kalerkantho



দল গঠনের প্রস্তুতি শুরু

২৭ মে, ২০১৮ ০০:০০



দল গঠনের প্রস্তুতি শুরু

ক্রীড়া প্রতিবেদক : টানা তিন সাফে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল আবার নতুন উদ্যমে শুরু করেছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি। শুরু করেছে প্রায় চার মাস আগে। গতকাল প্রাথমিক ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ফুটবলাররা রিপোর্ট করেছেন বাফুফে ভবনে গিয়ে। দেশের মাঠে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সাফে খেলোয়াড়রা যেমন অঙ্গীকারবদ্ধ তেমনি বাফুফে কর্তারা ঐক্যবদ্ধ।

প্রাথমিক ক্যাম্পে ডাক পাওয়াদের মধ্যে ৩২ জন রিপোর্ট করেছেন। সাতজন গেছেন লন্ডনে ঢাকা একাদশের হয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলতে। দুজন আছেন বিকেএসপিতে আর বাকি তিনজনের মধ্যে দুজনের পরীক্ষা এবং অন্যজন ইনজুরিতে। রিপোর্ট করা ফুটবলারদের সঙ্গে সভা শেষে জাতীয় দল কমিটির প্রধান কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের মধ্যে কমিটমেন্টের কোনো অভাব আমি দেখছি না। বাফুফের ডাকে তারা এসে রিপোর্ট করেছে। তাদের বলেছি, দেশের জন্য খেলো আর নিজের জন্য খেলো। নিজেদের সুনামের জন্য খেলো। সব কিছু মিলিয়ে তাদের খেলতে বলা হয়েছে।’ আজ তাঁদের নিয়ে বিকেএসপি রওনা হবেন তিন দেশি কোচ। ওখানে প্রথমে ফিটনেস ক্যাম্প হবে তাঁদের। এরপর জুনের প্রথম সপ্তাহে নতুন ব্রিটিশ কোচ ডেমি ডে যোগ দেওয়ার পর শুরু হবে দলের টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল ট্রেনিং। এই ক্যাম্পের উদ্দেশ্য দুটি দল গড়া—একটি এশিয়ান গেমসের জন্য, অন্যটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের।

দুটির মধ্যে কর্মকর্তাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। কারণ দেশের মাঠে হবে এবং সেখানে স্বাগতিকদের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে টুর্নামেন্টের সাফল্য। কাজী নাবিল মনে করেন, ‘এশিয়াডের তুলনায় সাফের সুবিধা বেশি। এটা দেশের মাঠে হবে, স্বাগতিক দর্শকরা উপস্থিত হবে তাদের অনুপ্রাণিত করতে। সুতরাং খেলোয়াড়দের পারফরম করার সুযোগ অনেক বেশি আছে এখানে। এ রকম ধারণা দেওয়া হয়েছে খেলোয়াড়দের আজকের সভায়।’ খেলোয়াড়রাও সাম্প্রতিক সময়ের ব্যর্থতা ঝেড়ে জেগে উঠতে চায় দেশের মাঠে। জাতীয় দলের ডিফেন্ডার মামুন মিয়া তো নিজেদের ফেভারিট ভেবেই বসে আছেন, ‘গত তিনটি সাফে আমাদের পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। এবার ভালো খেলে দেশকে কিছু উপহার দিতে চাই। ঘরের মাঠে খেলা বলে আমরাই ফেভারিট।’ সাম্প্রতিক সময়ে বিদায়ী অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডের অধীনে ভালো খেলেছে বাংলাদেশ দল। প্রীতি ম্যাচে ওদের মাঠে লাওসের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থেকে ম্যাচ ড্র করে ফিরেছে। জাতীয় দল যখন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছে তখনই আবার কোচ বদল। এখন ব্রিটিশ কোচের হাতেই বাংলাদেশের ভাগ্য।



মন্তব্য