kalerkantho


এই রেকর্ডটা ভাঙার নয়!

২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



রেকর্ড গড়াই হয় ভাঙার জন্য। তার পরও কিছু কিছু রেকর্ড মনে হয় সাধ্যের অতীত! যেমন ডন ব্র্যাডম্যানের টেস্ট গড়, ৯৯.৯৪। কিংবা মাইকেল শুমাখারের সাতবার ফর্মুলা ওয়ান জেতা। তেমনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেন ওয়েঙ্গারের ৮১১ ম্যাচে ম্যানেজার হওয়ার রেকর্ডটাও কি অধরা? ৮১০ ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডাগআউটে থেকে আগের রেকর্ডটা ছিল স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের। গত পরশু আর্সেনালের হয়ে ওয়েস্ট ব্রমের বিপক্ষে সেটা পেছনে ফেললেন ওয়েঙ্গার। এরপর খোদ ফার্গুসনের অনুমান এই রেকর্ড হয়তো ভাঙতে পারবে না কেউ, ‘এটা অসাধারণ অর্জন। রেকর্ডটা কেউ ভাঙতে পারবে কি না, এ নিয়ে শঙ্কা আছে আমার।’

১৯৯৬ সালে আর্সেনালের দায়িত্ব নেন ওয়েঙ্গার। এরপর আর্সেনালকে জিতিয়েছেন তিনটি প্রিমিয়ার লিগ। ২০০৩-০৪ মৌসুমের বিখ্যাত ‘ইনভিনসিবল’ দল শিরোপা জিতেছিল অপরাজিত থেকে। এফএ কাপ জিতেছেন সাতবার। কমিউনিটি শিল্ডের শিরোপাও আছে সাতটি। তাই ‘দ্য লিগ ম্যানেজার অ্যাসোসিয়েশন’ এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়েছে ওয়েঙ্গারকে, ‘১৯৯৬ সালে উত্তর লন্ডনের আর্সেনালে যোগ দেওয়ার পর তিনটি প্রিমিয়ার লিগ আর সাতটি করে এফএ কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড জিতেছেন ওয়েঙ্গার। প্রিমিয়ার লিগে ৮১১ ম্যাচে ম্যানেজার হওয়াটা বিরল কৃতিত্বের। অভিনন্দন ওয়েঙ্গারকে।’

ফার্গুসনের রেকর্ড ভাঙলেও শিরোপা জয়ে অনেক পিছিয়ে ওয়েঙ্গার। ফার্গুসন ম্যানইউকে জিতিয়েছেন ১৫টি প্রিমিয়ার লিগ, ১০টি কমিউনিটি শিল্ড, পাঁচটি এফএ কাপ, দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ আর একটি ক্লাব বিশ্বকাপ। তিনটি প্রিমিয়ার লিগ জিতলেও চ্যাম্পিয়নস লিগ অধরা ওয়েঙ্গারের। এবার তো সুযোগই পাননি চ্যাম্পিয়নস লিগে।

ম্যানইউর ম্যানেজার হয়ে ফার্গুসনের শেষ ম্যাচটি ছিল ওয়েস্ট ব্রমের বিপক্ষে। নাটকীয় সেই ম্যাচ শেষ হয় ৫-৫ গোলের সমতায়। কাকতালীয়ভাবে আর্সেন ওয়েঙ্গারও ওয়েস্ট ব্রমের বিপক্ষেই ভাঙলেন ফার্গুসনের রেকর্ড। শেষ মিনিটের নাটকীয়তায় এই ম্যাচ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। ডি-বক্সে কিয়েরন গিবসের ক্রস লাগে আর্সেনালের কালাম চেম্বার্সের হাতে। এ ধরনের হ্যান্ডবল এড়িয়ে যান রেফারিরা। কিন্তু গত পরশু পেনাল্টি দেন রেফারি। ৮৯ মিনিটে জে রদ্রিগেসের পেনাল্টিতে সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েস্ট ব্রম। তাই ওয়েঙ্গারের ক্ষোভ, ‘এটা পেনাল্টি ছিল না। প্রশ্ন হচ্ছে আপনি হাত রাখবেন কোথায়, জার্সিতে পকেট তো নেই? আমি ক্ষুব্ধ কারণ বারবার একই জিনিস দেখছি। অনেক বছর আগে রেফারিদের পেশাদারি নিয়ে লড়াই করেছিলাম, কিন্তু দেখছি কোনো উন্নতিই হয়নি।’ এএফপি



মন্তব্য