kalerkantho


শ্রেষ্ঠত্বের সুবাস পাচ্ছেন সুবাসিচ

১৫ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



শ্রেষ্ঠত্বের সুবাস পাচ্ছেন সুবাসিচ

ক্রোয়েশিয়ার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠায় সবচেয়ে বেশি অবদান কার? প্রশ্নটা তুলেছেন সাবেক ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষক জোয়ি দিদুলিকা। উত্তরটাও দিয়েছেন তিনিই, ‘এক কথায়, দানিয়েল সুবাসিচ।’

দাবিটা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয় মোটেই! এই বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠার পথে একটা রেকর্ডই করে বসেছে ক্রোয়াটরা—নক আউট পর্বের সবগুলো ম্যাচই অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত খেলেছে তারা। তাঁর প্রথম দুটি জিতেছে টাইব্রেকারে, আর প্রথমে ডেনমার্ক ও পরে রাশিয়ার বিপক্ষে সেই দুই ম্যাচেই নায়ক ছিলেন সুবাসিচ। শেষ ষোলোর ম্যাচে তো তিন তিনটি পেনাল্টি ঠেকিয়েছেন তিনি, ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের শটটি পাঞ্চ করে পাঠিয়েছেন বারে, ডানে ঝাঁপিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন লাসে স্কোনের শট আর এরপর নিকোলাইন ইয়র্গেনসেনের শট রুখেছেন পা দিয়ে। তবে টাইব্রেকারে তাঁর সেরা সেভটি ছিল রাশিয়ার বিপক্ষে। ওই দিন অসুস্থ শরীর নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন সুবাসিচ। এর পরও খেলেছেন পুরো ১২০ মিনিট, এবং সবশেষে টাইব্রেকারেও রেখেছেন সেই বিশ্বস্ততার ছাপ। রুশ স্ট্রাইকার ফেদর স্মোলোভ আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন তাঁকে বোকা বানাতে, আরেকটু হলে সফল হয়েই যাচ্ছিল সেই চেষ্টা। কিন্তু হয়নি, সুবাসিচকে ডান দিকে ঝাঁপাতে প্রলুব্ধ করে একেবারে শেষ মুহূর্তে সোজা শট নিয়েছেন স্মোলোভ, ডাইভ দিতে দিতেও সামলে নিয়ে উল্টো স্মলোভকেই স্তব্ধ করে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক।

তবে তাঁর কীর্তি কিন্তু শুধুই পেনাল্টি শ্যুট-আউটে নয়। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে মাত্র একটি গোল খেয়েছে ক্রোয়াটরা। নক আউট পর্বে এসে সেই রেকর্ডটা আর ঠিক থাকেনি, প্রতি ম্যাচেই গোল খেয়েছে তারা, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সেগুলোর জন্য সুবাসিচকে দায়ী করা যায়। বয়স ৩৩, কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুব্জ নন মোটেই, বরং অভিজ্ঞতার পুরোটাই কাজে লাগাচ্ছেন! দিদুলিকার মতো পূর্বসূরিরা তাই ফাইনালের আগেই ঘোষণা দিয়ে রাখছেন, এবার সোনালি গ্লাভস জোড়ার উপযুক্ত দাবিদার তিনিই! ফিফা ডটকম



মন্তব্য