kalerkantho



অস্ত্রোপচার করাতে ব্রাজিলে নেইমার

বিশ্বকাপে থাকবেন তো?

২ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



অস্ত্রোপচার করাতে ব্রাজিলে নেইমার

অস্ত্রোপচার লাগছেই নেইমারের। সেটা কোথায় হবে; প্যারিস সেন্ত জার্মেইর মনোনীত কোনো জায়গায় নাকি ব্রাজিলের জাতীয় দলের জন্য মনোনীত সার্জন করবেন, তা নিয়ে এক দফা দড়ি টানাটানি হয়ে গেছে ক্লাব ও ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশনের মধ্যে। সাও পাওলোর একটি পত্রিকা জানিয়েছিল, নেইমারের চুক্তির ধারাতেই আছে চোটের ব্যাপারে ক্লাবের নির্দেশ মানার। তবে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ শুরুর এত কাছে এসে, ব্রাজিলের শিরোপা জয়ের চাবিকাঠিকে তো আর অন্যের ভরসায় ছেড়ে দেওয়া যায় না! তাই তো বুধবারই প্যারিস থেকে ব্রাজিলে উড়ে গেছেন নেইমার। সেখানে ব্রাজিল জাতীয় দলের ডাক্তার রদরিগো লাসমারের তত্ত্বাবধানে বেলো হরিজোন্তের মাতের দেই হাসপাতালে শনিবার হবে তাঁর অস্ত্রোপচার।

প্যারিস থেকে রিও ডি জেনেইরোতে একই ফ্লাইটে গেছেন লাসমার, তিনিই জানালেন, ‘ঠিকঠাক মতো সেরে উঠতে দুই-আড়াই মাস থেকে তিন মাস পর্যন্ত লেগে যাবে।’ যদিও নেইমারের বাবা ও এজেন্ট নেইমার সিনিয়র জানিয়েছিলেন অনুপস্থিতির মেয়াদটা ছয় সপ্তাহের। এই চোট নেইমারকে ইউরোপিয়ান ফুটবলের বাকি মৌসুমের জন্য দর্শক বানিয়ে দিতে পারে। তবে আশা করা হচ্ছে, জুনে রাশিয়া বিশ্বকাপের আগেই সেরে উঠবেন এবং ছন্দে ফিরবেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এদিকে মার্সেইর সঙ্গে ফ্রেঞ্চ কাপের ম্যাচ দিয়েই বুধবার নেইমারবিহীন পিএসজির পথচলার শুরু। নেইমারের জায়গায় খেলেছেন আনহেল দি মারিয়া, তাঁর জোড়া গোলে ৩-০ তে জিতেছে পিএসজি।

চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদকে নিজেদের মাঠে হারিয়ে যদি কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতেও পারে পিএসজি, তবুও সেখানে নেইমারের খেলার আশা নেই। তাঁর বাবার কথা অনুযায়ী সময়ের হিসাবে এপ্রিলে সেমিফাইনাল পর্বে পিএসজি উঠলে তখন হয়তো খেলতে পারার কথা নেইমারের। তবে ব্রাজিলের ডাক্তারের পরামর্শ মানলে ইউরোপে মৌসুমই শেষ নেইমারের। এমন অবস্থায় বিশ্বকাপে নেইমারের উপস্থিতি নিয়েও খানিকটা সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ব্রাজিলের রেডিও ও টিভি ধারভাষ্যকাররা তো ‘রবিবারেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ’—বলে আশঙ্কা করছেন। তড়িঘড়ি করে নেইমারকে মাঠে নামিয়ে দিলে ফের বিপদ বাড়ে কি না, এই আশঙ্কাও তো অমূলক নয়। তবে আপাতত অপেক্ষা শনিবারের। অস্ত্রোপচারের পরই জানা যাবে, ঠিক কতটা সময় লাগবে নেইমারের সেরে উঠতে।  সেই সময়টাও নিশ্চিত অস্বস্তিতেই কাটবে ভক্তদের। গত বিশ্বকাপের স্মৃতি যে এখনো টাটকা। নেইমারের ইনজুরিই যে ব্রাজিলিয়ানদের দু:স্বপ্ন বানিয়ে দিয়েছে সেই আসরটা। এএফপি



মন্তব্য