kalerkantho



বিশ্বকাপ কর্নার

২২ মে, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্বকাপ কর্নার

নম্বরে স্বস্তি

বিশ্বকাপে থাকবেন তো মানুয়েল নয়্যার? জার্মানির প্রাথমিক দলে জায়গা পাওয়া এই গোলরক্ষক আশাবাদী হতেই পারেন। অস্ট্রিয়া আর সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে তাঁর জার্সি নম্বর রাখা হয়েছে ১। ম্যাচ দুটির একটিতে খেলতেও দেখা যেতে পারে তাঁকে। তাই জার্সি নম্বরে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন নয়্যার। পায়ে অস্ত্রোপচারের পর গত সেপ্টেম্বর থেকে মাঠের বাইরে তিনি। অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে ফিরলেও বায়ার্ন মিউনিখ জার্মান কাপের ম্যাচটিতে খেলায়নি নয়্যারকে। এত দিন বাইরে থাকার পর তাঁকে দলে নেওয়ার সমালোচনা করেছিলেন জার্মান সাবেক গোলরক্ষক অলিভার কান। আট মাস ম্যাচ না খেলা কাউকে বিশ্বকাপে দেখতে চান না তিনি। এমন সমালোচনার পরও নয়্যারের জন্য ১ নম্বর জার্সি তৈরির অর্থ কপাল পুড়তে পারে ২৭ নম্বর জার্সি পাওয়া পিএসজির গোলরক্ষক কেভিন ট্র্যাপের। গোলডটকম

 

শিরোপাতেই চোখ ফ্রান্সের

পায়েত, মার্শিয়ালের মতো খেলোয়াড় নেই। এর পরও তারকার ছড়াছড়ি ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলে। আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান, পল পগবা, উসমান দেম্বেলে, স্যামুয়েল উমতিতি—সময়ের অন্যতম সেরা সবাই। তাই ফরাসি ডিফেন্ডার বেনজামিন মেন্দি স্বপ্ন দেখছেন ১৯৯৮ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের। ম্যানচেস্টার সিটির ২৩ বছর বয়সী এই তারকা শিরোপা ছাড়া ভাবছেন না কিছু, ‘আমাদের লক্ষ্য শিরোপা জয়। এই শিরোপাটা জিততেই হবে ফ্রান্সকে। আমরা যে মানের দল নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছি, তাতে শিরোপা জিততে না পারার কারণ দেখছি না কোনো।’ জিনেদিন জিদান জাদুতে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল ফ্রান্স। ২০০৬ সালে ফাইনাল খেললেও শিরোপায় চুমু দেওয়া হয়নি। এবার সেই আক্ষেপটা দূর করতে চান মেন্দি। কিন্তু চোটে পড়ায় ২৩ বছর বয়সী এই তারকা ম্যানসিটির হয়ে একপ্রকার খেলতেই পারেননি গত মৌসুমটা। এর পরও তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রেখেছেন কোচ দিদিয়ের দেশম। এ নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হলেও পাত্তা দিচ্ছেন না মেন্দি, ‘মানুষ প্রশ্ন করতেই পারে। আমি সবাইকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত আমি।’ গোলডটকম

 

গুইরেরোর জন্য আপিল

ফিফা তুলেই নিয়েছিল নিষেধাজ্ঞাটা। পেরুও তাদের অধিনায়ক পাউলো গুইরেরোকে রেখেছিল বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে। কিন্তু ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির আপত্তিতেই যত বিপত্তি। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত আবারও কোকেন সেবনের জন্য ১৪ মাস নিষিদ্ধ করেছে গুইরেরোকে। এটাই মানতে পারছে না পেরুর জনগণ। কারণ গুইরেরো অনিচ্ছাকৃত কোকেন নিয়েছিলেন বলেই ফিফা তাঁর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল। একই যুক্তিতে ওয়ার্ল্ড ফুটবলার্স ইউনিয়ন ‘ফিফপ্রো’ যোগাযোগ করেছে ফিফার কাছে। তাঁর শাস্তি তুলে নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে সংগঠনটি। পেরুর প্রেসিডেন্ট মার্তিন ভিজকেরাও পাশে আছেন গুইরেরোর। তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিলের। আগামীকাল জুরিখে ফিফা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করবেন গুইরেরো ও পেরুর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান। সেখানেই সব কিছুর যেন নিষ্পত্তি হয়, এ জন্য কয়েক শ পেরুর ফুটবল ভক্ত বিশেষ প্রার্থনা করেছে লিমার একটি চার্চে। এএফপি

 



মন্তব্য