kalerkantho


বিপিএলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস!

১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বিপিএলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস!

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালু করা জরুরি, এতে দেশীয় ক্রিকেটের প্রসার ঘটবে—এই স্লোগান দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চালু করেছিলেন বিসিবির সাবেক বোর্ড সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল। হায় সেলুকাস! বিপিএলের পঞ্চম আসরের শেষ পথে তাঁর বিরুদ্ধেই কিনা উঠেছে এ আসরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ। সেই অভিযোগের যথোপযুক্ত জবাব দিতে না পারলে বিপিএল থেকে বহিষ্কারও করা হতে পারে মুস্তফা কামালের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানকে—বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল প্রেরিত চিঠির মর্মার্থ এমনই।

দেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে অবশ্য সরাসরি চিঠি দেওয়া হয়নি। চিঠির প্রাপক নাফিসা কামাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। সেখানে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের পক্ষ হয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বাই লজ-এ সংশোধনী এনে রিজার্ভ ডে রাখার যে প্রস্তাব শীর্ষ চার ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পাঠানো হয়েছিল, তার জবাবে ভিক্টোরিয়ানসের প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার ইচ্ছা হতাশ করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে।’

সামান্য এই হতাশার পরিপ্রেক্ষিতেই অবশ্য কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দেয়নি বিপিএল কমিটি, চিঠির শেষাংশে যোগ করা হয়েছে আরো বড় অভিযোগ। সেই অভিযোগ মূলত গতকালই টেস্টের সহ-অধিনায়কত্ব হারানো তামিম ইকবাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অধিনায়ক হিসেবে একটি ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দাঁড়িয়ে যিনি উইকেট ও মাঠের সমালোচনা করেছিলেন। এই পর্বের দ্বিতীয় অভিযুক্ত ভিক্টোরিয়ানসের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তিনি যে তামিম ইকবালের অভিমতকে সমর্থন করেছিলেন!

এই দুইয়ের যোগফলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চিঠিতে উপসংহার টানা হয়েছে এভাবে, ‘এই ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, আপনার ফ্রাঞ্চাইজি এই আসরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত। তাই আপনাকে অনুরোধ করা হচ্ছে, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে—কেন আপনার ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কিংবা বহিষ্কার/চুক্তি স্থগিত করা হবে না?’

গতকাল পর্যন্ত এই চিঠির জবাব দেয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। আজ শেষ দিনে উত্তর দেওয়ার বিষয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য