kalerkantho


নতুন বছরে তামিমের নতুন লক্ষ্য

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



নতুন বছরে তামিমের নতুন লক্ষ্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ক্রিকেটে সুসময়ের কোনো গ্যারান্টি নেই, আজকের সেঞ্চুরিয়ানের জন্য পরের ম্যাচেই যে ওত পেতে থাকে ‘গোল্ডেন ডাক’! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাদশ বর্ষে পা রাখা তামিম ইকবালের নিজের ক্যারিয়ারে কোনো অপার রহস্য নেই। তাই সুসময়ের ভেলায় চড়ে ২০১৭ সাল শেষ করতে যাওয়া বাঁহাতি এই ওপেনারের ‘নিউ ইয়ার রেজল্যুশন’, ‘এক বছরে হাজার রান।’

এক মৌসুমে নির্দিষ্ট একটি ফরম্যাটে হাজার রান বিশ্বের যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যই একটা বিশেষ ল্যান্ডমার্ক। যদিও এই কীর্তি বাংলাদেশের একজনেরই আছে, শাহরিয়ার নাফীসের। গত বছর ওয়ানডেটা প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর সমান খেলতে পারলে তামিমেরও নাম উঠে যেতে পারত সেই তালিকায়, ১২ ম্যাচেই ৬৪.০৯ গড়ে ৭০৫ রান তাঁর। ২০১৮ সালে ম্যাচের সংখ্যা বেশি, তাই প্রথমবারের মতো এক বছরে হাজার রানের লক্ষ্য ছোঁয়ার ইচ্ছা তামিমের, ‘ইস, এত দিনেও হলো না!’ ব্যাটে-বলে সময়টা ভালো যাচ্ছে যখন, তখন তিনি ভক্তদের কাছেও অনুরোধ জানিয়ে রেখেছেন, ‘ফ্যানদের বলব, আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমি নতুন বছরে আরো সফল হই এবং বাংলাদেশকে যেন আরো বেশি ম্যাচ জেতাতে পারি।’

নতুন বছরের পা রাখার প্রাক্কালে অতীত পর্যবেক্ষণ হবেই। তো, ২০১৭-র দিকে পেছন ফিরে তাকিয়ে তামিমের মনে আনন্দের সঙ্গে হতাশাও দোলা দেয়, ‘বছরটা খারাপ যায়নি। তবে আরো কিছু ম্যাচ জিততে পারতাম। ছোটখাটো ভুলের কারণে সেটা হয়নি। যা খেলেছি, তার চেয়ে ১৫-২০ শতাংশ যদি বেশি ভালো খেলতাম, তাহলে সেসব ম্যাচ জিততাম। নতুন বছরে আমাদের লক্ষ্য থাকবে ভুলের মাত্রা কমিয়ে আরো বেশি ম্যাচ জেতা।’

তামিমের সামনে সেই বেশি ম্যাচ জেতার সুযোগ এসে পড়ছে নতুন বছরের প্রথমভাগেই, ‘আমরা খুব বেশি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলিনি। তবে একবার ফাইনাল খেলেছিলাম (সেই সিরিজেও বাকি দুটি দল ছিল শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে)। এটা দারুণ সুযোগ। যার বিরুদ্ধে খেলব, তাদের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে জানি। শ্রীলঙ্কা ভালো দল। নিজেদের দিনে জিম্বাবুয়েও ভয়ংকর হতে পারে। তবে খেলা বাংলাদেশে। তাই আমাদেরই ফেভারিট হওয়া উচিত। গত দুই-তিন বছরে আমরা যে রকম সিরিজ খেলে এসেছি, বিশেষ করে দেশের মাটিতে, তাতে আমাদেরই ফেভারিট হওয়া উচিত।’

চুলের চিকিৎসা করিয়ে গতকালই প্রথম প্রাথমিক ক্যাম্পে এসেছেন তামিম ইকবাল। এত দিন ধরে ভাঙা রেকর্ডের মতো বাজতে থাকা চন্দিকা হাতুরাসিংহের শ্রীলঙ্কা দলের কোচ হয়ে বাংলাদেশে আগমন নিয়ে তাঁর পেশাদারি উত্তর, ‘তারা (কোচ) আমাদের সম্পর্কে জানে। তবে ব্যাপারটা হলো, দিনশেষে কোচ শুধু পরিকল্পনা করে দিতে পারেন। কিন্তু মাঠে তা প্রয়োগ করতে না পারলে কোনো লাভ নেই। আমরা যদি আমাদের কোচের পরিকল্পনা প্রয়োগ করতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমরা ভালো করব।’


মন্তব্য