kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

লড়াকু একটা দল করাই আমাদের লক্ষ্য

অনূর্ধ্ব-২৩, অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পর এবার জাতীয় দলেও অ্যান্ড্রু ওর্ড ও স্থানীয় কোচ মাহবুব হোসেন রক্সি কাজ করছেন একসঙ্গে। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট তাঁদের সফল না হলেও অনূর্ধ্ব-১৮ সাফ ও এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইয়ে দুজনের জুটিটা জমেছে। জাতীয় দলে এবারের নতুন দায়িত্ব নিয়েই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন রক্সি

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



লড়াকু একটা দল করাই আমাদের লক্ষ্য

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : জাতীয় দল নিয়ে কাজ শুরু হলো আপনাদের, ক্যাম্পে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের অবস্থা কেমন দেখছেন?

রক্সি : মোট ২২ জন খেলোয়াড় নিয়ে আমরা ক্যাম্প শুরু করেছি। ইয়াসিন ও জুয়েল রানা ইনজুরির কারণে যোগ দিতে পারেনি। ওদের মাসখানেক সময় লাগবে সেরে উঠতে। আরেকজন মতিন মিয়া সামান্য অসুস্থ ও কিছুদিনের মধ্যেই যোগ দেবে আশা করি। তো যাঁরা ক্যাম্পে যোগ দিয়েছে সবারই ফিটনেস লেভেল বেশ ভালো। আমরা ভেবেছিলাম ওদের মধ্যে হয়তো ক্লান্তি দেখব, কিন্তু না অনুশীলনে সবাইকেই বেশ ঝরঝরে লাগছে। মামুনুল, জামাল, ফয়সালের মতো বেশ কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় আছে ক্যাম্পে। ওরাও দারুণ ইতিবাচক, এটা জুনিয়রদের উৎসাহ দিচ্ছে।

প্রশ্ন : কিন্তু স্বাধীনতা কাপে খেলোয়াড়দের বেশির ভাগই ক্লান্তির কথা বলেছেন...

রক্সি : সেটা ছিল। কারণ লিগের পর ওরা তেমন সময় পায়নি। কিন্তু স্বাধীনতা কাপ শেষ হওয়ার পরও এই ক্যাম্পে আসতে ওরা কিন্তু দিন দশেক সময় পেয়েছে। তা ছাড়া টুর্নামেন্ট আর অনুশীলন ক্যাম্প তো এক নয়।

প্রশ্ন : এই ক্যাম্পটা নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা কেমন?

রক্সি : পরিকল্পনার কথা তো কিছু জেনেছেনই, আমাদের বেশ কয়েকবার বিদেশ সফর আছে এর মধ্যে। সেখানেও ট্রেনিং চলবে। ফিরে আবার ঢেলে সাজানো হবে দলটা। তাতে কিছু যোগ-বিয়োগ হবে। বাদ পড়া খেলোয়াড়দেরও হয়তো ডাকা হতে পারে, খারাপ করা কেউ বাদ পড়বেন। তাতে খেলোয়াড়দের মধ্যেও ভালো করার তাড়নাটা থাকবে। আর দলে তরুণ খেলোয়াড়দের আধিক্য, কারণ এশিয়ান গেমসও আমাদের পরিকল্পনায়।

প্রশ্ন : অ্যান্ড্রু ওর্ডের সঙ্গে আপনি শুরু থেকেই আছেন, তাঁর কোচিংয়ের ধরনটা কেমন?

রক্সি : ওর্ড উঁচুমানের কোচ কোনো সন্দেহ নেই। খেলোয়াড়দের নিয়ে এরই মধ্যে স্বচ্ছ ধারণা হয়ে গেছে তাদের। অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে আমাদের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটা হয়তো সফল হয়নি। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে আমাদের ছেলেদের খেলা দেখেছেন, তারা হাইপ্রেসিং ফুটবল খেলেছে। ডিপ ডিফেন্ডিং করলেও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠেছে।  এ জন্য খেলোয়াড়দের ফিটনেসের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেন তিনি। সাফে দেখেছেন ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পরে আমরা কিভাবে কামব্যাক করেছি। সেই মানের ফিটনেস ও আক্রমণাত্মক মনোভাব না থাকলে এটা সম্ভব নয়। ওর্ডের ধরনই এটা। তাঁর দল ৯৫ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করে যাবে।


মন্তব্য