের শিরোপা নিয়ে গতকাল ভোরে দেশেও ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় পান্না দেশে ফিরে জানালেন তাঁর সাফল্যের রহস্যও, ‘উইকেট পাওয়ার জন্য তো আর বোলিং করিনি। চেয়েছি লাইন-লেন্থ ঠিক রাখতে। সেটি ঠিক থাকলে প্রতিপক্ষ রানের চাপে পড়ে মারতে গিয়ে উইকেট দেয়।’ দিয়েছে আইরিশ ব্যাটাররাও। তাই মাত্র ১২২ রান করেও ২৫ রানে জিতে মেয়েরা শিরোপা নিয়ে এমন সময়ে দেশে ফিরল, যখন ছেলেদের জাতীয় দল ডুবে ব্যর্থতার অন্ধকারে।

সাকিব আল হাসানের দলের সঙ্গে সালমার দলের একটি পার্থক্যও খুঁজে বের করলেন ফাহিমা খাতুন। বাছাই পর্বেই প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেন এই লেগস্পিনার। আবার ওয়ানডেতেও একমাত্র হ্যাটট্রিকটি আরেক লেগস্পিনার রুমানা আহমেদের। এখানেই ছেলেদের আর মেয়েদের দলের পার্থক্য দেখেন ফাহিমা, ‘ছেলেদের দলে এই অভাবটা অনেক দিন ধরেই। ওদের কোনো লেগস্পিনার নেই। আমাদের সৌভাগ্য যে মেয়েদের দলে দুইজন আছে। দুজনেই পারফরম করছে এবং সাফল্য পাচ্ছে।’



মন্তব্য