kalerkantho


সব শঙ্কা সরিয়ে মার্চে হকির দলবদল

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সব শঙ্কা সরিয়ে মার্চে হকির দলবদল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গত মাসের ১০ তারিখ অ্যাডহক কমিটি গঠনের পরপরই একটি পক্ষ এর খুঁত ধরায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। আরেক দল লিপ্ত হয়েছিল নতুন ষড়যন্ত্রে। এসব কিছুকে পায়ে মাড়িয়ে ২০ দিনের মাথায় হকির দলবদলের সূচি ঘোষণা করেছে ফেডারেশন। আগামী ২৭ থেকে ২৯ মার্চ হবে হকির দলবদল। দল গঠনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক পরেই ক্লাব কাপ হকি দিয়ে মাঠে গড়াবে খেলা।

সর্বশেষ দলবদল হয়েছিল ২০১৬ সালের শুরুতে। প্রায় দুই বছর পর আবার হকির দলবদল হবে আগামী মাসে। তবে ফেব্রুয়ারিতে দলবদল করার একটা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল অ্যাডহক কমিটির প্রথম কমিটি থেকে। লিগ কমিটির সম্পাদক মঈনুজ্জামান পিলা বলেছেন, ‘দলবদলের জন্য ক্লাবগুলোর টাকা-পয়সার দরকার আছে। তাই দলগুলো বলেছিল জাতীয় দল বিদেশে খেলে আসার পর দলবদল করতে চায়। তাদের অনুরোধে পেছানো হয়েছে দলবদল।’ সেই অনুযায়ী কাল লিগ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, জাতীয় দল মার্চে ওমানে এশিয়ান গেমস কোয়ালিফাইং খেলে আসার পরই হবে দলবদল। এ সভায় আজাদ স্পোর্টিং বাদে বাকি ১২টি ক্লাব দলের প্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আবাহনীর প্রতিনিধি জাকি আহমেদ বলেছেন, ‘সভায় যত সিদ্ধান্ত হয়েছে সবই সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া। কোনো সিদ্ধান্তে কেউ প্রতিবাদ জানায়নি। আমি ১৪-১৫ বছর ধরে আছি লিগ কমিটিতে, কিন্তু এ রকম ঐকমত্য দেখলাম প্রথমবার।’ সর্বশেষ লিগ রানার্স-আপ ঊষার প্রতিনিধি শেফায়েত হোসেন ডালিম ফেডারেশনের নির্বাচনী রাজনীতি থেকে আলাদা করে দেখেন মাঠের খেলাকে, ‘নির্বাচন-অ্যাডহক কমিটি—এসব বাইরের বিতর্ক। খেলার সঙ্গে এসবের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমরা খেলতে চাই, আমরা নির্দিষ্ট সময়ে দলবদল করব।’

সিদ্ধান্ত হয়েছে বিদেশির ব্যাপারেও। আগে পাঁচ বিদেশির রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে সাতে উন্নীত করা হয়েছে। তবে ম্যাচ খেলতে পারবে চারজন বিদেশি, অর্থাৎ আগেরবারের চেয়ে একজন কম। লিগের মাঝপথে বিদেশি ইনজ্যুরড হলে অন্য বিদেশিকে আনা কঠিন হয়ে যায় বলেই এবার রেজিস্ট্রেশনে বিদেশির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া সার্ভিসেস দলে চাকরিরত খেলোয়াড় এবং বিকেএসপির খেলোয়াড় নেওয়ার ব্যাপারেও নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়। সার্ভিসেস দলের তিন থেকে চারজন খেলোয়াড় নিতে পারবে একেকটি দল। তবে সংখ্যাটা চূড়ান্ত করবে ফেডারেশন। আর প্রত্যেক দল সর্বোচ্চ চারজন করে বিকেএসপির খেলোয়াড় নিতে পারবে। সবাই যেন মোটামুটি মানের দল গড়তে পারে এবং লিগটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লিগ কমিটির সম্পাদক। লিগে বিদেশি আম্পায়ারের দাবি উঠেছে আর তাতে ঐকমত্য প্রকাশ করেছে লিগ কমিটি।



মন্তব্য