kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

মোহাম্মদ আলীর ছবিটা চোখে ভাসে এখনো

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



মোহাম্মদ আলীর ছবিটা চোখে ভাসে এখনো

সেই ২০০২ সালে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছেন শ্যুটার আসিফ হোসেন। সেই কীর্তি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এখনো এতটাই যে এবার প্রথমবারের মতো আয়োজিত যুব গেমসের মশাল জ্বালানোর বিরল সম্মান পাচ্ছেন তিনি। আসিফ নিজেও দারুণ আপ্লুত এমন সুযোগ পেয়ে। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি তাঁর সেই অনুভূতির কথাই জানিয়েছেন তিনি

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : যুব গেমসের মশাল জ্বালাবেন আপনি, খেলা ছাড়ার পর এভাবে আবার খেলার মধ্যে ফিরতে কেমন লাগছে?

আসিফ হোসেন : এক কথায় বললে ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি আমি। আমার শৈশবের স্বপ্ন এটা। মনের কোণে বাসা বেঁধে ছিল। খবরটা শুনেই সেই তা আবার ঝকমকিয়ে উঠছে। মনে আছে, ’৯৬-এর আটলান্টা অলিম্পিক। কাঁপা কাঁপা হাতে মোহাম্মদ আলী মশাল জ্বালছেন। এটা যে কত বিশাল ব্যাপার তখনই আমার মনে গাঁথা হয়ে যায়। অজান্তে একটা স্বপ্নও যে তৈরি হয়েছে। এখন আমি সেটা বুঝতে পারছি। শৈশবের সেই স্বপ্নটাই এখন আমার পূরণ হওয়ার পথে। এটা যে আনন্দের, তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।

প্রশ্ন : তো এই আসরটা নিয়ে কী বলবেন, কেমন হতে পারে এবারের যুব গেমস?

আসিফ : দুটি পর্যায় পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্ব হচ্ছে ঢাকায়। তাতে আমরা অনেক ভালো খেলা উপহার পাব বলে আমার বিশ্বাস। সারা দেশেই এই গেমসটা নিয়ে সাড়া পড়েছে। উঠতি খেলোয়াড়রা মুখিয়ে আছে এত বড় একটা মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। আর প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে এই আসর, আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে ভীষণ তাৎপর্য এটির।

প্রশ্ন : এমন একটা আসর তো আরো অনেক দিন আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিল...

আসিফ : হ্যাঁ, এখান থেকেই তো আগামী দিনের তারকারা বেরিয়ে আসবে। একটা সময় আন্ত স্কুল প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে আসত সব খেলোয়াড়। এখন আর এমনটা দেখি না। যুব গেমস সেই অভাবটা পূরণ করবে বলেই আমার বিশ্বাস।

প্রশ্ন : আপনার খেলা শ্যুটিংয়ে অংশগ্রহণ কিন্তু খুবই হতাশাজনক, পর্যাপ্ত জেলা দল নেই বলে জেলা পর্যায়, বিভাগীয় পর্যায়ে খেলাই আয়োজন করা সম্ভব হয়নি...

আসিফ : অথচ সবকয়টি জেলায়ই কিন্তু শ্যুটিং ক্লাব আছে। দুঃখজনক হলো তাদের কোনো কার্যক্রম নেই। কর্মকর্তাদের কাছে শুধু একটা প্যাড আছে। সেটি নিয়েই বছর বছর ফেডারেশনে এসে হাজিরা দিয়ে যান। অথচ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কত সফল শ্যুটিং ডিসিপ্লিনটা। জেলাগুলো আরো সক্রিয় হলে তো আমরা আরো এগিয়ে যেতাম।

প্রশ্ন : আপনি যেখান থেকে উঠে এসেছেন সেই পাবনার খবর কী?

আসিফ : পাবনায়ও মাঝখানে একটু ভাটা পড়েছিল। তবে এখন আবার ওদের উদ্যোগী দেখছি।


মন্তব্য