kalerkantho



এমবাপ্পের স্বপ্নপূরণ

২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



এমবাপ্পের স্বপ্নপূরণ

ক্ষমা চেয়েছেন রিকার্দো গারেকাও। পেরুকে নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছিলেন তিনি। ৩৬ বছর পর লাতিন দেশটির বিশ্বকাপে আসার মূল কারিগরও গারেকা। কিন্তু টানা দুই ম্যাচ হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে পেরুর। গত পরশু ফ্রান্সের বিপক্ষে ভালো খেলেও হারতে হয়েছে ০-১ গোলে। এর দায়টা নিয়ে ক্ষমা চাইলেন গারেকা, ‘আমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল পেরুর মানুষ। সেটা পূরণ করতে পারিনি, তাই ক্ষমা চাইছি তাদের কাছে। এর চেয়ে অনেক ভালো খেলতে পারতাম আমরা।’

ফ্রান্সের জয়ের নায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে গত বিশ্বকাপটা বন্ধুদের সঙ্গে উপভোগ করেছেন টেলিভিশনে। এবার শুধু বন্ধুদের নয়, গোটা ফ্রান্সের স্বপ্নের প্রতীক তিনি। টিনএজারদের মধ্যে সময়ের সেরা ধরা হয় তাঁকে। সেটা যে এমনি এমনি নয় প্রমাণ করলেন আরো একবার। তাঁর একমাত্র গোলে পেরুকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ফ্রান্স। নিজে গোল করে দলকে সাহায্য করাটা তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ, ‘সব সময়ই বলে এসেছি, বিশ্বকাপ সব খেলোয়াড়ের জন্য স্বপ্ন। গোল করে দলকে সাহায্য করাটা স্বপ্নপূরণ, সেই স্বপ্নই সফল হয়েছে। আশা করছি বিশ্বকাপে এ রকম আরো ভালো দিন আসবে আমার।’

১৯ বছর ১৮৩ দিনে বিশ্বকাপে গোল করলেন এমবাপ্পে। এত কম বয়সে গোল নেই আর কোনো ফরাসির। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দাভিদ ত্রেজেগে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল করেছিলেন ২০ বছর ২৪৬ দিনে। জিতলেও ফ্রান্স মন ভরানো ফুটবল খেলতে পারেনি। তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্নও নন কোচ দিদিয়ের দেশম, ‘আমরা বিরতির পর খারাপ খেলেছি। পেরু আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিল এ সময়। বিরতির আগে দাপট ছিল আমাদেরই। সব মিলিয়ে আমি খুশি। ডেনমার্কের সঙ্গে শেষ ম্যাচটি জিততে চাই।’ লাতিন অঞ্চলের দলগুলোর বিপক্ষে সবশেষ সাত ম্যাচে কোনো গোল খায়নি ফ্রান্স। রেকর্ডটা ধরে রাখল এবারও। এএফপি



মন্তব্য