kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

ঢাকার মাঠ বাতিল হলে খেলা দেবেন কোথায়?

জাতীয় দলের সঙ্গে আগেও ছিলেন তিনি। তবে হেড কোচ না থাকায় এবার টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পদও পেয়েছেন খালেদ মাহমুদ। নতুন ভূমিকায় আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি এই সাবেক অধিনায়ক বিসিবির হয়ে ব্যাট ধরলেন সাব্বির রহমান ও তামিম ইকবালের শাস্তি ইস্যুতেও—

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ঢাকার মাঠ বাতিল হলে খেলা দেবেন কোথায়?

প্রশ্ন : টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে দলে আপনার নতুন এ ভূমিকা কতটা চ্যালেঞ্জিং?

খালেদ মাহমুদ : চ্যালেঞ্জিং তো অবশ্যই। আমি মনে করি এটি আমার জন্য সুযোগও। নিজেদের মাঠে খেললে একদিকে যেমন প্রত্যাশার চাপ থাকে, তেমনি সমর্থনের সুবিধাটাও মেলে। ভালো খেলতে থাকলে মাঠে দর্শকদের চিৎকারটা সব সময়ই আমাদের খুব কাজে আসে। প্রত্যাশার চাপটা আমরা উপভোগই করি।

প্রশ্ন : আসন্ন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ কোন জায়গা থেকে শুরু করবে?

মাহমুদ : আমার বিশ্বাস এ সিরিজটি ছেলেরা অনেক উপভোগ করবে। চাপও থাকবে। আমার জন্যও নতুন একটি দায়িত্ব আছে। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে তাই চাপ আমার ওপরও থাকবে। সবার মধ্যে সমন্বয় করে যদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে আসছে সিরিজে আমরা অবশ্যই টপ ফেভারিট।

প্রশ্ন : ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে বিশেষ কিছু ভাবছেন?

মাহমুদ : আসলে দুটো দলের খেলার ধরনই আলাদা। জিম্বাবুয়ে এক ধরনের দল তো শ্রীলঙ্কা আরেক রকমের। দুটো দলের জন্য আমাদের তাই আলাদা পরিকল্পনাই থাকবে। এই সিরিজ জেতার জন্য কোনো কিছু করতে আমরা পিছপা হব না। তার ওপর দেশের মাঠে খেলা। সুতরাং আমরা জানি কী করলে ভালো হতে পারে বা না পারে। সব কিছু মাথায় রেখেই আমরা কাজ করব।

প্রশ্ন : সাব্বির রহমান ও তামিম ইকবালের শাস্তি নিয়ে কী বলবেন?

মাহমুদ : আইন অনুযায়ীই ওদের শাস্তি হয়েছে। তা কতটুকু কঠোর বা কত কমবেশি হয়েছে, সেটা নিয়ে আমি কিছু বলব না। যদি কেউ অন্যায় করে, সেটার শাস্তি পাবেই। কেউ কেউ আছে, যে কিনা আগেও নানা সময়ে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করেছে। আমরা এটা চাই না। কারণ জাতীয় খেলোয়াড়রা মানুষের কাছে আদর্শ।

প্রশ্ন : তামিমের শাস্তি তো হয়েছে অন্য কারণে।

মাহমুদ : কোনো ক্রিকেটারের বক্তব্যে দেশ ছোট হলে বিসিবি কোনোভাবেই ছাড় দেবে না। এমনিতেই আউটফিল্ড (মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের) নিয়ে আমরা দুটো ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়ে বসে আছি। এখন আমরাই যদি বলি মাঠ খারাপ, তাহলে আইসিসি হয়তো ভেন্যুই বাতিল করে দেবে। আমরা যা-ই বলি, দেশের ক্রিকেটের সম্মানটা রেখে কথা বলা যৌক্তিক হবে। শাস্তিটা প্রয়োজন ছিল, সে জন্যই হয়েছে। অভিযোগ থাকলে বিসিবিকে জানানোই ভালো। সভাপতিকেও বলতে পারত। তা না বলে মিডিয়ায় কথা বলাটা আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ ঢাকায় এর বাইরে কিন্তু আমাদের আর ভেন্যু নেই। ঢাকার মাঠ বাতিল হলে খেলা দেবেন কোথায় আপনি?



মন্তব্য