kalerkantho


হারের দ্বারপ্রান্তে ইংল্যান্ড

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



হারের দ্বারপ্রান্তে ইংল্যান্ড

মার্শ ভাইদের উদ্‌যাপন

ইংল্যান্ডের হয়ে শেষ ইনিংসটা কি খেলে ফেললেন জেমস ভিনস? মার্ক স্টোনম্যানেরও কি একই পরিণতি? মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য সিডনি টেস্টের পরই বসবেন ইংল্যান্ডের নির্বাচকরা, সেখানে অবধারিতভাবেই আতশ কাচের নিচে থাকবে এই দুই ব্যাটসম্যানের পারফরম্যান্স। ইংল্যান্ডের ওপেনার এবং ওয়ান ডাউন দুই ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতাই যে অ্যাশেজ হাতছাড়া হওয়ার বড় কারণ। কাল স্টোনম্যান আউট হয়েছেন ০ রানে, ভিনস করেছেন ১৮। নিক কম্পটন, মাইকেল কারবেরি, অ্যাডাম লিথের তালিকায় হয়তো যোগ হবে স্টোনম্যানের নামটাও। অ্যাশেজে ৯ ইনিংসে মাত্র দুটি ফিফটির জোরে তো আর ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের ওপেনার হিসেবে টিকে থাকা যায় না! ভিনসের বেলাতেও একই কারণ। ৯ ইনিংসে দুটি হাফসেঞ্চুরি, প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮৩ রানটাকে আর ছাড়িয়ে যাওয়া হয়নি পরের ইনিংসগুলোয়। ভালো শুরুর পর আউট হয়ে যাওয়ার রোগটা যে সারছেই না তাঁর!

অস্ট্রেলিয়াকে আবার ব্যাট করাতেই আরো ২১০ রান করতে হবে ইংল্যান্ডকে। হাতে মাত্র ৬ উইকেট। কাল চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪৬ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৪ রান। তার আগে ৭ উইকেটে ৬৪৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। চ্যাপেল, ওয়াহদের পর মার্শ ভাইদেরও সেঞ্চুরি করতে দেখা গেল একই ইনিংসে। জিওফ মার্শের দুই ছেলেই কাল পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা, দুজনেরই চলতি অ্যাশেজে এটা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। শুধু তাই নয়, দুজনের প্রথম শতরানের জুটিও, দুই ভাই মিলে জুড়েছেন ১৬৯ রান। এই নিয়ে মাত্র চারবার তাঁরা একসঙ্গে ব্যাট করেছেন টেস্টে।

বড়ভাই শন মার্শ ৯৮ রানে আর ছোটভাই মিচেল মার্শ ৬৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শুরু করেন। মঈন আলীর করা দিনের পঞ্চম বলেই চার মেরে শতরান পূরণ করেন শন। কুরানের বল পয়েন্টে ঠেলে দুই রান নিয়ে শতরান পূরণ করেন মিচেলও। তবে পরের বলেই হয়ে যান বোল্ড। ১৫৬ রান করে রানআউট হয়ে যান শন, টিম পেইন করেন ৩৮ রান। মধ্যাহ্ন বিরতির পর, চা-বিরতির ঘণ্টাখানেক আগে দান ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া। চা-বিরতিতে যেতেই ১২ ওভারে ইংল্যান্ডের ২৫ রানে নেই ২ উইকেট। শেষ সেশনে আরো ২ উইকেট হারিয়ে হারের দ্বারপ্রান্তে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক জো রুট ৪২ রানে ও জনি বেয়ারস্টো ১৭ রানে অপরাজিত থেকে আজ ফের ব্যাট করতে নামবেন। রুট খেলেছেন ১২৪ বল, বেয়ারস্টো খেলেছেন ৪৫ বল। দুজনের ইচ্ছাশক্তিই জানান দিচ্ছে, রান করার চেয়ে সময় কাটানোতেই তাঁদের গভীর মনোযোগ। তবে তাঁদের এই ইচ্ছাশক্তি শেষ পর্যন্ত অলৌকিক কোনো ড্র ইংল্যান্ডকে এনে দেওয়ার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ। বরং ইনিংস হার বাঁচালেই সেটা হতে পারে চলতি অ্যাশেজের শেষ টেস্টে তাঁদের বড় প্রাপ্তি। ক্রিকইনফো



মন্তব্য