kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

মাশরাফি ভাইয়ের প্রশংসা পেয়েছি

দুই দলের ২২ জন ক্রিকেটারের ভেতর বাংলাদেশের জাতীয় দল ও ভারতীয় জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটারের সংখ্যাই বেশি। হাতে গোনা অল্প কজন, যাঁরা কখনোই কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি, শরিফুল ইসলাম তাঁদেরই একজন। অথচ প্রাইম ব্যাংকের আবাহনীকে হারানোর নায়ক হয়ে গেলেন অচেনা এই ডানহাতি পেসারই! তাঁরই মুখোমুখি কালের কণ্ঠ স্পোর্টস

৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



মাশরাফি ভাইয়ের প্রশংসা পেয়েছি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত থাকা একটা দলকে হারানোর ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হওয়া, নাকি মাশরাফির দলের বিপক্ষে ভালো করা, কিভাবে দেখবেন এই সাফল্যকে?

শরিফুল ইসলাম : ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুযোগ পাওয়ার পর প্রথম থেকেই ইচ্ছা ছিল আবাহনীর বিপক্ষে ভালো করা। কারণ আবাহনী মাশরাফি ভাইয়ের দল, চ্যাম্পিয়ন দল, বড় শক্তি। এই ম্যাচটি জেতাটাও আমাদের জন্য খুব দরকার ছিল। আর আবাহনীকে হারানো মানে অনেক কিছু!

প্রশ্ন : আবাহনীকে হারানো মানে অনেক কিছু কেন?

শরিফুল : আপনারা তো জানেনই। আবাহনী মাশরাফি ভাইয়ের দল, বড় দল, চ্যাম্পিয়ন দল। তা ছাড়া মাশরাফি ভাইয়ের দলের সঙ্গে ভালো করলে একটা অন্য রকম আনন্দ পাওয়া যায়। উনার খেলা টিভিতে দেখি। মাঠে যখন প্রতিপক্ষে উনাকে দেখি, উনার দলের সঙ্গে জিততে পারি, তখন অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করে।

প্রশ্ন : আপনিও ডানহাতি পেসার, মাশরাফিও তাই। ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক কী বললেন?

শরিফুল : মাশরাফি ভাই ম্যাচের পর ডেকে কথা বলেছেন। বলেছেন ভালো খেলা চালিয়ে যেতে, এভাবে ভালো খেললে অনেক দূর যেতে পারব। থেমে থাকলে চলবে না।

 

প্রশ্ন : আপনার দলে আল আমিনের একটা বড় ইনিংস ছিল। তার পরও আপনি হলেন ম্যাচসেরা, সেটা কি একই ওভারে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ মিঠুনকে আউট করার জন্য?

শরিফুল : বলতে পারেন। ওই ওভারেই আমার জোড়া শিকারে ওদের স্কোরটা ৩ উইকেটে ১৭ রান হয়ে যায়। তবে এরপর কিন্তু নাসির ভাইয়ের সঙ্গে সাইফের জুটিটাও বড় হচ্ছিল। আমি সেট হয়ে যাওয়া নাসির ভাইকেও আউট করেছি। সব মিলিয়ে ৪ উইকেট নিই। এই জন্যই বোধ হয় আমাকে সেরা বেছেছে।

প্রশ্ন : বিকেএসপিতে তো বেশ রান হয়। সেখানে আপনাদের ২৪৭ রানের পুঁজিটাকে কম মনে হয়নি? ফিল্ডিংয়ে নামার সময় কি জেতার বিশ্বাসটা ছিল?

শরিফুল : রানটা একেবারে অল্পও নয়। ভালো বোলিং-ফিল্ডিং করতে পারলে আটকানো সম্ভব, এটাই বলেছিলেন অধিনায়ক। তাই বাড়তি প্রচেষ্টা ছিল সবার। শুরুতে উইকেট পাওয়াতে প্রত্যাশা বাড়ে। নাসির ভাই আউট হওয়ার পরও মাশরাফি ভাইকে নিয়ে ভয় ছিল। উনি আউট হতেই বুঝে যাই আমরা এই ম্যাচটা জিতব।



মন্তব্য