kalerkantho


দুয়ারে বিশ্বকাপ

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



দুয়ারে বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপের আমেজে মাতোয়ারা রাশিয়ানরা। কাজান শহরে মাসকট জাবিভাকার সঙ্গে উত্সুক পথচারিরা তুলছেন ছবি। ছবি : এএফপি

নাচোর প্রত্যাশা

ক্লাব ফুটবলে স্পেনের নাচো ফের্নান্দেস ও পর্তুগালের ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো সতীর্থ। কিন্তু বিশ্বকাপ তাঁদের একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। তাঁদের দল যে একই গ্রুপে। শুধু তা-ই নয়, গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে তারা। ওই ম্যাচে ফের্নান্দেস ম্যাচের শুরু থেকেই রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে খেলায় আমি শুরু থেকে মাঠে নামার সুযোগ পাব। তাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার দিকে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। কোচ জানে আমি শুরু থেকে খেলার যোগ্যতা রাখি। আমি সে জন্য প্রস্তুতও। প্রত্যেকে জানে আমি ফুলব্যাক হিসেবে খেলার তুলনায়  সেন্টারে খেলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি। ওই পজিশনে আমি বড় বড় ম্যাচও খেলেছি।’ ইএসপিএন

 

ফাব্রার জায়গায় দিয়াজ

অনুশীলনের সময় হাঁটুর ইনজুরিতে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া ডিফেন্ডার ফ্র্যাংক ফাব্রার জায়গায় ডাক পেয়েছেন বর্ষীয়ান ডিফেন্ডার ফরিদ দিয়াজ। কলম্বিয়ার ফুটবল ফেডারেশন (এফসিএফ) গত শনিবার ফরিদ দিয়াজকে দলভুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এফসিএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ফ্র্যাংক ফাব্রার ইনজুরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় কোচিং কর্মকর্তারা ফরিদ দিয়াজকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ ৩৪ বছর বয়স্ক দিয়াজ জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন। ইএসপিএন

 

ম্যাখোঁ রাশিয়া যাবেন যদি...

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালে দলকে সমর্থন দিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ রাশিয়া যাবেন বলে জানিয়েছেন। টেলিফুট সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দলকে সমর্থন দিতে সেখানে যাব। দলের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। আমি এমন একটা দল দেখতে পাচ্ছি যারা সাফল্য পেতে চায়। আমরা সেখানে শুধু অংশগ্রহণের জন্য যাচ্ছি না। আমরা শিরোপা জেতার জন্য রাশিয়া যাচ্ছি।’ গত মঙ্গলবার ম্যাখোঁ প্যারিসের কাছে ক্লাইরেফন্তেতে জাতীয় দলের অনুশীলন দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি তাঁদের ‘ঐক্য, চেষ্টা ও বিশ্বাসের’ ওপর জোর দেওয়ার জন্য বলেছেন। ম্যাখোঁ নিজেকে ১৫ জুলাইয়ের মস্কোতে ফাইনালের আগে কোচ দিদিয়ের দেশমের সঙ্গে নিজেকে ড্রেসিংরুমেও দেখতে পাচ্ছেন বলে জানান। যেমনটা ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জেতার পর খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমেও গিয়েছিলেন সেই সময়ের প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক। এএফপি

 



মন্তব্য