kalerkantho


ব্যস্ততা বাড়ছে মাশরাফি-সাকিবদের

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ব্যস্ততা বাড়ছে মাশরাফি-সাকিবদের

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো দলকে এখন টেস্টে হারাচ্ছে বাংলাদেশ। আইসিসির প্রস্তাবিত নতুন সূচিতে তাই কদর বাড়ছে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমদের। ২০১৯ সালের মে থেকে ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত সূচিতে বাড়ছে টেস্ট। বর্তমান সূচিতে চার বছরে ৩৩ টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। প্রস্তাবিত নতুন সূচিতে চার বছরে টেস্ট বেড়ে হবে ৩৫টি। এ সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি টেস্ট শুধু ইংল্যান্ড (৪৬), অস্ট্রেলিয়া (৪০) আর ভারতের (৩৭)। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দল এই সময়ে খেলবে বাংলাদেশের চেয়ে তিনটি কম টেস্ট। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৯, নিউজিল্যান্ড ২৮, শ্রীলঙ্কা ২৯ আর পাকিস্তানের ভাগ্যে জুটেছে ২৮টি।

গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে আইসিসির কর্মশালায় আলোচনার পর প্রতিটি দেশের জন্য করা হয়েছে এই সূচি। এটা চূড়ান্ত নয় এখনো। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইসিসি প্রধান নির্বাহীদের সভায় পাঠানো হবে এটা। সেখানে কেউ আপত্তি না তুললে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে জুনে আইসিসির বোর্ডসভায়। ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর অনুমান সিঙ্গাপুরে ঠিক হওয়া প্রস্তাবিত সূচিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। নতুন সূচিতে আগামী চার বছরে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১২২টি ম্যাচ পাবে বাংলাদেশ। তাতে ২০১৯-২০ মৌসুমে ভারতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। ২০২২-২৩ মৌসুমে ফিরতি সফরে বাংলাদেশে আসবে তারা।

নতুন সূচিতে ৯টি দল নিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আর ১৩ দল নিয়ে রাখা হয়েছে ওয়ানডে লিগ। প্রতি দুই বছরে প্রতিপক্ষ ১২ দলের মধ্যে যেকোনো আটটির সঙ্গে সিরিজ খেলতে হবে, যা কার্যকর হবে ২০২০ সালের মে থেকে। এই পদ্ধতিতে পাওয়া পয়েন্টের ভিত্তিতে নিশ্চিত হবে বিশ্বকাপের টিকিট। এর বাইরেও কেউ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে পারবে, এ জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে ২০২২ সালের মে থেকে পরবর্তী আট মাস। এই সময়ে খেলা ওয়ানডের জন্য অবশ্য পয়েন্ট যোগ হবে না। বাংলাদেশ আগামী চার বছরে খেলবে ৪৫ ওয়ানডে। সবচেয়ে বেশি ৬২ ওয়ানডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর ৬১ ম্যাচ খেলবে ভারত। টি-টোয়েন্টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যথেষ্টই। প্রতিটি দল টি-টোয়েন্টি খেলবে প্রায় ওয়ানডের সমান। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি খেলবে ৪২টি করে। সবচেয়ে বেশি ৬১ ম্যাচ ভারতের। ক্রিকইনফো


মন্তব্য