kalerkantho


আরো লম্বা সময় থাকতে চেয়েছিলেন গ্রিনিজ

১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০



আরো লম্বা সময় থাকতে চেয়েছিলেন গ্রিনিজ

আইসিসি ট্রফি জিতে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় ফেরার দিনটি যেমন ছিল—

দল জেতার পর সেটি ছিল বাংলাদেশের সবারই আনন্দের দিন। আমার পরিষ্কার মনে আছে যে আমাদের স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। জানতাম না যে উনি একজন ক্রিকেটভক্তও। সবার জন্যই সেটি ছিল ভীষণ আনন্দের এক মুহূর্ত।

বাংলাদেশের ক্রিকেট এত দূর আসবে বলে মনে হয়েছিল কি না—

আমি বিশ্বাস করতাম যে বাংলাদেশের ক্রিকেট এগোবে। এ জন্যই করতাম যে সামনে এগোনোর সামর্থ্যটা তাদের ছিল। যদিও সেটি খুব সহজ ছিল না। কারণ আমরা তখন শুধুই ওয়ানডে খেলতাম। দেখে ভালো লাগছে যে ছেলেরা এখন সর্বোচ্চ মানের চাহিদা মেটাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ সয়ে ভালো খেলছে। এ কাজটিই ভীষণ কঠিন ছিল। কিন্তু এটা বলতে পেরে ভালো লাগছে যে সেই কঠিন কাজটিই ওরা দারুণভাবে করেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন মাথা উঁচু করেই আছে।

বাংলাদেশের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে—

হ্যাঁ, আমার বাংলাদেশের পাসপোর্ট আছে। এভাবে সম্মানিত হওয়ার ব্যাপারটি আমাকে খুব আনন্দ দেয়। সেটি নবায়ন করতে দিয়েছি। শিগগিরই নতুন পাসপোর্টও পেয়ে যাব।

বর্তমান বাংলাদেশ দলে প্রিয় ক্রিকেটার কে জানতে চাওয়া হলে—

বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুসরণ না করে কিভাবে থাকি বলুন? তবে হ্যাঁ, কোনো খেলোয়াড়ের নামোল্লেখ করাটা মুশকিল। কারো সময় ভালো যাচ্ছে তো কারো কারো যাচ্ছেও না। আমি শুধু চাই, এ দলটি একটি গ্রুপ হিসেবে খেলুক। সেই জন্য বলি, আমার কোনো প্রিয় ক্রিকেটার নেই। 

কোচ হিসেবে বাংলাদেশের দিনগুলোর স্মৃতি নিয়ে—

বাংলাদেশের প্রতিটি স্মৃতিই আমি যত্নে লালন করে রেখেছি। এই তো আজ অনেক দিন পর লিপুর (আইসিসি ট্রফিজয়ী দলের ম্যানেজার ও বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন) সঙ্গে দেখা হলো। একসময় নিয়মিত হওয়ার যোগাযোগটা এরপর আর থাকেনি। যাক, আবার দেখা হলো। আশা করি এখন থেকে যোগাযোগের ধারাবাহিকতাও থাকবে।

বিদায়ের তিক্ত স্মৃতি প্রসঙ্গে—

ওটা সত্যিই ভীষণ হতাশাজনক ছিল। কারণ আমি আরো লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে চেয়েছিলাম; কিন্তু সেটি হয়নি। তা নিয়ে এখন কোনো দুঃখও নেই। কারণ এ রকম ঘটনা তো ঘটেই।



মন্তব্য