kalerkantho


অথচ কত এগিয়ে ওমান

১৭ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



অথচ কত এগিয়ে ওমান

ওমান হকি অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি তালিব আল ওয়াহাইবি বলছেন, ‘২০১৮-টাকে আমরা হকি বছর ঘোষণা করেছি।’ হকি অ্যাসোসিয়েশনের জন্য প্রতিবছর হকির বছর হওয়ার কথা। তবু ২০১৮-টাকে তিনি আলাদা করছেন, কারণ এ বছরের মতো হাই প্রোফাইল টুর্নামেন্ট আর কখনো হয়নি ওমানে। এবার এই আট জাতির এশিয়ান গেমস বাছাইয়ের আগে আগেই পাকিস্তান ও জাপানকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছে তারা। অক্টোবরে তো এশিয়ার শীর্ষ ছয় দলকে নিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই হবে সুলতান কাবুস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে।
বাংলাদেশ এশিয়া কাপ আয়োজনের পরপরই আরেকটি হাই প্রোফাইল টুর্নামেন্ট করতে রাজি হয়নি বলেই সুযোগটা নিয়েছে ওমান। তাদের বাজেটের সংকট নেই। ২০১৫-তে সুলতানের তরফ থেকেই এক মিলিয়ন রিয়াল করে পেয়েছে প্রতিটি ক্লাব। এখানে এখনো পানির দামে তেল পাওয়া যায়। আগে পাওয়া যেত পানির চেয়ে কম দামে। ৯০ পয়সা লিটার ছিল (১০০০ পয়সায় এক রিয়াল, বাংলাদেশে ২১৫ টাকা), বছর পাঁচেক আগে সেটা যখন ১২০ পয়সা করা হলো, তখনই সুলতানের তরফ থেকে ওই বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হলো ক্রীড়া খাতে। এখানে ক্লাবগুলো সিংহভাগই ব্যয় করে ফুটবলের পেছনে। ওই বাড়তি অর্থ পেয়ে তারা অন্য খেলাগুলোতেও মনোযোগী হয়। এই সুযোগে যেমন মাসকাটেরই দুই শীর্ষ ক্লাব সিব ও বোশার নিজেদের হকি স্টেডিয়াম বানিয়ে নিয়েছে। এখন সুলতান কাবুস স্পোর্টস কমপ্লেক্স ছাড়াও হকি টার্ফ আছে তাই আরো তিনটি মাঠে, মাসকাটের বাইরের শহরগুলোতে তো আছেই।
গত বেশ কয়েক বছর ধরেই ওমান-বাংলাদেশে টানাটানি চলছে র‌্যাংকিং নিয়ে, এই ওমান এগিয়ে যায় তো এই বাংলাদেশ। তবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে ওমান।

 


মন্তব্য