kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

সাইফ পয়েন্ট হারালে সুযোগ নিতে হবে

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



সাইফ পয়েন্ট হারালে সুযোগ নিতে হবে

প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে মোহামেডান। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে সাদা-কালোদের এমন দাপুটে জয় দেখা যায়নি অনেক দিন। এই মুহূর্তে লিগ টেবিলের পঞ্চম স্থানে তারা। আসরটা কোথায় থেকে শেষ করতে পারে মোহামেডান, সে প্রসঙ্গেই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন দলের সিনিয়র খেলোয়াড় জাহিদ হাসান

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : শেষ ম্যাচে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে এমন দাপুটে জয়! লিগে আপনাদের সম্ভাবনা এখন কতটুকু?

জাহিদ হাসান : প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয়ও হওয়া এখন সম্ভব না বোধ হয়। তবে চারে থাকতে পারলে আমাদের ভালো একটা প্রাপ্তি আছে, আমরা এএফসি কাপে খেলতে পারব। যদিও পথটা এখনো অনেক কঠিন। সাইফ আমাদের চেয়ে এগিয়ে আছে ৭ পয়েন্টে। বাকি ৬ ম্যাচের সবগুলো আমরা জিতলেও ওদের পয়েন্ট হারাতে হবে। তবেই আমরা সুযোগটা পাব।

প্রশ্ন : এখন মনে হচ্ছে কি, শুরুর দিকে আরেকটু ভালো করতে পারলে পথটা সহজ থাকত?

জাহিদ : শুরুর দিকেও আমরা খুব বেশি খারাপ করিনি। কিন্তু ভাগ্য আমাদের সঙ্গে ছিল না। সবগুলো বড় দলের বিপক্ষেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সামান্য একটা ভুলে হয়তো ম্যাচ হেরে গেছি। সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষেই প্রথম লেগে ৩-২ হেরেছিলাম। এবার যে ওদের ৩ গোল দিলাম, এটা কোনো চমক নয় বরং এটাই প্রত্যাশা আমাদের কাছে।

প্রশ্ন : পেশাদার লিগে মোহামেডানের মতো একটা দল কোচহীন অনেক দিন, নিজেদের দুর্ভোগের জন্য সেটাও কি কারণ নয়?

জাহিদ : কোচ নইমুদ্দিনের ওপর আমাদের প্রত্যাশা বেশিই ছিল। সেই প্রত্যাশিত ফল হচ্ছিল না দেখে নিজেই হয়তো দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেছেন। তবে এটা বলব না যে এখন এমন কোচহীন থাকাটাও ভালো কিছু হচ্ছে। অবশ্যই একজন ভালো মানের কোচ দলের জন্য সব সময়ই প্রয়োজন।

প্রশ্ন : আপনার নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে কী ভাবনা, এখন তো আর পুরো সময় খেলতে পারছেন না।

জাহিদ : গত বছর বড় ধরনের ইনজুরি ছিল আমার, অপারেশন করাতে হয়েছে। সে জন্যই সাবধানে খেলতে হচ্ছে। তবে এভাবে বেশি দিন থাকব না নিশ্চিত, আমি এখনো পুরো ৯০ মিনিট খেলতে চাই।

প্রশ্ন : লিগে এখনো গোলও পাননি আপনি...

জাহিদ : পুরো সময় খেলছি না, এটা একটা কারণ। আর এবার পুরোপুরি স্ট্রাইকার পজিশনেও খেলছি না, একটু নিচে নেমে খেলতে হচ্ছে।

প্রশ্ন : তবে স্থানীয় অন্য খেলোয়াড়রা এবার কিন্তু বেশ গোল পাচ্ছেন...

জাহিদ : হ্যাঁ, বিদেশি কোটা কমায় স্থানীয়দের পারফরম করার সুযোগ বেড়েছে। মতিনের মতো স্ট্রাইকাররা এখন নজর কাড়তে পারছে। মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে ওর গোলটা দেখলাম। ঢাকার মাঠে অনেক দিন আমি এমন গোল দেখিনি।



মন্তব্য