kalerkantho



মুখোমুখি প্রতিদিন

সমর্থকদের একটা গোল পাওনা ছিল

২৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সমর্থকদের একটা গোল পাওনা ছিল

এএফসি কাপে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের অভিষেক ম্যাচ হয়ে থাকল মিশ্র অভিজ্ঞতার। ঘরের মাঠে তারা জয়বঞ্চিত। খেলাও মন ভরিয়েছে বলা যাবে না। তবে গোলের প্রচুর সুযোগ পেয়েছিল তারা। তা কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে কোচ-খেলোয়াড়দের। ইংলিশ কোচ রায়ান নর্থমোর ম্যাচ শেষে পোস্টমর্টেম করেছেন নিজেদের পারফরম্যান্সের।

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : যত সুযোগ পেয়েছিল সাইফ তা কাজে লাগাতে পারলে তো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতেন আপনারা...

রায়ান নর্থমোর : আমরা ভালো খেলেছি কোনো সন্দেহ নেই। অনেক সুযোগ পেয়েছি। একটা গোল হলেই বাঁধটা হয়তো খুলে যেত। তখন আমরা ম্যাচটা সহজেই জিততে পারতাম। কিন্তু ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। গোল পেলাম না শেষ পর্যন্ত। দিন শেষে ওটাই তো আসল। তবে আজকের ম্যাচের পর কেউ পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে ফেলেনি, কেউ বাদও যায়নি।

প্রশ্ন : গোল না পাওয়া দুর্ভাগ্য বলছেন, স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতাও নয় কি?

নর্থমোর : হ্যাঁ, পোস্টের সামনে ফিনিশিংটাই আসল। ৯০ মিনিটের খেলায় আসলে একটা মুহূর্ত তৈরি হয়, সেটাই আমরা তৈরি করতে পারিনি। দারুণ সমর্থন ছিল মাঠে। খুব দুঃখজনক ওদের একটি গোল উপহার না দিতে পারা।

প্রশ্ন : যেভাবে গোল হজম করলেন আপনারা, এটা নিয়ে কী বলবেন?

নর্থমোর : হ্যাঁ, খুব হতাশাজনক এটা। অনেক কাজ হয়েছে ডিফেন্স মিডফিল্ডে স্পেস কমিয়ে কিভাবে ফরোয়ার্ড লাইনে দ্রুত বল পাঠানো যায়, তা নিয়ে। কিন্তু ফুটবলটা এমনই। এখানে ভুলচুক হবেই। আমরা গোল পেলে এটা হয়তো আর বড় ইস্যু থাকত না। কিন্তু সেই গোলটাই আমরা পাইনি ভালো কম্পোজারের অভাবে।

প্রশ্ন : চার্লি শেরিংহামের পারফরম্যান্স নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট?

নর্থমোর : সবাই আসলে মিস করেছে, শেরিংহাম, কিংসলে, আখরর, জনি, জামাল। তেমন না হলে ম্যাচটা তো আমরা জিততেই পারতাম।

প্রশ্ন : চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে আসা খেলোয়াড়রা কতটা পারফরম করতে পেরেছেন, যেমন?

নর্থমোর : চট্টগ্রাম আবাহনীর খেলোয়াড়দের কিভাবে দলে সমন্বয় করছি, এ নিয়ে এর আগেও অনেকে আমাকে প্রশ্ন করেছে। আজকেই বাস্তব চিত্রটা দেখা গেছে। জাহিদের ব্যাক ইনজুরি ছিল, যে কারণে ওর বেশ সমস্যা হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ওকে তুলে আব্দুল্লাহকে নামানোর পর সে বেশ ভালো পারফরম করেছে।

 

প্রশ্ন : মতিনকে স্কোয়াডে রাখা হলো না কেন?

নর্থমোর : মতিন খুব ভালো খেলোয়াড় সন্দেহ নেই। তবে এই কঠিন সিদ্ধান্তটা আমাকে নিতে হয়েছে। বেশ কিছু কারণ ছিল এর পেছনে, সাবস্টিটিউট হিসেবে অন্য যাদের নিয়েছি, তাদেরও প্রয়োজন ছিল। মাঠের কন্ডিশনের কথা চিন্তা করেও বাইরে রেখেছি। অ্যাওয়ে ম্যাচে হয়তো সে থাকতেও পারে স্কোয়াডে।



মন্তব্য